চট্টগ্রামে
ইব্রাহিম হোসেন মানিক নামের এক ব্যক্তিকে দিনদুপুরে গুলি করে হত্যা করা
হয়েছে। তিনি মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সক্রিয় নেতা। গতকাল দুপুরে নগরীর
কোতোয়ালি থানার আলকরণ এলাকায় ঘটে এই ঘটনা। তবে কি কারণে তাকে হত্যা করা
হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও দোকানের মালিকানা নিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন
মানিককে গুলি চালিয়ে হত্যা করেছে বলে স্থানীয় সূত্র পুলিশকে জানিয়েছে।
সরজমিনে ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর কেউ কেউ বলেছেন, মানিক নিজেই দলবল নিয়ে রানা নামের আরেক ব্যক্তিকে আদালত থেকে ফেরার পথে গুলি চালান। রানাও ওই দোকানের মালিক দাবিদার ছিল। পরে তিনি নিজেকে রক্ষা করে দলবল নিয়ে পাল্টা মানিকের ওপর গুলি চালায়। এতে মানিক গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ রানাকে আটক করেছে।
আবদুস সাত্তার ও বেলাল হোসেন নামের স্থানীয় দুই লোক জানান, নিহত মানিক ও রানার মধ্যে গত কয়েক বছর ধরে মুদি দোকানের মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। শেষ পর্যন্ত তা আদালত পর্যন্ত গড়ায়। ঘটনাটি যেখানে ঘটে সেখান থেকে অল্প কিছু দূরেই ছিল সাহেবপাড়া এলাকার সেই মুদিদোকান।
পাল্টাপাল্টি মামলার পর কিছুদিন আগে রাতের বেলায় এসে রানাকে ধরে নিয়ে যায় কোতোয়ালি থানা পুলিশ। এই নিয়ে রেষারেষি চরম পর্যায়ে পৌঁছালে ১০ দিন আগে ছাড়া পায় রানা। তারপর একে অপরকে দেখে নেবে বলে প্রকাশ্যে শাসাতো।
কোতোয়ালি থানা পুলিশ জানায়, গতকাল সকালে মানিকের দায়ের করা মামলায় আদালতে হাজিরা ছিল রানার। দুপুর একটায় তিনি মামলার কার্যক্রম শেষ করে চট্টগ্রাম আদালত থেকে বেরিয়ে একটা রিকশা নেন। রানা ছাড়াও তার সঙ্গে এই সময় আরো দু’জন ছিলেন।
তারা সদরঘাট থানার মেমন হাসপাতালের সামনে আসতেই হঠাৎ করে ১০/১২ জন যুবক মোটরসাইকেল চালিয়ে এসে তাদের ওপর হামলা চালায়। এই ঘটনার ২০ মিনিট পর সদরঘাট কালিবাড়ির সামনে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। সেখানেই মানিককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নালার ওপর পড়ে থাকতে দেখা যায়। কেউ কেউ পুলিশকে জানিয়েছেন, গোলাগুলির সময় দু’জনের হাতেই পিস্তল দেখেছেন তারা। মানিকের বুকে ও পিঠে গুলি লেগেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মানিককে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত ডাক্তাররা ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কোতোয়ালি থানার ওসি জসিম উদ্দিন মানবজমিনকে বলেন, মানিককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থল থেকে পিস্তলের কিছু গুলি ও খোসা পেয়েছি। রানা নামের অপর এক ব্যক্তিকেও আটক করা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন জানান, নিহত মানিক সেখানকার সদরঘাট বাইলেন এলাকার আবু হানিফের পুত্র। তাকে মাঝেমধ্যে স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে দেখা গেছে। আটক রানার মামার দোকান ভাড়া নিয়েছিল মানিক। এই নিয়ে দোকানের মালিকের ভাগিনা রানার সঙ্গে মানিকের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না। ঘটনার সময় জিন্সের প্যান্ট পরা ১০/১২ জন যুবককে পিস্তল হাতে গুলি চালাতে দেখা গেছে। তারা সবাই সংঘবদ্ধ ছিল। গুলিবিদ্ধ মানিক ঘটনাস্থলেই মারা যান বলে মানবজমিনকে জানান চট্টগ্রাম মেডিকেলের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন দল ঘটনাস্থল থেকে একটি গুলির খোসা, একটি ৭ দশমিক ৬৫ বোরের পিস্তলের গুলি, রক্তমাখা স্যান্ডেল, রক্তের নমুনাসহ বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করে। ঘটনাস্থলে থাকা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর আহমেদ বলেন, ‘খুনের ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবেই করা হয়েছে।’
মানিকের মেঝ ভাই ইউসুফ রতন বলেন, ‘আমার ভাই এলাকাতে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয় ছিল। গত মেয়র নির্বাচনের আগেও রানা এবং তার সাঙ্গোপাঙ্গরা মানিককে মেরেছিল। আমরা সদরঘাট থানায় অভিযোগ করলেও পুলিশ রানার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’
নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. নুরুল কবির বলেন, ‘মানিক স্বেচ্ছাসেবক লীগের একজন সক্রিয় সংগঠক ছিল। গত ১৬ বছর ধরে নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন কমিটি ঘোষণা না হওয়ায় এখন আহ্বায়ক কমিটি দিয়েই সংগঠনের কার্যক্রম চলছে। তাই তৃণমূলে কোনো পদ নেই।’
সরজমিনে ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর কেউ কেউ বলেছেন, মানিক নিজেই দলবল নিয়ে রানা নামের আরেক ব্যক্তিকে আদালত থেকে ফেরার পথে গুলি চালান। রানাও ওই দোকানের মালিক দাবিদার ছিল। পরে তিনি নিজেকে রক্ষা করে দলবল নিয়ে পাল্টা মানিকের ওপর গুলি চালায়। এতে মানিক গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ রানাকে আটক করেছে।
আবদুস সাত্তার ও বেলাল হোসেন নামের স্থানীয় দুই লোক জানান, নিহত মানিক ও রানার মধ্যে গত কয়েক বছর ধরে মুদি দোকানের মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। শেষ পর্যন্ত তা আদালত পর্যন্ত গড়ায়। ঘটনাটি যেখানে ঘটে সেখান থেকে অল্প কিছু দূরেই ছিল সাহেবপাড়া এলাকার সেই মুদিদোকান।
পাল্টাপাল্টি মামলার পর কিছুদিন আগে রাতের বেলায় এসে রানাকে ধরে নিয়ে যায় কোতোয়ালি থানা পুলিশ। এই নিয়ে রেষারেষি চরম পর্যায়ে পৌঁছালে ১০ দিন আগে ছাড়া পায় রানা। তারপর একে অপরকে দেখে নেবে বলে প্রকাশ্যে শাসাতো।
কোতোয়ালি থানা পুলিশ জানায়, গতকাল সকালে মানিকের দায়ের করা মামলায় আদালতে হাজিরা ছিল রানার। দুপুর একটায় তিনি মামলার কার্যক্রম শেষ করে চট্টগ্রাম আদালত থেকে বেরিয়ে একটা রিকশা নেন। রানা ছাড়াও তার সঙ্গে এই সময় আরো দু’জন ছিলেন।
তারা সদরঘাট থানার মেমন হাসপাতালের সামনে আসতেই হঠাৎ করে ১০/১২ জন যুবক মোটরসাইকেল চালিয়ে এসে তাদের ওপর হামলা চালায়। এই ঘটনার ২০ মিনিট পর সদরঘাট কালিবাড়ির সামনে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। সেখানেই মানিককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নালার ওপর পড়ে থাকতে দেখা যায়। কেউ কেউ পুলিশকে জানিয়েছেন, গোলাগুলির সময় দু’জনের হাতেই পিস্তল দেখেছেন তারা। মানিকের বুকে ও পিঠে গুলি লেগেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মানিককে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত ডাক্তাররা ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কোতোয়ালি থানার ওসি জসিম উদ্দিন মানবজমিনকে বলেন, মানিককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থল থেকে পিস্তলের কিছু গুলি ও খোসা পেয়েছি। রানা নামের অপর এক ব্যক্তিকেও আটক করা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন জানান, নিহত মানিক সেখানকার সদরঘাট বাইলেন এলাকার আবু হানিফের পুত্র। তাকে মাঝেমধ্যে স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে দেখা গেছে। আটক রানার মামার দোকান ভাড়া নিয়েছিল মানিক। এই নিয়ে দোকানের মালিকের ভাগিনা রানার সঙ্গে মানিকের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না। ঘটনার সময় জিন্সের প্যান্ট পরা ১০/১২ জন যুবককে পিস্তল হাতে গুলি চালাতে দেখা গেছে। তারা সবাই সংঘবদ্ধ ছিল। গুলিবিদ্ধ মানিক ঘটনাস্থলেই মারা যান বলে মানবজমিনকে জানান চট্টগ্রাম মেডিকেলের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন দল ঘটনাস্থল থেকে একটি গুলির খোসা, একটি ৭ দশমিক ৬৫ বোরের পিস্তলের গুলি, রক্তমাখা স্যান্ডেল, রক্তের নমুনাসহ বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করে। ঘটনাস্থলে থাকা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর আহমেদ বলেন, ‘খুনের ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবেই করা হয়েছে।’
মানিকের মেঝ ভাই ইউসুফ রতন বলেন, ‘আমার ভাই এলাকাতে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয় ছিল। গত মেয়র নির্বাচনের আগেও রানা এবং তার সাঙ্গোপাঙ্গরা মানিককে মেরেছিল। আমরা সদরঘাট থানায় অভিযোগ করলেও পুলিশ রানার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’
নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. নুরুল কবির বলেন, ‘মানিক স্বেচ্ছাসেবক লীগের একজন সক্রিয় সংগঠক ছিল। গত ১৬ বছর ধরে নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন কমিটি ঘোষণা না হওয়ায় এখন আহ্বায়ক কমিটি দিয়েই সংগঠনের কার্যক্রম চলছে। তাই তৃণমূলে কোনো পদ নেই।’
>>>মানবজমিন

No comments:
Post a Comment