Sunday, December 18, 2016

সুন্দরী মেঘার ফাঁদে ১১ স্বামী, অবশেষে...

তিনি পেশায় একজন প্রতারক। ধনী ব্যক্তিদের বিয়ে করে তাদের দেয়া গহনা আর টাকা নিয়ে পালানোই তার মূল কাজ। আর এই প্রক্রিয়ায় একে একে তিনি ১১ জনকে বিয়ে করেছেন। শেষ পর্যন্ত পাপ যেমন বাপকে ছাড়ে না তেমনি তিনিও আর রেহাই পেলেন না, ধরা পড়লেন পুলিশের জালে। যাকে নিয়ে এতো গল্প তিনি হলেন ২৩ বছরের সুদর্শনা মেঘা। ভারতের নয়ডার বাসিন্দা মেঘা ভার্গব থাকতেন দিদি আর জামাইবাবুর সঙ্গে। পরে সেখান থেকে পাড়ি দেন কেরলে। সেখানেই পুরুষ শিকারে পারদর্শী হয়ে উঠেন মেঘা।
পুলিশ জানিয়েছে, তাকে এই কাজে সাহায্য করত মহেন্দ্র নামে এক যুবক। সে খুঁজে খুঁজে সেই পুরুষের খবর দিত মেঘনাকে যাদের বয়স হয়ে গিয়েছে, অথচ বিয়ে হয়নি, ডিভোর্সি পাত্র। আবার যাদের গায়ের রং কালো, ভাল পাত্রী পাচ্ছেন না। এমনকি শারীরিকভাবে অক্ষম পুরুষদের কাছে নিজের রূপের ললনায় মন ভুলিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দিত। এ রকমই এক ঘটনার শিকার হন কেরলের বাসিন্দা লরেন জাস্টিন। তাকে ফাঁদে ফেলে মেঘা বিয়ের কয়েক দিনের মধ্যে ১৫ লাখ টাকার গহনা নিয়ে উধাও হন। পরে জাস্টিন পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। এর আগে একই রকম বেশ কয়েকটি অভিযোগ আসে পুলিশের কাছে। শেষ পর্যন্ত প্রতারক দলকে ধরতে কেরল ও নয়ডার পুলিশ যৌথ অভিযান শুরু করে। আর এতে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে মেঘার সহকারী মহেন্দ্র। তার থেকেই মেঘার সব অপকর্মের তথ্য পায় পুলিশ। শেষ পর্যন্ত নয়ডার এক ফ্ল্যাটে হানা দিয়ে মেঘাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় তার দিদি-জামাইবাবুকেও। জেরায় মেঘা জানিয়েছে, সে চারজনকে বিয়ে করেছে। তবে বাকি বিয়ের কথা অস্বীকার করে।

No comments:

Post a Comment