বাংলাদেশ
পানি উন্নয়ন বোর্ডের পাবনা সেচ ও পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের আই-৩,এস-১৯,টি-১২
সেকেন্ডারি সেচ ক্যানালের মাটি কেটে একটি প্রভাবশালী মহল নির্মানাধীন রেল
লাইনের ঠিকাদারের কাছে লাখ লাখ টাকার মাটি বিক্রি করছে। এই মাটি বিক্রির
সাথে পাবনা পানি উন্নয়ন বিভাগের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা জড়িত রয়েছেন বলে
অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগে জানা যায়, পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের
আই-৩,এস-১৯ সেকেন্ডারি ক্যানালের টি-১২ টারশিয়ারি ক্যানালটি নগরবাড়ী-পাবনা
মহাসড়কের ২৪ মাইল বাজারের পাশ থেকে উত্তর দিকে সাঁথিয়া উপজেলার রঘুরামপুর,
বলরামপুর ও কল্যানপুর গ্রামের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। উপজেলার বলরামপুর
গ্রামের মৃত সিরালী মোল্লা ছেলে হাবিবুর মাস্টার, ফজলাল রহমান ও মৃত
শামসুর রহমানের ছেলে আতিকুর রহমান, মতিয়ার রহমান পাবনা পাউবো’র কিছু অসাধু
কর্মকর্তার যোগসাজসে রঘুরামপুর মৌজার বলামপুরে ঈশ্বরদী-ঢালারচর নব-নির্মিত
রেল লাইনের ব্রিজের পাশে ক্যানালের জমি খনন করে হাজার হাজার ঘন ফুট মাটি
রেল লাইনের ঠিকাদারের কাছে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা ভাগবাটোয়ারা করে
নিচ্ছে। সেচ ক্যানেলের পাশ থেকে মাটি কাটায় ক্যানালটি দূর্বল হয়ে পড়ছে।
সেচের জন্য ক্যানেলে পানির প্রবাহ ঘটানো হলে ক্যানালের ডাইক বাঁধ ভেঙে উঠতি
ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে বলে স্থানীয় কৃষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
নগরবাড়ী-পাবনা মহাসড়কের ২৪ মাইল বাজারের পাশ থেকে সাঁথিয়া সড়কের ঘেষে
প্রবাহিত আই-৩,এস-১৮, টি-১২ ক্যানালটি সাহায্যএলাকার কৃষি জমিতে সেচ প্রদান
করা হয়।
এই ক্যানেলটি খননের জন্য জমি হুকুম দখল এবং ক্ষতিগ্রস্থ জমির
মালিকদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়েছে। প্রভাবশালী মহলটি পাবনা পাউবো’র কতিপয়
অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজসে ক্যানেলের অব্যহৃত জায়গায় পুকুর খনন করে রেল
লাইনে মাটি বিক্রি করছে। এতে ক্যানেলটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে
পাবনা পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল করিমের সাথে মোবাইল
ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ব্যক্তি মালিকানাধীন
জায়গা থেকে মাটি কাটা হচ্ছে। সেখানে পানি উন্নয়ন বিভাগের করার কিছু নেই।
তবে ক্যানেলের যাতে কোন ক্ষতি না হয় সে জন্য মাটি কাটার সাথে জড়িতদের নোটিশ
দেয়া হয়েছে। এদিকে পাবনা পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী সাঁথিয়া থানায় অভিযোগ
দায়েরের কথা বলেছেন, কিন্তু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নাসির উদ্দিন
অভিযোগ বিষয়ে তার স্মরণ নেই বলে জানান।

No comments:
Post a Comment