শাহিদ মোস্তফা শাহিদ,কক্সবাজার সদর প্রতিনিধিঃ
ইসলামাবাদ, গোমাতলি ও ইসলামপুর ইউনিয়নের ত্রিশ হাজারেরও অধিক মানুষের
ঈদগাঁও বাজারে আসার প্রধান মাধ্যম বাঁশঘাটা ঝুলন্ত ব্রিজটি কোন কাজেই আসছে
না। উপরন্তু মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে ঈদগাহ হাইস্কুল, কেজি স্কুল,
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আলমাছিয়া মাদরাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
আসা হাজারো কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। এক বছর ধরে বন্ধ রয়েছে
যানবাহন, ব্যবসা বানিজ্যে নেমে এসেছে স্থবিরতা। সবমিলিয়ে চরম দুর্ভোগ
পোহাতে হচ্ছে এলাকার ৩০ হাজার মানুষ। গত বর্ষায় পাহাড়ী ঢলে ভেঙে
যাওয়া বাঁশঘাটা ব্রিজটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে কয়েকবার কাঠের সাঁকো দিয়ে অস্থায়ীভাবে
পারাপারের ব্যবস্থার চেষ্টা চললেও বারবার ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয় চেয়ারম্যানের
সুপারিশে এলজিইডির পক্ষ থেকে কাঠের ঝুলন্ত ব্রিজটি নির্মান করা হয়।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, খুবই সংকীর্ণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় শিশু বৃদ্ধ
এবং নারীরা এ ব্রিজ দিয়ে আতংকের মধ্য দিয়ে পারাপার করছেন। এ ব্রিজ দিয়ে
কোন প্রকার যানবাহন চলাচল করতে না পারায় ঘুরপথে যাতায়াত করতে হচ্ছে সাধারণ
মানুষকে। এতে প্রচুর সময় ও ভাড়ার টাকা অতিরিক্ত গুণতে হচ্ছে যাত্রীদের।
প্রসূতি এবং অসুস্থ রোগীদের এ ভোগান্তী বহুগুণ বেশি পোহাতে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালে স্থানীয় সমাজসেবক (পরবর্তিতে চেয়ারম্যান) জাফর আলমের উদ্যোগে ঈদগাঁও খালের উপর ঈদগাঁও বাজার বাঁশঘাটা-ইসলামাবাদ ব্রিজটি প্রথম নির্মান করা হয়। পরবর্তি ২৫ বছর এ ব্রিজটি ৩ ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে শিক্ষাদীক্ষা ও ব্যবসা বাণিজ্যে ব্যাপক সুবিধা বয়ে আনে। গত বর্ষায় ব্রিজটি ভেঙে গেলে হাজার হাজার মানুষ ও শিক্ষর্থীদের ব্যাপক ভোগান্তীর সৃষ্টি হয়। কক্সবাজার সরকারি কলেজের ছাত্র ইউসুফের খিল এলাকার বাসিন্দা বজলুর রহমান জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলাপরিষদ প্রশাসক, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ এলজিইডির সিনিয়র কর্মকর্তারা একাধিকবার পরিদর্শন করার পরও ব্রিজটি পুননির্মান না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের ব্যাপক ভোগান্তীর শিকার হতে হচ্ছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান নূর ছিদ্দিক জানান, ব্রিজটির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সকল প্রকার জরিপের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে। টেন্ডার হলেই কাজ আরম্ভ হবে। উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না থাকায় কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। শীঘ্রই বরাদ্দকৃত বাজেটের অর্থ আসামাত্রই নির্মান কাজ শুরু করা হবে।
উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালে স্থানীয় সমাজসেবক (পরবর্তিতে চেয়ারম্যান) জাফর আলমের উদ্যোগে ঈদগাঁও খালের উপর ঈদগাঁও বাজার বাঁশঘাটা-ইসলামাবাদ ব্রিজটি প্রথম নির্মান করা হয়। পরবর্তি ২৫ বছর এ ব্রিজটি ৩ ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে শিক্ষাদীক্ষা ও ব্যবসা বাণিজ্যে ব্যাপক সুবিধা বয়ে আনে। গত বর্ষায় ব্রিজটি ভেঙে গেলে হাজার হাজার মানুষ ও শিক্ষর্থীদের ব্যাপক ভোগান্তীর সৃষ্টি হয়। কক্সবাজার সরকারি কলেজের ছাত্র ইউসুফের খিল এলাকার বাসিন্দা বজলুর রহমান জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলাপরিষদ প্রশাসক, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ এলজিইডির সিনিয়র কর্মকর্তারা একাধিকবার পরিদর্শন করার পরও ব্রিজটি পুননির্মান না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের ব্যাপক ভোগান্তীর শিকার হতে হচ্ছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান নূর ছিদ্দিক জানান, ব্রিজটির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সকল প্রকার জরিপের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে। টেন্ডার হলেই কাজ আরম্ভ হবে। উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না থাকায় কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। শীঘ্রই বরাদ্দকৃত বাজেটের অর্থ আসামাত্রই নির্মান কাজ শুরু করা হবে।

No comments:
Post a Comment