যুক্তরাষ্ট্র
টের পাওয়ার আগেই তাদের বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজে আঘাত হানতে সক্ষম হবে এমন
লেসার, প্লাজমা ও ইলেকট্রোম্যাগনেটিক অস্ত্র এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র
নিয়ে কাজ করছে রাশিয়া। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে এ তথ্য।
সোমবার ক্রেমলিনের উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী ইউরি বরিসোভ বলেন, ‘নতুন হাইপারসনিক
অস্ত্র আসছে, যার ব্যবহারের জন্য প্রয়োজন নতুন সরঞ্জাম ও নিয়ন্ত্রণ
ব্যবস্থা, যা মূলত সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়।’ হাইপারসনি
ক্ষেপণাস্ত্র হচ্ছে শব্দের চেয়েও পাঁচগুণ দ্রুততার সাথে ছুটে গিয়ে
লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এমন অস্ত্র। এর মাধ্যমে মাত্র কয়েক মিনিটে
হাজার মাইল দূরের কোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারবে রাশিয়া। বার্তা
সংস্থা তাস জানিয়েছে, মস্কোর রাশিয়ান বিজ্ঞান অ্যাকাডেমিতে বরিসভ
সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার লেসার, ইলেকট্রোম্যাগনেটিকসহ এ জাতীয় অস্ত্রের
ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে চাই।
অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এ লেসার ও
ইলেট্রোম্যাগনেটিক অস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনও কাজ করছে বলে ধারণা করা
হচ্ছে। ২০১০ সালে আমেরিকার অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রেথেওন এমন একটি
লেসার অস্ত্র প্রদর্শন করে, যা আকাশে একই সাথে চারটি ড্রোনকে হামলা করতে
পারে। ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী পারস্য উপসাগরে বেশ কয়েকটি লেসার
অস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। রুশ উপপ্রতিরক্ষা মন্ত্রী আরো জানান, তাদের
বিজ্ঞানীরা আগামী দিনের যুদ্ধ প্রক্রিয়ার উন্নয়নের প্রতিনিয়ত কাজ করে
চলছেন। তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে সৈন্য পরিচালান নীতিতে আমূল পরিবর্তন আসবে।
এখন যে শত্রুকে দ্রুত ও যথাসময়ে চিহ্নিত করতে ও লক্ষ্য নির্ধারণ করতে
পারছে, যুদ্ধে তাদেরই জয় হচ্ছে। তিনি শ্রোতাদের উদ্দেশে বলেন, দ্রুততার
সাথে জটিল সব অস্ত্র যারা ব্যবহার করতে পারবে তারাই সঙ্ঘাতে জয়ী হবে। আগের
দিনে যেসব সিদ্ধান্ত ঘণ্টা বা দিন হিসেবে করে নেয়া হতো। তা এখন মিনিটের
মধ্যে নিতে হচ্ছে। আগামী দিনে হয়তো এ সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় সেকেন্ডের হিসেবে
নেমে আসবে।
সূত্র : ডেইলি মেইল
সূত্র : ডেইলি মেইল

No comments:
Post a Comment