বরিশাল-ভোলা
নৌরুটের কালাবাদর নদীর মোহনায় দুটি স্পিড বোটের মধ্যে মুখোমুখি সংঘের্ষের
ঘটনা ঘটেছে। এতে রাজধানী ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালের সহকারি অধ্যাপক ডাঃ মো.
সরোয়ারের স্ত্রী নেশপাতি বেগম (৩০) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছে
তাদের একমাত্র কন্যা সন্তান সাহেরী আক্তার (১৩)। শুক্রবার দিবাগত রাতে এ
ঘটনা ঘটে। এছাড়া ডা. গোলাম সরোয়ার ও তার স্বজন খোকন এবং বরিশাল শেরেবাংলা
মেডিক্যাল কলেজের চর্ম ও যৌন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডাঃ প্রদিপ কুমার বনিক
আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনকে বরিশাল নগরীর আরিফ মেমেরিয়াল হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার রাত ৮ টায় এ দূর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত
করেছেন বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের নৌ-বিভাগের ফায়ার ফাইটার মনজ অধিকারী।
তিনি
বলেন, নিখোঁজ সাহেরী আক্তার (১৩) কে উদ্ধারের চেস্টা চলছে। বরিশাল
মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানার ওসি মাহাবুবুল আলম জানান, রাতে বরিশাল
থেকে ভোলাগামী এবং বিপরীত দিক ভোলা থেকে আসা যাত্রীবাহী দু’টি স্পিডবোটের
মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। স্পীডবোট থেকে ছিটকে পরে শাহেরি ও তার মা নেশপতি বেগম।
তাদের মধ্যে নেশপাতি বেগমকে উদ্ধার করে শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ
হাসপাতালে পাঠানো হলেও নিখোঁজ রয়েছে শাহেরি আক্তার। তাকে উদ্ধারের জন্য
ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কর্মীরা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বরিশাল
শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের একাধিক সূত্র জানায়, নিহত নেশপাতি
বেগমের লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

No comments:
Post a Comment