শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি
নৌরুটে রোববার তিনটি ফেরিতে রাডার স্থাপন করা হয়েছে। রো রো ফেরি বীর
শ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনে রাডার থাকলেও চ্যানেলে পানি কম থাকায় এটি চলাচল করতে
পারছে না। এদিকে শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ফেরি চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ
থাকার পর রোববার সকাল ৯টায় চালু হয়েছে। এর আগে ভোর ৫টা থেকে দেশের
গুরুত্বপূর্ণ এই ফেরি সার্ভিস ঘন কুয়াশায় বন্ধ হয়ে যায়।
এই সময় ধরে কনকনে
শীতে যানবাহনসহ পাঁচটি ফেরি মাঝ পদ্মায় আটকা পড়েছে। ফেরিতে থাকা যাত্রীদের
দুর্ভোগ পোহাতে হয়। দু’পারে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। পাঁচ শতাধিক যান।
রাডারের মাধ্যমে রোববারও কুয়াশার মধ্যেও রোরো ফেরি শাহ মখদুম এবং শাহ পরান
চলাচল করেছে। এছাড়া শিমুলিয়ায় চারটি রো রোসহ ১৪টি ফেরি চলাচল করছে। এরমধ্যে
শুধু তিনটি রোরো ফেরিতে রাডার স্থাপন করা হয়েছে। রো রো ফেরি বীর শ্রেষ্ঠ
রুহুল আমিনে রাডার থাকলেও চ্যানেলে পানি কম থাকায় এটি চলাচল করছে না। পানি
কমের কারণে এটি জোয়ার ধরে চলাচল করছে। এছাড়া অপর রো রো ফেরি বীর শ্রেষ্ঠ
জাহাঙ্গীর আলমে রাডার এখনও স্থাপন করা হয়নি। অপর ফেরিগুলোতেও পর্যায়ক্রমে
রাডার স্থাপন করা হবে। এসব তথ্য দিয়ে বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের
ম্যানেজার গিয়াস উদ্দিন পাটুয়ারী জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই কুয়াশায় এই রুটে
ফেরি চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। ভোরে দু’পাড়ে পরিস্কার থাকলেও চ্যানেলে আকস্মিক
কুয়াশায় ঢাকা পরে ফেরি রুট। বয়াবাতি কিছুই দেখা যাচ্ছি না। তাই দুর্ঘটনা
এাড়াতে ফেরি সার্ভিস বন্ধ রাখা হয়। তবে কুয়াশা কেটে যাওয়ার পর ফেরি চলাচল
আবার শুরু হয়েছে। এছাড়া রাডারে দুটি রোরো ফেরি কুয়াশায়ও চলাচল করতে সক্ষম
হয়েছে।

No comments:
Post a Comment