উত্তরপ্রদেশের
নির্বাচনকে সামনে রেখে সোমবার লখনৌতে বিশাল নির্বাচনী সমাবেশ করেছেন
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জনস্রোতে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন,
‘এর আগে এমন বিপুল সমর্থকের উপস্থিতি দেখিনি। এমনকি ২০১৪ সালে ভারতের জাতীয়
নির্বাচনের প্রচারণাতেও না।’ তিনি আরও বলেন, সমাবেশে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত
উপস্থিতিই বলে দিচ্ছে উত্তর প্রদেশের নির্বাচনে কে জয়ী হবে। মোদি লাখ লাখ
সমর্থকের মাঝে ঘোষণা করেন, উত্তর প্রদেশের ১৪ বছরের রাজনৈতিক খরা পূরণের
এটাই সময়। খবর এনডিটিভির। চলতি সপ্তাহের শেষে উত্তর প্রদেশের নির্বাচনের
সময়সীমা ঘোষণা করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে
সর্বোচ্চ সংখ্যক সমর্থকের উপস্থিতি নিশ্চিত করার টার্গেট নিয়েছিল বিজেপি
শিবির।
লাখনৌর রামাবাই আমবেদকার মাঠে অনুষ্ঠিত ওই সমাবেশে প্রায় ১৫ লাখের
অধিক জনতার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চেয়েছিল দলটি। ওই সমাবেশে বিজেপির সভাপতি
অমিত শাহ, শীর্ষ নেতা রাজনাথ সিং, কালরাজ মিসরা এবং উমা ভারতীও উপস্থিত
ছিলেন। উত্তর প্রদেশের উন্নয়নের সমালোচনা করে সমাবেশে মোদি বলেন, ‘আমাদের
সুযোগ দিন, পরিবর্তন কীভাবে করতে হয় তা করে দেখাব। উত্তর প্রদেশে ক্ষমতাসীন
সামজবাদী পার্টিকে খোঁচা মেরে মোদি বলেন, ‘উন্নয়ন এ সরকারের
অগ্রাধিকারমূলক কাজের মধ্যে নেই।’ কালো টাকা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার
ঘোষিত সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে মোদি বলেন, আমার যুদ্ধ কালো টাকা ও
দুর্নীতির বিরুদ্ধে। রাজ্যের লোকদের এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা কি
তাদের কালো টাকা সংরক্ষণ করবে নাকি তাদের পরিবারকে রক্ষা করবে।’ তিনি আরও
বলেন, তারা বলে ‘মোদি হঠাও’ আর আমি বলি ‘কালো টাকা হঠাও’। উত্তর প্রদেশের
নির্বাচনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে ২০১৯ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে মোদি ক্ষমতার
আসনে বসতে পারবেন কি-না। নোট বাতিল ইস্যুতে সম্প্রতি ব্যাপক সমালোচিত
মোদি। বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা জনগণের ভোগান্তির দায়ভার মোদির ওপর
চাপাচ্ছেন।

No comments:
Post a Comment