নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
মহেশখালী উপজেলার ক্রাইমজোন খ্যাত কালারমার ছড়া পুলিশ ফাঁড়ীর চাঁদাবাজীতে ব্যাবসায়ী সহ সাধারন মানুষ অতিষ্ট হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্পর্শকাতর স্থানগুলোতে পুলিশের অবস্থানের দাবী করেছে এলাকাবাসী। সরেজমিনে এলাকাবাসী জানান, বেশ কিছুদিন ধরে কালারমার ছড়া এলাকায় চুরি , ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর আবার মাথাছড়া দিয়ে উঠেছে । প্রায় প্রতিরাতেই সড়ক ও নদী পথে ডাকাতি হচ্ছে এমনটি জানান ভুক্তভোগীরা। মাতার বাড়ী পুলিশ ফাঁড়ীর ভুমিকায় মাতারবাড়ী সংযোগ সড়কে এখন অনেকটাই সড়ক ডাকাতি কমে এসেছে আর শাপলাপুর সড়কের সাইটমারা ও গোদামপাড়া এলাকায় এখন প্রায় প্রতিদিনই ডাকাতি আর কুহেলিয়া নদীতে বোট ডাকাতি এখন আতংকের বিষয় বলে জানান মাতার বাড়ীর বোট মালিক শাহ আলম। তিনি বলেন গত এক সপ্তাহে দুটি লবন বোটের গিয়ার ও ব্যাটরী সহ মুল্যবান জিনিস মেশিন থেকে খুলে নিলেও একটি বোটের গিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে। এদের নাম বললে নিজের বোটের ক্ষতি আছে বলে জানান তিনি। উত্তর নলবিলার জসিম জানান কালারমারছড়ার পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ প্রতিদিন সকাল বিকাল চালিয়াতলি বাজার স্টেশনে বসে বিভিন্ন মালামালের গাড়ী থেকে চাদা আদায় করে থাকে। অথচ সাইটমারা ও গোদামপাড়া এলাকায় প্রায় প্রতিদিন সড়ক ডাকাতি হয়। সাইটমারার সাইফুল বলেন, গত দুদিন আগে সড়কে ডাকাতি হলে পুলিশ এসে নিরহ জনগনকে ধরে হয়রানি করে। রুবেল ডাকাতকে ধরে পুলিশকে দিলেও পুলিশ টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেয়। এলাকাবাসী জানান , চালিয়াতলি বাজার এলাকায় ডাকাতি হয়না সেখানে বসে পুলিশ রাতদিন বাঁশ, লাকড়ী, ছন, গাছ এমনকি গরুর কড়ের গাড়ী ধরে টাকা আদায় করে থাকে। এলকার সাধারন মানুষের সাথে কথা বলে ( নাম প্রকাশে ইচ্ছুক নয় ) জানা যায়, গরুর কড় থেকে ও বাড়ীর আম, জাম, গামারী গাছ কেটে ঘরোয়া আসবাবপত্র বানাতে যদি পুলিশকে চাঁদা দিতে হয় কোথায় গিয়ে থাকবে সাধারন মানুষ? তারা চালিয়াতলি বাজারে না বসে স্পর্শকাতর এলাকা সাইটমারা ঢালা ও গোলমকুদ্দুছের খামার বাড়ী এলাকা ও মাইচপাড়া এলাকায় পুলিশ পাহারার দাবী জানান। এদিকে পুলিশি হয়রানির ভয়ে কেউ মুখ খুলতে রাজী নয় বলে জানান চালিয়াতলী এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সরকারদলীয় নেতা। ঐ নেতা বলেন, এএসআই মেহেদী হাসান হচ্ছে সবচেয়ে খারাপ একজন পুলিশ অফিসার। টাকা ছাড়া তার কাছে ন্যায় অন্যায় বলতে কিছু নাই। এলাকার সচেতন মহল এর সমাধান চান উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে। এ বিষয়ে কালারমারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি ইমাম হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ গুলো সঠিক নয়। সব জায়গাতে পুলিশ টহল দিচ্ছে। আইন শৃংখলা রক্ষায় পুলিশ সব সময় প্রস্তুত আছে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।
মহেশখালী উপজেলার ক্রাইমজোন খ্যাত কালারমার ছড়া পুলিশ ফাঁড়ীর চাঁদাবাজীতে ব্যাবসায়ী সহ সাধারন মানুষ অতিষ্ট হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্পর্শকাতর স্থানগুলোতে পুলিশের অবস্থানের দাবী করেছে এলাকাবাসী। সরেজমিনে এলাকাবাসী জানান, বেশ কিছুদিন ধরে কালারমার ছড়া এলাকায় চুরি , ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর আবার মাথাছড়া দিয়ে উঠেছে । প্রায় প্রতিরাতেই সড়ক ও নদী পথে ডাকাতি হচ্ছে এমনটি জানান ভুক্তভোগীরা। মাতার বাড়ী পুলিশ ফাঁড়ীর ভুমিকায় মাতারবাড়ী সংযোগ সড়কে এখন অনেকটাই সড়ক ডাকাতি কমে এসেছে আর শাপলাপুর সড়কের সাইটমারা ও গোদামপাড়া এলাকায় এখন প্রায় প্রতিদিনই ডাকাতি আর কুহেলিয়া নদীতে বোট ডাকাতি এখন আতংকের বিষয় বলে জানান মাতার বাড়ীর বোট মালিক শাহ আলম। তিনি বলেন গত এক সপ্তাহে দুটি লবন বোটের গিয়ার ও ব্যাটরী সহ মুল্যবান জিনিস মেশিন থেকে খুলে নিলেও একটি বোটের গিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে। এদের নাম বললে নিজের বোটের ক্ষতি আছে বলে জানান তিনি। উত্তর নলবিলার জসিম জানান কালারমারছড়ার পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ প্রতিদিন সকাল বিকাল চালিয়াতলি বাজার স্টেশনে বসে বিভিন্ন মালামালের গাড়ী থেকে চাদা আদায় করে থাকে। অথচ সাইটমারা ও গোদামপাড়া এলাকায় প্রায় প্রতিদিন সড়ক ডাকাতি হয়। সাইটমারার সাইফুল বলেন, গত দুদিন আগে সড়কে ডাকাতি হলে পুলিশ এসে নিরহ জনগনকে ধরে হয়রানি করে। রুবেল ডাকাতকে ধরে পুলিশকে দিলেও পুলিশ টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেয়। এলাকাবাসী জানান , চালিয়াতলি বাজার এলাকায় ডাকাতি হয়না সেখানে বসে পুলিশ রাতদিন বাঁশ, লাকড়ী, ছন, গাছ এমনকি গরুর কড়ের গাড়ী ধরে টাকা আদায় করে থাকে। এলকার সাধারন মানুষের সাথে কথা বলে ( নাম প্রকাশে ইচ্ছুক নয় ) জানা যায়, গরুর কড় থেকে ও বাড়ীর আম, জাম, গামারী গাছ কেটে ঘরোয়া আসবাবপত্র বানাতে যদি পুলিশকে চাঁদা দিতে হয় কোথায় গিয়ে থাকবে সাধারন মানুষ? তারা চালিয়াতলি বাজারে না বসে স্পর্শকাতর এলাকা সাইটমারা ঢালা ও গোলমকুদ্দুছের খামার বাড়ী এলাকা ও মাইচপাড়া এলাকায় পুলিশ পাহারার দাবী জানান। এদিকে পুলিশি হয়রানির ভয়ে কেউ মুখ খুলতে রাজী নয় বলে জানান চালিয়াতলী এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সরকারদলীয় নেতা। ঐ নেতা বলেন, এএসআই মেহেদী হাসান হচ্ছে সবচেয়ে খারাপ একজন পুলিশ অফিসার। টাকা ছাড়া তার কাছে ন্যায় অন্যায় বলতে কিছু নাই। এলাকার সচেতন মহল এর সমাধান চান উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে। এ বিষয়ে কালারমারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি ইমাম হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ গুলো সঠিক নয়। সব জায়গাতে পুলিশ টহল দিচ্ছে। আইন শৃংখলা রক্ষায় পুলিশ সব সময় প্রস্তুত আছে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

No comments:
Post a Comment