কেরানীগঞ্জে
পৃথক পৃথক স্থান থেকে অজ্ঞাতনামা এক কিশোরের কাটা মাথাসহ দেহের পাঁচ টুকরা
উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার
ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের পাশে কদমপুর থেকে লাশের কাটা মাথা ও পায়ের কিছু অংশ
উদ্ধার করা হয়। পরে দুই কিলোমিটার দূরে চর কুণ্ডলিয়ায় ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের
পাশ থেকে বুক ও পেটের অংশ, দুই পায়ের বাকি অংশ ও একটি পায়ের পাতা উদ্ধার
করে পুলিশ। উদ্ধার করা টুকরাগুলো ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে
পাঠানো হয়েছে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ
থানার এসআই কাওসার আহমেদ বলেন, উদ্ধার করা টুকরাগুলো মিলিয়ে দেখা হয়েছে।
টুকরাগুলো একই ব্যক্তির এবং সে একজন কিশোর। বয়স আনুমানিক ১৪-১৫ বছর। দেহের
পাঁচ টুকরা উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলো বস্তাবন্দি ছিল। লাশের কিছু অংশ এখনও
পাওয়া যায়নি। সেগুলোর খোঁজ করা হচ্ছে। ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, মরদেহের
দুই হাতসহ বেশ কিছু অঙ্গ এখনও পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, লাশ গুম করার
উদ্দেশ্যে টুকরা টুকরা করা হয়। এরপর বস্তায় ভরে টুকরাগুলো বিভিন্ন স্থানে
ফেলে যায় ঘাতকরা।
মামলা দায়ের : এ ঘটনায় এসআই আবুল কাওসার বাদী হয়ে সোমবার রাতে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এসআই শরীফুল সোহাগকে।
ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ : মামলার বাদী এসআই আবুল কাওসার জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃত টুকরোগুলো একই ব্যক্তির কিনা সেজন্য প্রত্যেক টুকরো থেকে ডিএনএ নমুনা সংরক্ষন করে পুলিশকে সরবরাহের জন্য ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের কাছে আবেদন জানিয়েছে পুলিশ। পরে সেই নমুনা সিআইডি’র ল্যাবে সংরক্ষণ করে রাখা হবে। প্রয়োজনে প্রোফাইল তৈরী করে সেগুলো ম্যাচ করা হবে। এছাড়াও লাশের পরিচয় সনাক্ত না করতে পারলে তখন ডিএনএ প্রোফাইল কাজে দিবে।
মামলা দায়ের : এ ঘটনায় এসআই আবুল কাওসার বাদী হয়ে সোমবার রাতে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এসআই শরীফুল সোহাগকে।
ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ : মামলার বাদী এসআই আবুল কাওসার জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃত টুকরোগুলো একই ব্যক্তির কিনা সেজন্য প্রত্যেক টুকরো থেকে ডিএনএ নমুনা সংরক্ষন করে পুলিশকে সরবরাহের জন্য ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের কাছে আবেদন জানিয়েছে পুলিশ। পরে সেই নমুনা সিআইডি’র ল্যাবে সংরক্ষণ করে রাখা হবে। প্রয়োজনে প্রোফাইল তৈরী করে সেগুলো ম্যাচ করা হবে। এছাড়াও লাশের পরিচয় সনাক্ত না করতে পারলে তখন ডিএনএ প্রোফাইল কাজে দিবে।

No comments:
Post a Comment