রংপুরের
কাউনিয়ার চাঞ্চল্যকর জাপানী নাগরিক হোসিও কোনি (৬৬) হত্যা মামলায় ৭
উগ্রবাদি জেএমবির বিচারের জন্য আদালতে স্বাক্ষ্য গ্রহন শুরু হয়েছে। প্রথম
দিনে মামলার বাদি পুলিশ কর্মকর্তা ও একজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যার
স্বাক্ষ্য দিয়েছেন। বুধবার দুপুরে রংপুর স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক নরেশ
চন্দ্র সরকার এই স্বাক্ষ্য নেন। পরবর্তী স্বাক্ষ্যর দিন ধার্য করা হয়েছে
২৩,২৪ ও ২৫ জানুয়ারী। এর মাধ্যমে চাঞ্ছল্যকর এই হত্যা মামলাটির বিচারিক
কার্যক্রম শুরু হলো। রংপুর স্পেশাল জজ আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর
এ্যাডভোকেট রথিশ চন্দ্র ভৌমিক নয়া দিগন্তকে জানান, বুধবার দুপুরে বিচারক
নরেশ চন্দ্র সরকারের আদালতে জাপানি নাগরিক হোসিও কোনি (৬৬) হত্যা মামলার
বাদি কাউনিয়া থানার তৎকালিন অফিসার ইনচার্জ রেজাউল ইসলাম(বর্তমানে পীরগঞ্জ
থানার অফিসার ইনচার্জ) প্রথমে এবং পরে সারাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আশরাফুল
হকের সাক্ষ্য দেন। পরে তাদের জেরা করেন আসামীপক্ষের আইনজীবরা। মামলাটির
পরবর্তী সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য বিচারক ২৩,
২৪ ও ২৫ জানুয়ারী দিন
ধার্য করেছেন। এদিকে সাক্ষ্য গ্রহন উপলক্ষে বুধবার সকালেই কঠোর নিরাপত্তার
মধ্য দিয়ে মামলায় গ্রেফতারও চার্জশিটভুক্ত আসামী উগ্রবাদি জঙ্গি কারাগারে
আটক জেএমবির উগ্রবাদি এবং উত্তরাঞ্চলের স্কোয়াড লিডার মাসুদ রানা, এছাহাক
আলী, লিটন মিয়া, আবু সাঈদ, সাখাওয়াত হোসেন এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। বেলা ১১
টায় সাক্ষ্য গ্রহন শুরু হয়। চার্জশিটভুক্তদের মধ্যে রাজশাহীতে নজরুল ইসলাম
ওরফে বাইক হাসান পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে এবং সাদ্দাম হোসেন ঢাকায়
পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হন। আর অপর চার্জশিটভূক্ত রোকেয়া
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাথী আহসান উল্লাহ আনছারী এখনও পলাতক আছে। পিপি আরও
জানান, গত বছর ১৫ নভেম্বর এই আদালতে ৭ উগ্রবাদির বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহন
করেন বিচারক। সেদিন ৪ জানুয়ারী এই মামলার স্বাক্ষ্য গ্রহনের তারিখ নির্ধারন
করা হয়। পরবর্তীতে দুই তারিখ পিছিয়ে বুধবার দুইজনের সাক্ষ্য গ্রহন সম্পন্ন
হলো। এই মামলায় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৩ জন তাদের নিজস্ব আইনজীবি এবং বাকী
৪ জনের জন্য ষ্টেট ডিফেন্স হিসেবে আবুল হোসেন ও আলাউদ্দিন আহাম্মেদকে
নিয়োগ করা হয়েছে। আসামীপক্ষের স্টেট ডিফেন্স আইনজিবী আবুল হোসেন জানান,
আমরা প্রয়োজনীয় জেরা করেছি। তা অব্যাহত রাখবো।

No comments:
Post a Comment