বিক্ষিপ্ত
সংঘাত-সহিংসতা, কেন্দ্রের বাইরে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ভোট কেন্দ্রে জোর করে
প্রবেশের চেষ্টা এবং আচরণবিধি লংঘনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে জেলা পরিষদ
নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। বুধবার ৫৯ জেলায় সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত
টানা ৫ ঘণ্টা ভোট গ্রহণ চলে। বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল
এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। এরপরও ফাঁকা মাঠে জয় পেতে ক্ষমতাসীন দল
সমর্থিত ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের সমর্থকরা নিজেদের মধ্যে সহিংসতায় জড়িয়ে
পড়েন।
ভোট কেন্দ্রগুলোতে বিপুলসংখ্যক আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য
উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু সংঘাতকারী সবাই সরকারি দলের হওয়ায় অনেক স্থানেই
তাদের (পুলিশ) ‘নীরব দর্শকের’ ভূমিকায় দেখা গেছে। তবে অধিকাংশ জেলায় ভোট
গ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব ঘটনার পরও জেলা পরিষদ নির্বাচন
সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী
রকিবউদ্দীন আহমদ। ভোট গ্রহণের পর বুধবার দুপুরে ইসি সচিবালয়ে সিইসি বলেন,
প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদের নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ
পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সরকার পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা
জেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্বিঘ্নে ভোট প্রদান করেছেন। দেশে প্রথমবারের মতো
অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ নির্বাচনে বেসরকারি ফলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত
প্রার্থীদের জয়-জয়কার। বুধবার ৩৮ জেলায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ২৪ জন আওয়ামী
লীগ সমর্থিত প্রার্থী চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন। বাকি জেলাগুলোতে ১০
জন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও ৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী চেয়ারম্যান
হয়েছেন। এর আগে ২১ জেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা একক প্রার্থী
হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। সব মিলিনিউজিল্যান্ডের দেয়া ২৫২
রানের লক্ষ্যে ব্যাট করছে সফরকারী বাংলাদেশ। সতর্ক শুরুর পর সাজঘরে ফিরে
গেছেন ওপেনার তামিম ইকবাল।
দলীয়
৩০ রানে টিম সাউদিকে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে মিউ-উইকেটে টম ল্যাথামের হাতে
ধরা পড়েন তামিম, ২৩ বলে তিন বাউন্ডারিতে ১৬ রান করে। এরপর দলের হাল ধরেছেন
ইমরুল ও সাব্বির রহমান। দলীয় ১০৫ রানে ৭৫ রানের এই জুটি ভাঙে ভুল
বোঝাবুঝিতে। নিশামের বলে সিঙ্গেল নিতে কল করেন ইমরুল। নন-স্ট্রাইকিং
থেকে সাড়া দিয়েও শেষ পর্যন্ত ফিরে আসেন সাব্বির। ইমরুলও একই প্রান্তে ফিরে
এলে সাজঘরে যেতে বাধ্য হন ৪৯ বলে দুই বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ৩৮ রান করা
সাব্বির। এরপর দলীয় ১১২ রানে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে সরাসরি বোল্ড করেন
ফার্গুসন। আর দলীয় ১২৭ রানে নিল ব্রুমের তালুবন্দি করে সাকিবকে (৭) তুলে
নেন কেন উইলিয়ামসন। প্রতিবেদন পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৯ ওভারে ১২৯/৪।
ইমরুল কায়েস ৫৫ এবং মোসাদ্দেক হোসেন ১ রানে ব্যাট করছেন। এর
আগে টস হেরে ব্যাট পাওয়া নিউজিল্যান্ড ২৫১ রানে গুটিয়ে যায়। দলের পক্ষে
নিল ব্রুম ১০৭ বলে ৮ চার ৩ ছক্কায় সর্বোচ্চ ১০৯ রানে অপরাজিত থাকেন। আর
রনকি ৩৫, নিশাম ২৮ ও ল্যাথাম ২২ রান করে করেন। বাংলাদেশের পক্ষে ৪৯
রানে ৩ উইকেট নেন মাশরাফি। আর সমান ৪৫ রান করে খরচা করলেও তাসকিন ও সাকিব
২টি এবং শুভশীষ একটি উইকেট পান।
মোসাদ্দেক ১২ রানে নেন এক উইকেট।য়ে ৪৫
জেলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হলেন।
বগুড়া ও কুষ্টিয়ায় আদালতের নির্দেশে চেয়ারম্যান পদে ভোট গ্রহণ স্থগিত
রয়েছে। এছাড়া জেলা পরিষদ আইনের আওতাভুক্ত না হওয়ায় পার্বত্য তিন জেলায়
নির্বাচন হয়নি। যুগান্তরের ব্যুরো, জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কুড়িগ্রামে চেয়ারম্যান পদে ভোট দেয়ার পর ব্যালট
পেপার প্রকাশ্যে দেখাতেও বাধ্য করা হয়েছে ভোটারদের। এছাড়া পিরোজপুর ও
মাদারীপুরে সহিংসতায় কয়েকজন আহত হয়েছেন। কুড়িগ্রামে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী
প্রার্থীর গাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করা হয়েছে। সুনামগঞ্জে এক লাখ টাকা
নিয়ে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের সময় একজনকে আটক করার পর তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
নড়াইলে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের
বাড়িতে গুলিবর্ষণেরও ঘটনা ঘটে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুড়িগ্রামসহ কয়েক জেলায়
সাংবাদিকদের ভোট কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্বাচন
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আইনি জটিলতার কারণে ১৭টি জেলার অন্তত অর্ধশত ভোট
কেন্দ্রে বুধবার ভোট গ্র্রহণ স্থগিত ছিল। নির্বাচন কমিশন ৬১ জেলা পরিষদের
তফসিল ঘোষণা করলেও ভোলা ও ফেনী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও
সংরক্ষিত সদস্য পদে সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ওই দুই
জেলায় ভোট গ্রহণ হয়নি। ভোট গ্রহণের আগেই জেলা পরিষদের ২১ জন চেয়ারম্যান, ৬৯
জন সংরক্ষিত সদস্য ও ১৬৬ জন সাধারণ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। =
মাদারীপুরর
জেলা পরিষদ নির্বাচনে দুটি কেন্দ্রে সংঘর্ষ, আহত ৩, সাংবাদিক লাঞ্ছিত :
মাদারীপুর প্রতিনিধি জানান, মাদারীপুরে জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ
শুরুর আগে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভোট গ্রহণ শুরুর আগেই রাজৈর উপজেলার
হোসেনপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুল মোতালেব
মিয়া ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আয়নাল শেখসহ তিন-চারজন ভোট কেন্দ্রে
প্রবেশের চেষ্টা করলে বাধা দেন এক প্রার্থীর সমর্থকরা। এ ঘটনায় ওই
কেন্দ্রের সামনে বাকবিতণ্ডা ও চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বাকবিতণ্ডার
একপর্যায়ে তারা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুল মোতালেব মিয়ার সামনেই আয়নাল
শেখকে বেদম প্রহার করে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
পরে পুলিশের চৌকস একটি টিম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মাদারীপুর জেলা
প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। অন্যদিকে মাদারীপুর সদরের
৯নং ভোট কেন্দ্রে সদস্য প্রার্থী ফারুক খানের সমর্থকরা ভোট কেন্দ্র দখল
করতে গেলে পুলিশি বাধায় ফিরে যায়। ওই ঘটনায় হট্টগোল হলে র্যাব ও অতিরিক্ত
পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। ওই ছবি তুলতে গেলে সময় টিভির রিপোর্টার
সঞ্জয় কর্মকার অভিজিৎ ও ফটো সাংবাদিক শাহাদাৎ আকনকে লাঞ্ছিত করা হয়।
উলিপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর গাড়ি ভাংচুর,
আহত ৪ : উলিপুর
(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী
চেয়ারম্যান প্রার্থী পনির উদ্দিন আহমেদকে বহনকারী মাইক্রোবাসে দুর্বৃত্তরা
হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করেছে। দুর্বৃত্তদের হামলায় জেলা আওয়ামী লীগের
সাবেক সভাপতি ও সাবেক জেলা পরিষদ প্রশাসক মেজর জেনারেল (অব.) আমসা-আআমীনসহ
চারজন আহত হন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর
১২টার দিকে পনির উদ্দিনকে বহনকারী মাইক্রোবাসটি উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর
ইউনিয়ন ভোট কেন্দ্রে পৌঁছলে দুর্বৃত্তরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এরপর
উলিপুর এমএস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার পথে পোস্ট অফিস মোড়ে
দুর্বৃত্তরা আবারও মাইক্রোবাসে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। জেলা পরিষদ
চেয়ারম্যান প্রার্থী পনির উদ্দিন আহম্মেদ অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষের লোকজন
মাইক্রোবাসে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে। এ ঘটনায় চারজন আহত হন। আহতরা হলেন
জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক জেলা প্রশাসক মেজর জেনারেল (অব.)
আমসা-আআমীন, চেয়ারম্যান প্রার্থী পনির উদ্দিন আহম্মেদ, মুক্তিযোদ্ধা আফজাল
হোসেন ও মাইক্রোবাস চালক। উলিপুর থানার ওসি এসকে আবদুল্যা আল সাইদ হামলার
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পনির উদ্দিনকে বহনকারী মাইক্রোবাসটি পুলিশ
পাহারায় কুড়িগ্রামে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। প্রকাশ্যে ব্যালট দেখাতে বাধ্য
করলেন প্রিসাইডিং অফিসার : রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, রাজীবপুর
বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে শুধু চেয়ারম্যান পদে প্রকাশ্যে ভোট দিতে
ভোটারদের বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুথে সিল মারার পর
ভোটারদের কাছ থেকে ব্যালট পেপার নিয়ে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিজেই ব্যালট
বাক্সে ফেলেন।
এর আগে চেয়ারম্যান পদে কোন প্রতীকে ভোট দেয়া হয়েছে তা আ’লীগ
নেতাদের নিশ্চিত করেন ওই প্রিসাইডিং কর্মকর্তা। চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী
পনির উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, ‘ভোট কেন্দ্রে আমার এজেন্টকে ঢুকতে দেয়া
হয়নি। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মোটা অংকের অর্থ গ্রহণ করে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী
প্রার্থী জাফর আলীকে ভোট পাইয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করেন।’ অভিযোগ প্রসঙ্গে
জানতে চাইলে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা শামসুজ্জামান বলেন, ভোটারদের কাছ থেকে
ব্যালট পেপার কেড়ে নেয়ার বিষয়টা সত্য নয়। ভোটাররাই চেয়ারম্যান পদের ব্যালট
সবাইকে দেখিয়ে আমার হাতে দেয়, আমি ব্যালট বাক্সে ফেলি। অন্যান্য অভিযোগ
সত্য নয়। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রাজীবপুর ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা
কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল লতিফ খান বলেন, ‘ওটা ভুল
বোঝাবুঝি। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।’ নড়াইলে জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদকের
বাসভবনে গুলি : নড়াইল প্রতিনিধি জানান, দলীয় প্রার্থী অ্যাডভোকেট সৈয়দ
আইউব আলীর পক্ষে কাজ করায় নড়াইল জেলা শহরের মাছিমদিয়ায় অবস্থিত আ’লীগ
সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলুর বাসভবন লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনা
ঘটেছে। বুধবার বিকাল আনুমানিক সোয়া ৩টায় এ ঘটনা ঘটে। নিজাম উদ্দিন খান
নিলু যুগান্তরকে বলেন, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনের কাজ শেষ করে আমি বাসায়
অবস্থান করছিলাম। বেলা আনুমানিক সোয়া ৩টায় একদল দুর্বৃত্ত আমার বাসভবনের
সামনে এসে বাড়ি লক্ষ্য করে ৫-৭ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। জননেত্রী শেখ হাসিনা ও
আমাকে গালাগাল করে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। আমার বাসার সামনের সিসি
ক্যামেরায় ধারণকৃত ফুটেজ পুলিশকে দিয়েছি আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।’ দল
মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় প্রতিপক্ষ এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেন
তিনি। এ প্রসঙ্গে নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. দেলোয়ার হোসেন খান
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘আমরা ঘটনাটি জানার পরপরই তদন্ত শুরু
করেছি। জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য জোর চেষ্টা চলছে।’ দোয়ারাবাজারে নগদ টাকাসহ
ভোটার আটক : দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, সুনামগঞ্জ জেলা
পরিষদ নির্বাচনে বুধবার দুপুরে ভোট প্রদানকালে ভোটার অলিউর রহমানকে একটি
মোবাইল ফোন ও নগদ ১ লাখ টাকাসহ আইনশৃংখলা বাহিনী আটক করে। তদন্ত শেষে
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাঈমা খন্দকারের নির্দেশে দুপুর ২টার দিকে তাকে
ছেড়ে দেয়া হয়। তিনি সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার ৮নং বোগলা বাজার
ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য। ঘটনাটি ঘটেছে সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের ১৩নং
ওয়ার্ড দোয়ারাবাজার মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে। দুই চেয়ারম্যান ও
অর্ধশত সদস্য পদে ভোট স্থগিত : ভোটের আগের দিন মঙ্গলবার আদালতের আদেশে
দেশের ২১ জেলার অন্তত অর্ধশত ওয়ার্ডে সদস্য পদে ভোট স্থগিত করে নির্বাচন
কমিশন। বুধবার ওই সব ওয়ার্ডে ভোট হয়নি। চেয়ারম্যান পদে ভোট স্থগিত রয়েছে
বগুড়া ও কুষ্টিয়া জেলায়। ইসির কর্মকর্ত
রা জানান, অনেক প্রার্থী হাইকোর্টে
রিট পিটিশন দায়ের করে রুল ও অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ পেয়েছেন। কমিশনের পক্ষে
সিএমপি দায়ের করা হলে আপিল বিভাগ তা শুনানির জন্য ৫ জানুয়ারি দিন ধার্য
করেছেন। এ অবস্থা পরবর্তী সিদ্ধান্ত না পাওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোট
স্থগিত থাকছে। স্থগিত ওয়ার্ডগুলো হচ্ছে- সাতক্ষীরা জেলার ৯, ১২ ও ১৩ নম্বর
ওয়ার্ড, যশোর জেলার ২, ৩ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড, সিলেট জেলার ৩, ৯, ৮ ও ১৪
নম্বর ওয়ার্ড, পাবনা জেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ড, মাগুরা জেলার ১১ নম্বর ওয়ার্ড,
মুন্সীগঞ্জের ৭ নম্বর ওয়ার্ড, হবিগঞ্জের ১২ নম্বর ওয়ার্ড, কক্সবাজারের ৩, ৪
নম্বর ওয়ার্ড, কুড়িগ্রামের ৩, ৬ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ড, গাইবান্ধার ৮, ১০
নম্বর ওয়ার্ড, নোয়াখালীর ২, ৪, ৬ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ১, ৩
নম্বর ওয়ার্ড, চট্টগ্রামের ১৩ নম্বর ওয়ার্ড, বাগেরহাটের ১ নম্বর ওয়ার্ড,
বগুড়ার ৬, ১২ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ড, কুষ্টিয়ার ১ নম্বর ওয়ার্ড ও খুলনার ১৪
নম্বর ওয়ার্ড।

No comments:
Post a Comment