শাহজাদপুর
উপজেলার ঘোষ শ্রীফলতলা গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের মধ্যে
সংঘর্ষে হবু সরকার নামের ১ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।
বুধবার সকালের এ ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিকে এদিন ভোরে উপজেলার
কায়েমপুর ইউনিয়নের সরাতৈল গ্রামে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ১০ জন আহত
হয়েছেন। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হাবিবুল্লাহ নগর
ইউনিয়নের ঘোষ শ্রীফলতলা গ্রামে বুধবার সকালে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে
সংঘর্ষে হাবু সরকার (৩৫) খুন হন। এ ঘটনায় পুলিশ দুই মহিলাসহ ৫ জনকে
গ্রেফতার করেছে। নিহত হাবুর স্ত্রী জুলিয়া খাতুন জানান, দুই বিঘা জমি নিয়ে
তার স্বামীর সঙ্গে ঘোষ শ্রীফলতলা গ্রামের আবদুর রউফ ওরফে রব্বানীর (৭০)
আদালতে মামলা চলছিল। রব্বানী ও তার লোকজন বুধবার সকালে বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে
গরু চড়িয়ে ঘাস খাওয়াতে যান। তার স্বামী হাবু সরকার বাধা দিলে রব্বানী
লোকজন আক্রমণ করে।
এরপরই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় রব্বানীর
লোকজনের বর্শার ফলার আঘাতে তার স্বামী গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নেয়ার পথে
তিনি মারা যান। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় শাহজাদপুর থানা
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রাব্বানী গ্রুপের আলেয়া বেগম (৫০), মোমেনা বেগম (২৬),
আবদুর রহিম (৫০), আলম সরকার (৩০) ও আবদুর রউফ ওরফে রব্বানীকে আটক করা হয়েছে
বলে শাহজাদপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন। তিনি
বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হাবু সরকার নামের এক ব্যক্তি খুন
হয়েছেন। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের সড়াতৈল গ্রামে এক হত্যা মামলার আসামি ও
বাদীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। জানা যায়, বুধবার ভোরে
আওয়ামী লীগ নেতা কোরবান আলী হত্যা মামলার আসামিরা বোমা ফাটিয়ে ও গুলিবর্ষণ
করতে করতে বাদীর লোকজনের বাড়িঘরে হামলা চালায়। বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে
ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়। আহতদের শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা
হয়েছে। শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত
করেছেন।

No comments:
Post a Comment