ইহুদি
রাষ্ট্র ইসরাইলে সাম্প্রতিক সময়ে ক্ষমতাবান কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে
ধর্ষণসহ যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে৷ নারীরাও এখন এ সংক্রান্ত অভিযোগ আনায়
উৎসাহী হচ্ছেন৷ গত ডিসেম্বরে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মোশে কাতসাভকে
প্যারোলে মুক্তি দেয়া হয়৷ ধর্ষণের দায়ে তার সাত বছরের কারাদণ্ড হয়৷ এখন
পর্যন্ত তিনি পাঁচ বছর জেলে কাটিয়েছেন৷ তবে তারপরও নিজের অপরাধ নিয়ে তাকে
কোনো অনুশোচনা করতে দেখা যায়নি৷ তার আগে গত বছরের জুলাইতে সেনাবাহিনী থেকে
পদত্যাগ করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওফেক বুখরিস৷ তার বিরুদ্ধে তরুণ এক নারী
সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে অনুমতি নিয়ে যৌন সম্পর্ক গড়ে তোলা ও আরেক নারী
কর্মকর্তার সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগ উঠেছিল৷ তিনি এসব অভিযোগ স্বীকার করে
কারাদণ্ড ভোগের হাত থেকে রেহাই পান৷
কিন্তু বুখরিসকে এভাবে ছেড়ে দেয়ার
সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন ইসরাইলি নারীরা৷ সামরিক বাহিনীর
সদরদপ্তরের সামনে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়৷ বিক্ষোভের আয়োজক নোগা শাহার
বার্তা সংস্থা এএফপিকে একজন বিচারকের শাস্তির উদাহরণ দিয়ে বলেন, এসব বিষয়ের
প্রতিবাদ হওয়া উচিত৷ নোগা শাহার যে বিচারকের কথা বলেছেন তার নাম ইতঝাক
কোহেন৷ আদালতের এক নারী কর্মীকে জোর করে নিজের কোলে বসানো ও অনুমতি না নিয়ে
তার ব্লাউজের নীচে স্পর্শ করার অভিযোগ আনা হয়েছিল কোহেনের বিরুদ্ধে৷ ঐ
অভিযোগের পর কোহেন তার পদ থেকে পদত্যাগ করেন৷ এরপর তিনি তার বিরুদ্ধে আনা
অভিযোগ স্বীকার করায় তাকে কারাদণ্ড না দিয়ে কমিউনিটি সার্ভিসে অংশগ্রহণ ও
ভুক্তভোগীকে ৬০০ ইউরো (প্রায় ৫০ হাজার টাকা) ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হতে পারে৷
মুখ খুলছেন নারীরা
সাবেক প্রেসিডেন্ট ও সেনাবাহিনীর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও সরকারের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, একজন সাংসদসহ আরও কয়েকজন ক্ষমতাবানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আনা হয়েছে৷ নোগা শাহার বলছেন, ‘এমন না যে হঠাৎ করে এ সব অপরাধ বেড়ে গেছে৷ আসলে যেটা হয়েছে, মেয়েরা এখন আর এ সব বিষয় লুকিয়ে রাখছে না৷ তারা এসব সবাইকে জানাতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে৷’ ‘অ্যাসোসিয়েশন অফ রেপ ক্রাইসিস সেন্টার্স ইন ইসরাইল’ বা এআরসিসিআই-এর নির্বাহী পরিচালক ওরিট সুলিতজেনু বলেন, তাদের মতো সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এবং মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ায় যৌন নিপীড়নের অভিযোগের সংখ্যা অনেক বেড়েছে৷ ২০১৫ সালে তারা ৯,১৯৭টি অভিযোগ পেয়েছেন৷ ২০১০ সালে সেটি ছিল ৭,৮৫৮৷ অর্থাৎ পাঁচ বছরে অভিযোগের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ৷
সূত্র: ডয়েচে ভেলে
মুখ খুলছেন নারীরা
সাবেক প্রেসিডেন্ট ও সেনাবাহিনীর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও সরকারের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, একজন সাংসদসহ আরও কয়েকজন ক্ষমতাবানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আনা হয়েছে৷ নোগা শাহার বলছেন, ‘এমন না যে হঠাৎ করে এ সব অপরাধ বেড়ে গেছে৷ আসলে যেটা হয়েছে, মেয়েরা এখন আর এ সব বিষয় লুকিয়ে রাখছে না৷ তারা এসব সবাইকে জানাতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে৷’ ‘অ্যাসোসিয়েশন অফ রেপ ক্রাইসিস সেন্টার্স ইন ইসরাইল’ বা এআরসিসিআই-এর নির্বাহী পরিচালক ওরিট সুলিতজেনু বলেন, তাদের মতো সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এবং মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ায় যৌন নিপীড়নের অভিযোগের সংখ্যা অনেক বেড়েছে৷ ২০১৫ সালে তারা ৯,১৯৭টি অভিযোগ পেয়েছেন৷ ২০১০ সালে সেটি ছিল ৭,৮৫৮৷ অর্থাৎ পাঁচ বছরে অভিযোগের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ৷
সূত্র: ডয়েচে ভেলে

No comments:
Post a Comment