সব
জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর হাতেই ব্যালন ডি’অর।
ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে বছরজুড়ে সাফল্যের মুকুট পরা এ পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড
বিশ্বজুড়ে ১৭৩ সাংবাদিকের ভোটে চতুর্থবারের বর্ষসেরা ফুটবলারের সম্মানে
ভূষিত হলেন। এ শিরোপার দৌড়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন লিওনেল মেসি। তিনি
হয়েছেন দ্বিতীয়। আর তৃতীয় হয়েছেন আন্তোয়ান গ্রিয়েজমান। সোমবার স্থানীয় সময়
সন্ধ্যায় ফ্রান্সের প্যারিসে এক অনুষ্ঠানে ব্যালন ডি’অর জয়ী রোনালদোর নাম
ঘোষণা করে ফ্রান্স ফুটবল সাময়িকী।
এই পুরস্কারের জন্য অনুষ্ঠানে ছিলেন না এ
রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। ক্লাব বিশ্বকাপে খেলতে রিয়ালের হয়ে এখন জাপানে
অবস্থান করছেন ৩১ বছর বয়সী রোনালদো। এর আগে ২০০৮, ২০১৩ ও ২০১৪ সালে
বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জিতেছিলেন ৩১ বছর বয়সী রোনালদো। গত অক্টোবরে
এই পুরস্কারের জন্য ৩০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করে ফ্রান্স ফুটবল।
লড়াইয়ে ছিলেন পাঁচবারের বর্ষসেরা মেসি, গত বছর তৃতীয় হওয়া নেইমার,
বার্সেলোনার গত মৌসুমের সর্বোচ্চ গোলদাতা লুইস সুয়ারেজ, বছরজুড়ে দুর্দান্ত
খেলা ফরাসি ফরোয়ার্ড গ্রিজমান ছাড়াও অনেকে। বছরজুড়ে রোনালদোর সাফল্য ছিল
আকাশচুম্বী। রিয়ালের হয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতার দুই মাসের মধ্যে গত
জুলাইয়ে দেশকে প্রথমবারের মতো ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জেতান তিনি। গত মৌসুমে লা
লিগায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৫ গোল করেন এ পর্তুগিজ যুবরাজ। এ মৌসুমে এখন
পর্যন্ত ১০ গোল করেছেন। রানার্সআপ হওয়া রিয়ালের এই তারকা ফরোয়ার্ড। আর
সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছিলেন পাঁচটি গোল। এ মৌসুমে এখন পর্যন্ত ১০ গোল
করেছেন। ১৯৫৬ সাল থেকে ইউরোপের সেরা খেলোয়াড়কে ব্যালন ডি’অর পুরস্কার দেয়া
চালু হয়। প্রথম পুরস্কার পেয়েছিলেন স্ট্যানলি ম্যাথুস। ২০০৮ সাল থেকে মেসি ও
রোনালদো ব্যালন ডি‘অর জয় করে আসছেন। মেসি ৫ বার ও রোনালদো জিতলেন এই নিয়ে ৪
বার।

No comments:
Post a Comment