নির্বাচনে
ট্রাম্পের বিজয়ের ব্যাপারে যে কয়জন ব্যক্তি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন,
হংকংয়ের নারী জ্যোতিষী প্রিসিলা ল্যাম তাদের অন্যতম। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের
ব্যাপারে এবার প্রিসিলা ল্যাম বলছেন, নতুন বছরের শুরুতে প্রেসিডেন্ট
হিসেবে ট্রাম্পের শুরুটা ভালোই ছিল, তবে শেষটা তার জন্য বেশ কঠিনই হবে।
হংকংয়ের ওং তাই সিন মন্দিরভিত্তিক জ্যোতিষী প্রিসিলা ল্যাম ২০ বছরেরও বেশি
সময় ধরে জ্যোতিষশাস্ত্র চর্চা করছেন। তিনি মূলত মানুষের মুখ, হাতের তালু ও
চীনা চান্দ্র বর্ষপঞ্জি দেখে মানুষের ভবিষ্যৎ গণনা করে থাকেন। চীনা
বর্ষপঞ্জি অনুসারে বছরের শুরু হবে আজ শনিবার। চলতি বছরে বিশ্বের কয়েকজন
প্রভাবশালী নেতার ভাগ্য কেমন হবে সে বিষয়ে সিএনএনের কাছে ভবিষ্যদ্বাণী
করেছেন তিনি। আর এটা তিনি করেছেন চৈনিক বর্ষপঞ্জি অনুসারে বিশ্বনেতাদের
জন্মতারিখ ও সালের ওপর ভিত্তি করে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প : ল্যামের মতে ট্রাম্প হচ্ছেন ফায়ার ডগ। আর ফায়ার ডগের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে অতি আত্মবিশ্বাস ও কোনো বিষয়ে আগে-পিছে না ভেবেই তড়িঘড়ি কাজ করার প্রবণতা। তিনি বলেন, জন্মদিন অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জ্যোতিষশাস্ত্রীয় চিহ্ন হচ্ছে পৃথিবী। পৃথিবী যে ধাতুতে গড়া তাতে বছরের শেষার্ধে পৃথিবীকে অশান্ত করে তুলবে। যেহেতু তিনি বসন্ত ও গ্রীষ্মকালের মতো বছরের গরম সময়ে জন্মগ্রহণ করেছেন; যে সময় আবহাওয়া গরম থাকে, তাই এ সময়টা ট্রাম্পের জন্য ভালো যাবে। আর এ সময়টা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য হানিমুন পিরিয়ডও। কিন্তু শরৎ ও শীতকালের মতো ঠাণ্ডা মাসগুলো তার জন্য বেশ কঠিন যাবে। বিক্ষোভের মতো ঘটনার মুখে পড়বেন ট্রাম্প।
ভ্লাদিমির পুতিন : পুতিন হচ্ছেন ড্রাগন। আর ড্রাগন খুব শক্তিশালী এবং যেকোনো জায়গায় যেতে পারে। এটা পানিতে সাঁতার কাটতে পারে, আবার আকাশে উড়তেও পারে। উৎসাহ ও উদ্যোমে পূর্ণ। জন্মদিন অনুযায়ী পুতিনের জ্যোতিষশাস্ত্রীয় চিহ্ন হচ্ছে সূর্য। আর সূর্যই তাকে শক্তিশালী নেতায় পরিণত করেছে। পুতিন হচ্ছেন স্পষ্টচিন্তার মানুষ। ল্যামের মতে, পুতিনের সামনে ভালো একটা বছর অপেক্ষা করছে। সূর্যের যে উপাদান তাতে ২০১৭ সালের শেষাংশ পুতিন ও রাশিয়ার জন্য অর্থের সম্ভবনা প্রবল। এতে রাশিয়ার অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে।
শি জিনপিং : প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের জ্যোতিষশাস্ত্রীয় চিহ্ন হচ্ছে আগুন। আর আসন্ন বছর চীনের প্রেসিডেন্টের জন্য বিশাল কিছু হতে যাচ্ছে। চীনের প্রেসিডেন্টের ভাগ্য দ্বিগুণ ভালো হবে। কারণ দেশের জনগণের মধ্যে যাদের জ্যোতিষশাস্ত্রীয় চিহ্ন সাপ চলতি বছর তাদের জন্যও ভালো যাবে। সাপের বৈশিষ্ট্য ড্রাগনের মতোই। কারণ সাপ সাগরেও যেতে পারে। আবার মাটিতেও চলতে পারে। শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে চলতি বছর চীন প্রভূত অর্থ আয় করতে যাচ্ছে, যা চূড়ান্তভাবে প্রেসিডেন্টের জন্য সুফল বয়ে আনবে।
অ্যাঞ্জেলা মার্কেল : অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের প্রতীক হচ্ছে ঘোড়া। আর ঘোড়া খুবই বলিষ্ঠ। জন্মদিনের অনুসারে জার্মান চ্যান্সেলরের জ্যোতিষশাস্ত্রীয় চিহ্ন হচ্ছে কাঠ। আর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল হচ্ছেন একটা বিশাল গাছের মতো, যার শিকড় মাটির গভীরে দৃঢভাবে প্রোথিত। কাঠের যে উপাদান তাতে মার্কেলের হৃদয়কে খুব দয়ালু করেছে। মার্কেলের শরণার্থী নীতি এটাই প্রমাণ করে। তবে এ দয়ালু হওয়াটাই আসন্ন গ্রীষ্মে তার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। কেননা জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী ফায়ার রোস্টারের তাপ তার কাঠ পুড়িয়ে ফেলবে। ভাগ্য ভালো যে, তিনি বার্লিনে থাকেন। আর বার্লিন হচ্ছে উত্তর জার্মানির অংশ। এখানে খুব একটা গরম পড়ে না। আর এজন্যই তিনি তার সামনে চ্যালেঞ্জ রয়েছে তা মোকাবেলা করতে পারবেন এবং আগামী নির্বাচনে পুনর্নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সফল হবেন।
রিসেপ তায়েপ এরদোগান : তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোগানের জন্মদিন অনুসারে তার জ্যোতিষ চিহ্ন হচ্ছে পানি। আর বসন্তকাল পানির জন্য ভালো নয়। কারণ এ সময় ফুল ফোটে আর সব পানি খেয়ে ফেলে। এর অর্থ হচ্ছে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা বৃদ্ধি তথা প্রেসিডেন্ট শাসিত সরকার প্রবর্তনের জন্য আগামী এপ্রিলে যে গণভোট হওয়ার কথা রয়েছে তাতে এরদোগান পরাজিত হতে যাচ্ছেন। ল্যাম বলেন, উপরন্তু তার চোখই বলে দিচ্ছে, জনগণের কাছ থেকে খুব বেশি সমর্থন তিনি পাচ্ছেন না। আর তার বড় নাসারন্ধ্র দুটো দেখে মনে হচ্ছে টাকা ধরে রাখার ক্ষেত্রে তিনি খুব একটা দক্ষ নন। তার মুখের বলিরেখাগুলো এটাই ইঙ্গিত করছে, তার অধীনস্থ সরকারি কর্মকর্তারা নির্ভরযোগ্য নয়। মোট কথা, ২০১৭ সালটা এরদোগানের জন্য ভালো যাবে না।
ডোনাল্ড ট্রাম্প : ল্যামের মতে ট্রাম্প হচ্ছেন ফায়ার ডগ। আর ফায়ার ডগের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে অতি আত্মবিশ্বাস ও কোনো বিষয়ে আগে-পিছে না ভেবেই তড়িঘড়ি কাজ করার প্রবণতা। তিনি বলেন, জন্মদিন অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জ্যোতিষশাস্ত্রীয় চিহ্ন হচ্ছে পৃথিবী। পৃথিবী যে ধাতুতে গড়া তাতে বছরের শেষার্ধে পৃথিবীকে অশান্ত করে তুলবে। যেহেতু তিনি বসন্ত ও গ্রীষ্মকালের মতো বছরের গরম সময়ে জন্মগ্রহণ করেছেন; যে সময় আবহাওয়া গরম থাকে, তাই এ সময়টা ট্রাম্পের জন্য ভালো যাবে। আর এ সময়টা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য হানিমুন পিরিয়ডও। কিন্তু শরৎ ও শীতকালের মতো ঠাণ্ডা মাসগুলো তার জন্য বেশ কঠিন যাবে। বিক্ষোভের মতো ঘটনার মুখে পড়বেন ট্রাম্প।
ভ্লাদিমির পুতিন : পুতিন হচ্ছেন ড্রাগন। আর ড্রাগন খুব শক্তিশালী এবং যেকোনো জায়গায় যেতে পারে। এটা পানিতে সাঁতার কাটতে পারে, আবার আকাশে উড়তেও পারে। উৎসাহ ও উদ্যোমে পূর্ণ। জন্মদিন অনুযায়ী পুতিনের জ্যোতিষশাস্ত্রীয় চিহ্ন হচ্ছে সূর্য। আর সূর্যই তাকে শক্তিশালী নেতায় পরিণত করেছে। পুতিন হচ্ছেন স্পষ্টচিন্তার মানুষ। ল্যামের মতে, পুতিনের সামনে ভালো একটা বছর অপেক্ষা করছে। সূর্যের যে উপাদান তাতে ২০১৭ সালের শেষাংশ পুতিন ও রাশিয়ার জন্য অর্থের সম্ভবনা প্রবল। এতে রাশিয়ার অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে।
শি জিনপিং : প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের জ্যোতিষশাস্ত্রীয় চিহ্ন হচ্ছে আগুন। আর আসন্ন বছর চীনের প্রেসিডেন্টের জন্য বিশাল কিছু হতে যাচ্ছে। চীনের প্রেসিডেন্টের ভাগ্য দ্বিগুণ ভালো হবে। কারণ দেশের জনগণের মধ্যে যাদের জ্যোতিষশাস্ত্রীয় চিহ্ন সাপ চলতি বছর তাদের জন্যও ভালো যাবে। সাপের বৈশিষ্ট্য ড্রাগনের মতোই। কারণ সাপ সাগরেও যেতে পারে। আবার মাটিতেও চলতে পারে। শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে চলতি বছর চীন প্রভূত অর্থ আয় করতে যাচ্ছে, যা চূড়ান্তভাবে প্রেসিডেন্টের জন্য সুফল বয়ে আনবে।
অ্যাঞ্জেলা মার্কেল : অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের প্রতীক হচ্ছে ঘোড়া। আর ঘোড়া খুবই বলিষ্ঠ। জন্মদিনের অনুসারে জার্মান চ্যান্সেলরের জ্যোতিষশাস্ত্রীয় চিহ্ন হচ্ছে কাঠ। আর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল হচ্ছেন একটা বিশাল গাছের মতো, যার শিকড় মাটির গভীরে দৃঢভাবে প্রোথিত। কাঠের যে উপাদান তাতে মার্কেলের হৃদয়কে খুব দয়ালু করেছে। মার্কেলের শরণার্থী নীতি এটাই প্রমাণ করে। তবে এ দয়ালু হওয়াটাই আসন্ন গ্রীষ্মে তার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। কেননা জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী ফায়ার রোস্টারের তাপ তার কাঠ পুড়িয়ে ফেলবে। ভাগ্য ভালো যে, তিনি বার্লিনে থাকেন। আর বার্লিন হচ্ছে উত্তর জার্মানির অংশ। এখানে খুব একটা গরম পড়ে না। আর এজন্যই তিনি তার সামনে চ্যালেঞ্জ রয়েছে তা মোকাবেলা করতে পারবেন এবং আগামী নির্বাচনে পুনর্নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সফল হবেন।
রিসেপ তায়েপ এরদোগান : তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোগানের জন্মদিন অনুসারে তার জ্যোতিষ চিহ্ন হচ্ছে পানি। আর বসন্তকাল পানির জন্য ভালো নয়। কারণ এ সময় ফুল ফোটে আর সব পানি খেয়ে ফেলে। এর অর্থ হচ্ছে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা বৃদ্ধি তথা প্রেসিডেন্ট শাসিত সরকার প্রবর্তনের জন্য আগামী এপ্রিলে যে গণভোট হওয়ার কথা রয়েছে তাতে এরদোগান পরাজিত হতে যাচ্ছেন। ল্যাম বলেন, উপরন্তু তার চোখই বলে দিচ্ছে, জনগণের কাছ থেকে খুব বেশি সমর্থন তিনি পাচ্ছেন না। আর তার বড় নাসারন্ধ্র দুটো দেখে মনে হচ্ছে টাকা ধরে রাখার ক্ষেত্রে তিনি খুব একটা দক্ষ নন। তার মুখের বলিরেখাগুলো এটাই ইঙ্গিত করছে, তার অধীনস্থ সরকারি কর্মকর্তারা নির্ভরযোগ্য নয়। মোট কথা, ২০১৭ সালটা এরদোগানের জন্য ভালো যাবে না।

No comments:
Post a Comment