গত
বছর অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের
প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টানা দুটি সেঞ্চুরি করেছিলেন মাহমুদউল্লাহ।
অ্যাডিলেডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১০৩ এবং হ্যামিল্টনে নিউজিল্যান্ডের
বিপক্ষে অপরাজিত ১২৮ রান করেন। এবার নিউজিল্যান্ড সফরে বিশ্বকাপের সেই
সেঞ্চুরি দুটি আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে মাহমুদউল্লাহকে। অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আগে
মাহমুদউল্লাহ যুগান্তরকে বলে গেছেন, ‘ওই দুটি সেঞ্চুরি অবশ্যই আমাকে বাড়তি
অনুপ্রেরণা দেবে। আত্মবিশ্বাস জোগাবে। কন্ডিশন ভিন্ন হলেও একবার মানিয়ে
নিতে পারলে আমাদের বড় কোনো সমস্যা হবে না।’ তিনি বলেন, ‘অ্যাডিলেডে প্রথম
সেঞ্চুরিটিই বেশি মনে থাকবে।
কিন্তু হ্যামিলটনের সেঞ্চুরিটিকে আমি এগিয়ে
রাখব। কারণ এটা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ছিল।’ ২০১৪ সালের
নভেম্বরের পর সব ধরনের ক্রিকেটেই সমান উজ্জ্বল মাহমুদউল্লাহ। বিপিএলে
অলরাউন্ড নৈপুণ্যে খুলনা টাইটানসকে একাই শেষ চারে উঠিয়েছিলেন তিনি। ১৪
ম্যাচে ৩৯৬ রান করে টুর্নামেন্টর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। বল হাতেও
ভালো করেছেন। হয়েছেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়। শেষ দুই বছরের
পারফরম্যান্সে মাহমুদউল্লাহ এখন দলের অন্যতম বড় ভরসা। রহস্যটা কী জানতে
চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি হাইপ্রোফাইল কীনা সেটা জানি না। রহস্য কী, সেটাও
বলতে পারছি না। তবে বেশকিছুদিন ধরে আমি ভালো করছি। এভাবে এগিয়ে যেতে থাকলে
নিজের কাছেও ভালো লাগে।’ আগে তিনি ব্যাটিং করতেন ৬, ৭ বা ৮ নম্বরে। পরে তিন
ও চারে নেমে সফল হয়েছেন। নিউজিল্যান্ড সফরে নিজের লক্ষ্য কী জানতে চাইলে
তিনি বলেন, ‘যেভাবে খেলছি এটা ধরে রাখতে পারলেই দলের উপকার হবে। আমিও খুশি
থাকব। কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারলে পারফরম্যান্সও ভালো হবে।’ কাল
সিডনি সিক্সার্সের বিপক্ষে বাংলাদেশ একাদশের হয়ে প্রথম টি ২০ প্রস্তুতি
ম্যাচে দারুণ ব্যাটিং করেছেন। নর্থ সিডনি ওভালে ১৩ বলে অপরাজিত ২৮ রান করে
দলের জয়ে অবদান রেখেছেন। তিনটি চার ও দুটি ছক্কা মারেন মাহমুদউল্লাহ।

No comments:
Post a Comment