গাইবান্ধার
আব্দুল জাব্বার মণ্ডলসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায়
চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত
সংস্থা। বুধবার ধানমণ্ডিতে তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে
সংস্থার সমন্বয়ক সানাউল হক এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। আব্দুল জাব্বার মণ্ডল
ছাড়া বাকি অভিযুক্তরা হলেন- জাছিজার রহমান ওরফে খোকা, আজগর হোসেন খান,
মোন্তাজ আলী ব্যাপারী, আব্দুল ওয়াহেদ মন্ডল ও মো: রনজু মিয়া। আসামিদের
মধ্যে কেবল রনজু মিয়া গ্রেফতার আছেন। বাকিরা পলাতক। প্রতিবেদনে অভিযুক্তদের
বিরুদ্ধে গাইবান্ধা জেলার সদর থানাধীন সাহাপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে
হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগসহ ৪টি অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা
হেলাল উদ্দিন ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেন।
প্রায় দুই বছর পর তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হলো। প্রতিবেদনে
উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্তদের সবাই জামায়াতের কর্মী। আসামিদের বিরুদ্ধে
যে সব অভিযোগ:
* আসামিরা ১৯৭১ সালের জুন মাসের প্রথম দিকে পাকিস্তানী দখলদার ও রাজাকারসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের ওপর অত্যাচার নির্যাতন চালায়। এসময় তারার গাইবান্ধা সদর থানার বিঞ্চুপুর গ্রামের দ্বিজেস চন্দ্র সরকারকে হত্যা করে লাশ গুম করে। অম্বিকা চরন সরকারকে নির্যাতন করে মৃতপ্রায় করে ফেলে রাখে।এছাড়া ফুল কুমারী রানী ও তার জা সাধনা রানী সরকারকে (বর্তমানে মৃত) আটক করে নির্যাতন করে। পরে তারা মুসলমান হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে কপালের সিঁদুর মুছে হাতের শাখা ভেঙে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।
* রনজু মিয়া বাদে বাকি অভিযুক্তরা সদর থানার নান্দিনা গ্রামের আবু বক্কর, মো. তারা আকন্দ ও আনছার আলী ও নছিম উদ্দিন আকন্দসহ ৯ জনকে গুলি করে হত্যা করে। এছাড়া এলাকার ৪০/৫০টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায়।
* রনজু মিয়া বাদে বাকি অভিযুক্তরা পাকিস্তানী দখলদার ও রাজাকারদের সঙ্গে নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা, তাদের আশ্রয়দাতা ও আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থক সদর থানার দৌলতপুর গ্রামের লাল মিয়া বেপারী, আবদুল বাকী, খলিলার রহমানসহ মোট পাঁচজনকে গুলি করে হত্যা করে।
* ছয়জনের বিরুদ্ধেই অভিযোগ রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানী দখলদার ও রাজাকারদের সঙ্গে নিয়ে সদর থানার নান্দিনা, মিরপুর, সাহারবাজার, কাশদাহ বিসিক ও শিল্প নগরী, ভবানীপুর চকগয়েশপুর গ্রামে ওমর ফারুক, ইসলাম উদ্দিন, নীরব হোসেনসহ মোট ৭ জনকে গুলি করে হত্যা করে।
* আসামিরা ১৯৭১ সালের জুন মাসের প্রথম দিকে পাকিস্তানী দখলদার ও রাজাকারসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের ওপর অত্যাচার নির্যাতন চালায়। এসময় তারার গাইবান্ধা সদর থানার বিঞ্চুপুর গ্রামের দ্বিজেস চন্দ্র সরকারকে হত্যা করে লাশ গুম করে। অম্বিকা চরন সরকারকে নির্যাতন করে মৃতপ্রায় করে ফেলে রাখে।এছাড়া ফুল কুমারী রানী ও তার জা সাধনা রানী সরকারকে (বর্তমানে মৃত) আটক করে নির্যাতন করে। পরে তারা মুসলমান হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে কপালের সিঁদুর মুছে হাতের শাখা ভেঙে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।
* রনজু মিয়া বাদে বাকি অভিযুক্তরা সদর থানার নান্দিনা গ্রামের আবু বক্কর, মো. তারা আকন্দ ও আনছার আলী ও নছিম উদ্দিন আকন্দসহ ৯ জনকে গুলি করে হত্যা করে। এছাড়া এলাকার ৪০/৫০টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায়।
* রনজু মিয়া বাদে বাকি অভিযুক্তরা পাকিস্তানী দখলদার ও রাজাকারদের সঙ্গে নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা, তাদের আশ্রয়দাতা ও আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থক সদর থানার দৌলতপুর গ্রামের লাল মিয়া বেপারী, আবদুল বাকী, খলিলার রহমানসহ মোট পাঁচজনকে গুলি করে হত্যা করে।
* ছয়জনের বিরুদ্ধেই অভিযোগ রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানী দখলদার ও রাজাকারদের সঙ্গে নিয়ে সদর থানার নান্দিনা, মিরপুর, সাহারবাজার, কাশদাহ বিসিক ও শিল্প নগরী, ভবানীপুর চকগয়েশপুর গ্রামে ওমর ফারুক, ইসলাম উদ্দিন, নীরব হোসেনসহ মোট ৭ জনকে গুলি করে হত্যা করে।

No comments:
Post a Comment