নিষিদ্ধ
ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ আল ইসলাম বাংলাদেশ বা হুজিবি-এর পাঁচ
নেতাকে তিনটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পৃথকভাবে ৩ দিন করে মোট ৯ দিনের
রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
তবে তিনটি মামলার রিমান্ডের সময় একসঙ্গে কার্যকর হওয়ায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিন সময় পাবে পুলিশ। গতকাল চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম নাজমুল হোসেন চৌধুরীর আদালত এ আদেশ দেন। রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিরা হলেন- আসামি তাজুল ইসলাম, নাজিম উদ্দিন, আবু জার গিফারী, ইফতেশাম আহমেদ ও নুরে আলম। পাঁচজনের বিরুদ্ধে নগরীর আকবর শাহ থানায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন এবং সন্ত্রাস দমন আইনে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের হয়। এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী বলেন, হুজিবি- এর পাঁচ নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনটি মামলায় ৭ দিন করে মোট ২১ দিনের জন্য রিমান্ড নেয়ার আবেদন করেছিল পুলিশ। শুনানি শেষে তিনটি মামলায় পৃথকভাবে ৩ দিন করে মোট ৯ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। তবে মামলাগুলোর রিমান্ডের সময় একসঙ্গে কার্যকর হওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিন সময় পাবে পুলিশ।
গত ৮ই ডিসেম্বর নগরীর আকবর শাহ থানার এলাকার একটি বাড়ি থেকে এ পাঁচ হুজি সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৭। এরপর র্যাব বাদী হয়ে নগরীর আকবর শাহ থানায় তিনটি মামলা দায়ের করেন। প্রত্যেকটি মামলায় এ পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
র্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারকৃত পাঁচজন চলতি নভেম্বরের শেষদিকে সড়কপথে চট্টগ্রামে আসে। তারা বাসা ভাড়া করে নিজেদের সাংগঠনিক ও প্রশিক্ষণের কাজ চালানোর চেষ্টা করেছিল। পরে নাশকতা করে নিজেদের চাঙা করার পাশাপাশি অন্যান্য জঙ্গি গোষ্ঠীর সমর্থন আদায়ের পরিকল্পনা ছিল তাদের।
র্যাব-৭ গোয়েন্দারা জানান, হুজিবিকে সংগঠিত করতে ইতিমধ্যে শীর্ষ নেতারা ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও কুষ্টিয়ায় একাধিকবার আঞ্চলিক ও মাঠ পর্যায়ে নেতাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছে। কুষ্টিয়াতে একটি গোপন বৈঠকে তারা কুষ্টিয়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল।
এজন্য তারা কয়েকজন মিলে কুষ্টিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর স্থাপনার নকশা তৈরি করেছিল। বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের আগেই অভিযান চলাকালীন সময়ে জঙ্গিরা পুড়িয়ে ফেলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথি, ল্যাপটপ ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী। ফলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লুকিয়ে ফেলতে সমর্থ হয় জঙ্গিরা। পরে জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানায়, হুজিবি’র বিভিন্ন আঞ্চলিক নেতারা একত্রিত হওয়ার পরিকল্পনা করেছিল চট্টগ্রামের আস্তানায়।
তবে তিনটি মামলার রিমান্ডের সময় একসঙ্গে কার্যকর হওয়ায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিন সময় পাবে পুলিশ। গতকাল চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম নাজমুল হোসেন চৌধুরীর আদালত এ আদেশ দেন। রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিরা হলেন- আসামি তাজুল ইসলাম, নাজিম উদ্দিন, আবু জার গিফারী, ইফতেশাম আহমেদ ও নুরে আলম। পাঁচজনের বিরুদ্ধে নগরীর আকবর শাহ থানায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন এবং সন্ত্রাস দমন আইনে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের হয়। এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী বলেন, হুজিবি- এর পাঁচ নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনটি মামলায় ৭ দিন করে মোট ২১ দিনের জন্য রিমান্ড নেয়ার আবেদন করেছিল পুলিশ। শুনানি শেষে তিনটি মামলায় পৃথকভাবে ৩ দিন করে মোট ৯ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। তবে মামলাগুলোর রিমান্ডের সময় একসঙ্গে কার্যকর হওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিন সময় পাবে পুলিশ।
গত ৮ই ডিসেম্বর নগরীর আকবর শাহ থানার এলাকার একটি বাড়ি থেকে এ পাঁচ হুজি সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৭। এরপর র্যাব বাদী হয়ে নগরীর আকবর শাহ থানায় তিনটি মামলা দায়ের করেন। প্রত্যেকটি মামলায় এ পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
র্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারকৃত পাঁচজন চলতি নভেম্বরের শেষদিকে সড়কপথে চট্টগ্রামে আসে। তারা বাসা ভাড়া করে নিজেদের সাংগঠনিক ও প্রশিক্ষণের কাজ চালানোর চেষ্টা করেছিল। পরে নাশকতা করে নিজেদের চাঙা করার পাশাপাশি অন্যান্য জঙ্গি গোষ্ঠীর সমর্থন আদায়ের পরিকল্পনা ছিল তাদের।
র্যাব-৭ গোয়েন্দারা জানান, হুজিবিকে সংগঠিত করতে ইতিমধ্যে শীর্ষ নেতারা ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও কুষ্টিয়ায় একাধিকবার আঞ্চলিক ও মাঠ পর্যায়ে নেতাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছে। কুষ্টিয়াতে একটি গোপন বৈঠকে তারা কুষ্টিয়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল।
এজন্য তারা কয়েকজন মিলে কুষ্টিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর স্থাপনার নকশা তৈরি করেছিল। বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের আগেই অভিযান চলাকালীন সময়ে জঙ্গিরা পুড়িয়ে ফেলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথি, ল্যাপটপ ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী। ফলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লুকিয়ে ফেলতে সমর্থ হয় জঙ্গিরা। পরে জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানায়, হুজিবি’র বিভিন্ন আঞ্চলিক নেতারা একত্রিত হওয়ার পরিকল্পনা করেছিল চট্টগ্রামের আস্তানায়।
>>>মানবজমিন

No comments:
Post a Comment