স.ম.ইকবাল বাহার চৌধুরী ঃ
মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়ার নোনাছড়ি এলাকায় আগুনে পুড়ে ভস্মিভুত হয়ে গেছে দু‘টি দোকান ঘর সহ ৮টি টমটম ও দু‘লক্ষাধিক টাকার ছন। এতে প্রাথমিক ভাবে ২০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারনা করছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। জানা যায় নোনাছড়ি বাজারের উত্তর পার্শে মাষ্টার শের আলীর পুত্র আমান উল্লাহ ও মনির আহমদের মালিকানাধীন সদ্য নির্মিত ৬০-৪০ ফুট দুটি দোকানে এ ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ঘটে!
আমান উল্লাহর মালিকানাধীন দোকানে চার্জাধীন ৮ টি টমটম সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। যার আনুমানিক মূল্য ১৫,০০,০০০ টাকা। দোকানের মালিক, টমটম চালক ও ড্রাইভারগণ এতে অসহায় হয়ে পড়েছে. টমটম চালক ড্রাইভারগন যথাক্রমে হাজী ওসমান ,মাহবুব আলম , আক্তার হোসাইন , কাছিম আলী , ঈসমাঈল , বশির আহমেদ , হাফেজ আমান উল্লাহ , রশিদ আহমেদ এবং মনির আহামদ এর মালিকানাধীন দোকানের ব্যবসায়ী জালাল ও গিয়াস উদ্দিনের ছনের দোকানে ২১০ ভার ছন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। যার আনুমানিক মুল্য ২,২০,০০০ টাকা। স্থানিয়দের ধারণা, মনির আহমদের মালিকানাধীন জালালের ছনের দোকান থেকে আগুনের সুত্রপাত ধটে এবং মুহুর্তেই আগুন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে এতে দোকান দুটি মালামাল সহ এবং মনির আহমদের বাড়িতে আগুন ধরে ! ফায়ার সার্ভিস পৌছানোর আগেই এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে। ঘটনাস্থলে কালারমারছড়া পুলিশ বীট কর্মকর্তা ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ পরিদর্শন করেন । অনেকেই এটাকে পূর্ব পরিকল্পিত বলেও দাবি করেছেন । তাদের বেছে থাকার শেষ সম্বল হারিয়ে একটাই দাবি প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিদের একান্ত সহযোগিতা । এলাকাবাসী আরো জানান উপজেলার একমাত্র ফায়ার সার্ভিসটি উপজেলার দক্ষিনপ্রান্তে হওয়ায় এটা উত্তর প্রান্তের জনগনের কোন কাজে আসছে না। উত্তর মহেশখালী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি হাসান বশির জানান, এ ঘটনার দ্বারা আবারো প্রমান হলো উত্তর মহেশখালীতে উপজেলা বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবী। উত্তর মহেশখালী উপজেলা বাস্তবায়ন হলে প্রশাসনিক কর্মকান্ড সহ একটি ফায়ার সার্ভিস স্থাপনের মাধ্যমে অত্র এলাকার সর্বসাধারনের সার্বিক কল্যান হবে। উত্তর মহেশখালীতেই সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে। কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ সহ সকল কর্মকান্ড এ এলাকায় হওয়ায় উত্তর মহেশখালী উপজেলা বাস্তবায়ন এখন যৌক্তিক করে তুলেছে। এদিকে ক্ষতিগ্রস্থদের পক্ষ থেকে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সরেজমিনে তদন্ত ও পরিদর্শন পূর্বক তাদের সহায়তার হাত বাড়ানোর জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

No comments:
Post a Comment