সুরঞ্জিত
সেনগুপ্তের হাত ধরে রাজনীতিতে অভিষেক হয় একরার হোসেন ওরফে একরাম হোসেনের।
গত ইউপি নির্বাচনে দলীয় সমর্থন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হন একরার। এরপর
থেকে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান গ্রুপে যোগ দেন। এখন
কুলঞ্জ ইউনিয়নের এক আতংকের নাম একরার। এলাকায় গড়ে তুলেছেন সংঘবদ্ধ বাহিনী।
হাওর এলাকায় যে ক’টি সন্ত্রাসী গ্রুপ রয়েছে, তার মধ্যে একরার গ্রুপের দাপটই
বেশি। একরারের ছোট ভাই বদরুল আজাদ রানা ছাত্রদলের ক্যাডার। সে সিলেট
মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রদলের
আহ্বায়ক।
পুলিশ জানায়, একরারের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় ৩টি
মামলা রয়েছে। ২০১৪ সালে সমিতির সদস্যদের কাছ থেকে জোরপূর্বক টিপসই নেয়ার
অপরাধে আরেকটি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মাসুক
মিয়ার বন্দুক মারধর করে ছিনতাই করে একরার। ২০১১ সালের ইউপি নির্বাচনে নিজ
গ্রাম হাতিয়া সেন্টারে ভোটবাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। পরে ওই সেন্টারে
উপনির্বাচন হয়। অভিযোগ রয়েছে, একরার বাহিনীই ওই ঘটনা ঘটিয়েছিল।

No comments:
Post a Comment