শীতে
অনেকের গোড়ালির ব্যথা বাড়ে। সকালে ঘুম থেকে ওঠে ফ্লোরে পা রাখতেই পায়ের
তলায় তীব্র ব্যথা অনুভব হয়। অনেকক্ষণ বসে থাকার পর উঠে দাঁড়াতেই পায়ের তলায়
ব্যথা হয়। খানিক একটু হাঁটাহাঁটি করলে ব্যথা কিছুটা কমে আসে। ব্যথার
মাত্রা এত বেড়ে গেলে, শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হয়।
চিকিৎসকের
মতে, গোড়ালির ব্যথা সাধারণত দুটি কারণে হয়ে থাকে।প্রথমত- প্লান্টার
ফ্যাসায়টিস, দ্বিতীয়ত ক্যালকেনিয়াম স্পার। অনেক সময় ক্যালকেনিয়াম হাড়ের
নিচের দিকে ছোট হুকের হাড় বৃদ্ধি পেয়ে যায়। মেডিকেল পরিভাষায় ক্যালকেনিয়াম
স্পার বলে। এর জন্য ওষুধের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি চিকিৎসায় ভালো ফল পাওয়া
যায়। সেক্ষেত্রে একজন বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী
চিকিৎসা নিতে হয়।এর পাশাপাশি কিছু নিয়ম মেনে চললে ব্যথা দ্রুত কমানো যায়।
নিন্মে সেই নিয়মগুলো আলোচনা করা হলো :
* হাই হিল জুতা পরা সম্পূর্ণ নিষেধ।
* শক্ত স্থানে খুব বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকা বেশি হাঁটাচলা করাও উচিত হবে না।
* সব সময় নরম জুতা ব্যবহার করতে হবে।
* হাঁটাচলার সময় হিল কুশন ব্যবহার করবেন।
* ভারী কোনো জিনিস বহন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। যেমন- বেশি ওজনের বাজারের থলি, পানিভর্তি বালতি ইত্যাদি বহন করা যাবে না।
* সিঁড়ি দিয়ে উঠা-নামা করার সময় মেরুদণ্ড সোজা রেখে হাতে সাপোর্ট দিয়ে ধীরে ধীরে উঠবেন ও নামবেন এবং যথাসম্ভব গোড়ালির ব্যবহার কম করবেন।
* মোটা ব্যক্তিদের ওজন কমাতে হবে এবং সব সময় ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
* ব্যথা থাকা অবস্থায় কোনও ধরনের ব্যায়াম করা যাবে না।
* হাই হিল জুতা পরা সম্পূর্ণ নিষেধ।
* শক্ত স্থানে খুব বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকা বেশি হাঁটাচলা করাও উচিত হবে না।
* সব সময় নরম জুতা ব্যবহার করতে হবে।
* হাঁটাচলার সময় হিল কুশন ব্যবহার করবেন।
* ভারী কোনো জিনিস বহন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। যেমন- বেশি ওজনের বাজারের থলি, পানিভর্তি বালতি ইত্যাদি বহন করা যাবে না।
* সিঁড়ি দিয়ে উঠা-নামা করার সময় মেরুদণ্ড সোজা রেখে হাতে সাপোর্ট দিয়ে ধীরে ধীরে উঠবেন ও নামবেন এবং যথাসম্ভব গোড়ালির ব্যবহার কম করবেন।
* মোটা ব্যক্তিদের ওজন কমাতে হবে এবং সব সময় ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
* ব্যথা থাকা অবস্থায় কোনও ধরনের ব্যায়াম করা যাবে না।

No comments:
Post a Comment