উপ-নির্বাচনে
অংশ নেয়া সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় বাতিল চেয়ে করা বঙ্গবীর কাদের
সিদ্দিকীর আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। বুধবার প্রধান বিচারপতি এস
কে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের আট বিচারপতির বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এ
রায়ের ফলে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের উপ-নির্বাচনে কৃষক- শ্রমিক জনতা
লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন
না।
একই সঙ্গে এই আসনে উপ-নির্বাচন হতে আর কোনো আইনগত বাধা থাকল না।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি অনুষ্ঠানে হজ নিয়ে
বিতর্কিত মন্তব্য করায় টাঙ্গাইল-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে
আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। ফলে টাঙ্গাইল-৪ আসন শূন্য হয়। পরবর্তীতে
ওই আসনে উপনির্বাচনে প্রার্থী হন লতিফ সিদ্দিকীর ভাই ও কৃষক শ্রমিক জনতা
লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী। কিন্তু তার প্রতিষ্ঠানের নামে খেলাপী ঋণ
থাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ১৩ অক্টোবর তার মনোনয়ন বাতিল করে। ঋণ পুন:তফসিল
করেছেন উল্লেখ করে এর বিরুদ্ধে ১৬ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন কাদের
সিদ্দিকী। ১৯ অক্টোবর নির্বাচন তার আপিলও বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। পরে
বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেন কাদের সিদ্দিকী। হাইকোর্ট মনোনয়নপত্র বৈধ
ঘোষণা করে কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে নির্বাচন কমিশনকে
নির্দেশ দেন। নির্বাচন কমিশন আবার আদালতে আবেদন করেন। এবার কাদের সিদ্দিকীর
মনোনয়নপত্র বৈধ নয় বলে নির্বাচন কমিশনের দেয়া সিদ্ধান্ত বহাল রাখে
হাইকোর্ট। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও আজ বাতিল করলো আপিল
বিভাগ।

No comments:
Post a Comment