ওবামা
যুগের অবসান ঘটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিলেন নির্বাচিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট
হিসেবে শপথ নিলেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে বদলে গেলেন পৃথিবীর সবথেকে ক্ষমতাধর
ব্যক্তি। বদলে গেলেন হোয়াইট হাউসের বাসিন্দারা। ক্যাপিটল হিলে দেশটির
প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করান। আর এর মধ্য দিয়ে
যুক্তরাষ্ট্রে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রাম্প যুগের সূচনা হলো।
গত নভেম্বর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ট্রাম্প। শপথ নেওয়ার মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করলেন তিনি। ট্রাম্পের আগে নতুন ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন মাইক পেন্স।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন তাঁর স্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী হিলারি ক্লিনটন, সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ, দেশটির উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের প্রতিনিধিরা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সামরিক বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা যোগ দেন। লাখো মানুষ ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করে। তবে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভও হয়েছে।
ট্রাম্প আজ দিনের শুরুতে ট্রাম্প স্ত্রী মেলানিয়াকে নিয়ে হোয়াইট হাউসের কাছের একটি গির্জায় গিয়ে প্রার্থনা করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনটি শুরু করেন তিনি। সেখান থেকে বেরিয়ে যান মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউসে।
হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প ও মেলানিয়াকে স্বাগত জানান বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। সঙ্গে ছিলেন ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা। একসঙ্গে কফি পান করেন তাঁরা। পরে সেখান থেকে চলে যান শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানস্থল ক্যাপিটল হিলে। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা শেষে লাখো জনতার হর্ষধ্বনির মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন ট্রাম্প। শপথ গ্রহণের পর নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে বক্তব্য দেন তিনি।
ট্রাম্পের শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ওয়াশিংটনকে রীতিমতো দুর্গে পরিণত করা হয়। মোতায়েন করা হয় বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর হাজার হাজার সদস্য।
ক্ষমতা গ্রহণের কিছু সময় আগে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঐক্যবদ্ধ আমেরিকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেছেন, সবাইকে নিয়ে তিনি আমেরিকাকে আবারও মহত করে তুলবেন। শপথের পরেও তিনি সব মানুষের রক্ত এক বলে মন্তব্য করেন।
তবে ট্রাম্পের প্রতি বিশ্বাস নেই অনেক আমেরিকানের। কৃষ্ণাঙ্গদের, মেক্সিকানদের আর মুসলমানদের তিনি পৃথক করেছিলেন নির্বাচনী প্রচারণার কাল থেকেই। সামনে এনেছিলেন জাতি-বর্ণ-ধর্মে বিভক্ত হয়ে থাকা আমেরিকাকে। তাই ট্রাম্পের ঐক্যের অঙ্গীকার সত্ত্বেও ওয়াশিংটনে ঢল নেমেছে প্রতিবাদীদের। ট্রাম্পের প্রতি তীব্র অনাস্থার কথা প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে জানিয়ে দিতে চাইছে তারা। শপথ অনুষ্ঠানের সময় ঘনিয়ে আসতেই সেই বিক্ষোভ জোরালো হয়। অনুষ্ঠান শেষ না হতেই বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের খবর দিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান।
যুক্তরাষ্ট্রের রেওয়াজ অনুযায়ী, চার বছর পরপর নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জানুয়ারির ২০ তারিখ স্থানীয় সময় বেলা ১২টায় প্রধান বিচারপতির কাছে শপথ নেন। তবে লিংকন মেমোরিয়ালে কনসার্টের মধ্য দিয়ে অভিষেকের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় আগের দিন সকালে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে শুরু হয় দিনব্যাপী এ কনসার্ট। কনসার্টের পর একই দিন বিকালে নতুন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স আর্লিংটনের জাতীয় সমাধিতে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
সাড়ে ১১টায় ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের শপথ পড়ান বিচারপতি ক্লেরেন্স টমাস। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগানের বাইবেল হাতে নিয়ে পেন্স শপথ পড়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। বেলা ১২টায় প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস নতুন প্রেসিডেন্টকে শপথ পড়ান। এ সময় ট্রাম্পের হাতে ছিল আব্রাহাম লিংকনের স্মৃতিধন্য বাইবেল। শপথ নেওয়ার পর অভিষেক বক্তৃতা দিচ্ছেন নতুন প্রেসিডেন্ট।
এর আগে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য আয়োজিত বারাক ওবামার চা চক্রে যোগ দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সকালে গির্জার আনুষ্ঠানিকতা শেষে সোজা হোয়াইট হাউসে যান নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। সেখানে বিদায়ী প্রেসিডেন্টের চা চক্রে যোগ দেন তিনি। এর আগে হোয়াইট হাউজের উল্টো দিকে অবস্থিত সেইন্ট জন্স চার্চে যান ট্রাম্প। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পসহ পরিবারের সদস্যরা। মোটর শোভাযাত্রা নিয়ে সেইন্ট জন্স চার্চে পৌঁছান ট্রাম্প। ট্রাম্প ছাড়াও নবনির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স এবং নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যরা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সেইন্ট জন্স চার্চে উপস্থিত হন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিকালে ‘মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন! ওয়েলকাম সেলিব্রেশন কনসার্ট’ শিরোনামের সেই কনসার্টের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয় লিংকন মেমোরিয়ালে। কনসার্টের শেষ পর্যায়ে এসে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা আমাদের দেশকে ঐক্যবদ্ধ করে তুলব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আমাদের সব মানুষের জন্য আমেরিকাকে অসাধারণ করে তুলব, সবার জন্যব, সবার জন্যে...’
তবে ট্রাম্পের শপথের সময়ই প্রতিবাদকারীরা নিপীড়িত হয়েছে। রক্তাক্ত হয়েছে বিভক্ত আমেরিকা।
গত নভেম্বর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ট্রাম্প। শপথ নেওয়ার মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করলেন তিনি। ট্রাম্পের আগে নতুন ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন মাইক পেন্স।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন তাঁর স্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী হিলারি ক্লিনটন, সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ, দেশটির উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের প্রতিনিধিরা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সামরিক বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা যোগ দেন। লাখো মানুষ ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করে। তবে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভও হয়েছে।
ট্রাম্প আজ দিনের শুরুতে ট্রাম্প স্ত্রী মেলানিয়াকে নিয়ে হোয়াইট হাউসের কাছের একটি গির্জায় গিয়ে প্রার্থনা করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনটি শুরু করেন তিনি। সেখান থেকে বেরিয়ে যান মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউসে।
হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প ও মেলানিয়াকে স্বাগত জানান বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। সঙ্গে ছিলেন ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা। একসঙ্গে কফি পান করেন তাঁরা। পরে সেখান থেকে চলে যান শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানস্থল ক্যাপিটল হিলে। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা শেষে লাখো জনতার হর্ষধ্বনির মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন ট্রাম্প। শপথ গ্রহণের পর নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে বক্তব্য দেন তিনি।
ট্রাম্পের শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ওয়াশিংটনকে রীতিমতো দুর্গে পরিণত করা হয়। মোতায়েন করা হয় বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর হাজার হাজার সদস্য।
ক্ষমতা গ্রহণের কিছু সময় আগে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঐক্যবদ্ধ আমেরিকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেছেন, সবাইকে নিয়ে তিনি আমেরিকাকে আবারও মহত করে তুলবেন। শপথের পরেও তিনি সব মানুষের রক্ত এক বলে মন্তব্য করেন।
তবে ট্রাম্পের প্রতি বিশ্বাস নেই অনেক আমেরিকানের। কৃষ্ণাঙ্গদের, মেক্সিকানদের আর মুসলমানদের তিনি পৃথক করেছিলেন নির্বাচনী প্রচারণার কাল থেকেই। সামনে এনেছিলেন জাতি-বর্ণ-ধর্মে বিভক্ত হয়ে থাকা আমেরিকাকে। তাই ট্রাম্পের ঐক্যের অঙ্গীকার সত্ত্বেও ওয়াশিংটনে ঢল নেমেছে প্রতিবাদীদের। ট্রাম্পের প্রতি তীব্র অনাস্থার কথা প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে জানিয়ে দিতে চাইছে তারা। শপথ অনুষ্ঠানের সময় ঘনিয়ে আসতেই সেই বিক্ষোভ জোরালো হয়। অনুষ্ঠান শেষ না হতেই বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের খবর দিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান।
যুক্তরাষ্ট্রের রেওয়াজ অনুযায়ী, চার বছর পরপর নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জানুয়ারির ২০ তারিখ স্থানীয় সময় বেলা ১২টায় প্রধান বিচারপতির কাছে শপথ নেন। তবে লিংকন মেমোরিয়ালে কনসার্টের মধ্য দিয়ে অভিষেকের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় আগের দিন সকালে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে শুরু হয় দিনব্যাপী এ কনসার্ট। কনসার্টের পর একই দিন বিকালে নতুন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স আর্লিংটনের জাতীয় সমাধিতে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
সাড়ে ১১টায় ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের শপথ পড়ান বিচারপতি ক্লেরেন্স টমাস। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগানের বাইবেল হাতে নিয়ে পেন্স শপথ পড়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। বেলা ১২টায় প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস নতুন প্রেসিডেন্টকে শপথ পড়ান। এ সময় ট্রাম্পের হাতে ছিল আব্রাহাম লিংকনের স্মৃতিধন্য বাইবেল। শপথ নেওয়ার পর অভিষেক বক্তৃতা দিচ্ছেন নতুন প্রেসিডেন্ট।
এর আগে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য আয়োজিত বারাক ওবামার চা চক্রে যোগ দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সকালে গির্জার আনুষ্ঠানিকতা শেষে সোজা হোয়াইট হাউসে যান নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। সেখানে বিদায়ী প্রেসিডেন্টের চা চক্রে যোগ দেন তিনি। এর আগে হোয়াইট হাউজের উল্টো দিকে অবস্থিত সেইন্ট জন্স চার্চে যান ট্রাম্প। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পসহ পরিবারের সদস্যরা। মোটর শোভাযাত্রা নিয়ে সেইন্ট জন্স চার্চে পৌঁছান ট্রাম্প। ট্রাম্প ছাড়াও নবনির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স এবং নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যরা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সেইন্ট জন্স চার্চে উপস্থিত হন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিকালে ‘মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন! ওয়েলকাম সেলিব্রেশন কনসার্ট’ শিরোনামের সেই কনসার্টের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয় লিংকন মেমোরিয়ালে। কনসার্টের শেষ পর্যায়ে এসে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা আমাদের দেশকে ঐক্যবদ্ধ করে তুলব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আমাদের সব মানুষের জন্য আমেরিকাকে অসাধারণ করে তুলব, সবার জন্যব, সবার জন্যে...’
তবে ট্রাম্পের শপথের সময়ই প্রতিবাদকারীরা নিপীড়িত হয়েছে। রক্তাক্ত হয়েছে বিভক্ত আমেরিকা।
>>>বাংলা ট্রিবিউন
No comments:
Post a Comment