যশোরে
নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর চেষ্টার অভিযোগে বিএনপির ৩০ নেতাকর্মীর
বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেছে পুলিশ। এ নিয়ে গত দুই দিনে একই অভিযোগে দুটি
মামলা দিল পুলিশ। মামলায় আসামি করা হয়েছে সাবেক মেয়র ও নগর বিএনপির সভাপতি
মারুফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মুনির আহম্মেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, জেলা
জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি এহসানুল হক মুন্না, নগর বিএনপি নেতা
বদিউজ্জামান ধনি, ছাত্রদল নেতা মোস্তফা আমির ফয়সাল, শহরের বারান্দীপাড়ার
ফারুক হোসেন, শংকরপুরের জাকির হোসেন, রেলগেটের মোহন, খড়কীর শিমুল, একই
এলাকার নাসির, বেজপাড়ার টিপু, চাঁচড়ার সোহরাব খান মিন্টু, বারান্দীপাড়ার
মোস্তফা কামাল শিশা, চাঁচড়ার রানা, খড়কীর আনোয়ার পারভেজ, ঘোপ নওয়াপাড়া
রোডের প্লাবন, ঘোপের সোহাগ,বাবু,মুন্না,
কদমতলার বুল্লা, খুলনা
বাসস্ট্যান্ড এলাকার জয়, বারান্দীপাড়ার বড় মনি, ঝুমঝুমপুরের জাহাঙ্গীর
হোসেন, হাজি মুহম্মদ মহসিন রোডের রিপন চৌধুরী, আকমম, বেজপাড়ার ডন,
রাজাপুরের মাসুম, ঝুমঝুমপুরের রফিকুল ইসলাম, ইব্রাহিম হোসেন এবং চাঁচড়া ডাল
মিল এলাকার সোহেল চৌধুরীসহ অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে। উপশহর ফাঁড়ির এসআই আব্দুর
রহিম এজাহারে উল্লেখ করেছেন, ৫ জানুয়ারি সকালে জেল রোড উত্তরা হসপিটালের
সামনে বসে বড় ধরনের নাশকতামূলক কর্মকা- ঘটানোর জন্য আসামিরা পুস্তুতি
নিচ্ছিল। পুলিশ গোপন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয়। এসময় আসামিরা পুলিশের
উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। তবে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় পাঁচটি
জালের কাঠি, চারটি মারবেল, জর্দার কৌটার অংশবিশেষ ও স্কচ টেপ। প্রসঙ্গত, এর
আগের রাতে বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে একই ধরনের আরেকটি মামলা রুজু করা হয়
কোতয়ালী থানায়। ওই মামলার প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি নেতারা বলেন, সরকারবিরোধী
আন্দোলন বানচালের উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা করা হচ্ছে।

No comments:
Post a Comment