এবার
মালয়েশিয়ায় পাওয়া গেল চীনের ডুবোজাহাজ। কোটা কিনাবালু এলাকায় সেই
সাবমেরিনের নতুন একটি ছবি পাওয়া গেছে গুগল আর্থ–এ। এর আগে ভারত মহাসাগরে
ভাসতে দেখা গেছে এই ডিজেল ইলেকট্রিক ডুবোজাহাজকে। করাচি বন্দরেও অনেকদিন
ধরেই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল একটি ডুবোজাহাজকে। প্রশ্ন উঠেছিল, তবে কি
ভারতের বিরুদ্ধে পাক বন্দরকে ব্যবহার করতে চাইছে চীন?
এমনিতেই ভারত–চীন পারস্পরিক সম্পর্কে নানা টানাপোড়েন অব্যাহত। সার্জিকাল স্ট্রাইক-পরবর্তী সময়ে এই টানাপোড়েন আরো বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই চীন পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছে। মালয়েশিয়ায় এই ডুবোজাহাজকে দেখার পরও ভারতের উপর নজরদারির প্রশ্ন আসছে। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জাহাজকর্মীদের বিশ্রামের জন্যই ডুবোজাহাজটিকে মালয়েশিয়ার বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই ব্যাখ্যা কতটা বিশ্বাসযোগ্য, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে ভারতীয় গণমাধ্যমে। ভারতীয় মিডিয়ায় বলা হয়েছে, এই ডুবোজাহাজটিকে সম্প্রতি ভারত মহাসাগরেও দেখা গেছে। ভারত মহাসাগরে বা করাচির বন্দরে চীনের ডুবোজাহাজের কী প্রয়োজন আছে, তা নিয়ে ভারত-সংশ্লিষ্ট নানা মহলেই প্রশ্ন। এই সাবমেরিনটি দীর্ঘদিন পানির তলায় থাকতে পারে, সেখান থেকে নজরদারিও চালাতে পারে। সূত্রের খবর, চীনের কাছ থেকে আটটি ডুবোজাহাজ কিনছে পাকিস্তান। তার মধ্যে চারটি করাচি বন্দরেই তৈরি হবে। হয়তো সেই কারণেই এই জাহাজ দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। আগেও এটিকে করাচির বন্দরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। ভারতীয় নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিষয়টি খুবই উদ্বেগজনক। আমরাও চোখ কান খোলা রাখছি। তেমন পরিস্থিতি এলে নিশ্চয়ই উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এমনিতেই ভারত–চীন পারস্পরিক সম্পর্কে নানা টানাপোড়েন অব্যাহত। সার্জিকাল স্ট্রাইক-পরবর্তী সময়ে এই টানাপোড়েন আরো বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই চীন পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছে। মালয়েশিয়ায় এই ডুবোজাহাজকে দেখার পরও ভারতের উপর নজরদারির প্রশ্ন আসছে। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জাহাজকর্মীদের বিশ্রামের জন্যই ডুবোজাহাজটিকে মালয়েশিয়ার বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই ব্যাখ্যা কতটা বিশ্বাসযোগ্য, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে ভারতীয় গণমাধ্যমে। ভারতীয় মিডিয়ায় বলা হয়েছে, এই ডুবোজাহাজটিকে সম্প্রতি ভারত মহাসাগরেও দেখা গেছে। ভারত মহাসাগরে বা করাচির বন্দরে চীনের ডুবোজাহাজের কী প্রয়োজন আছে, তা নিয়ে ভারত-সংশ্লিষ্ট নানা মহলেই প্রশ্ন। এই সাবমেরিনটি দীর্ঘদিন পানির তলায় থাকতে পারে, সেখান থেকে নজরদারিও চালাতে পারে। সূত্রের খবর, চীনের কাছ থেকে আটটি ডুবোজাহাজ কিনছে পাকিস্তান। তার মধ্যে চারটি করাচি বন্দরেই তৈরি হবে। হয়তো সেই কারণেই এই জাহাজ দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। আগেও এটিকে করাচির বন্দরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। ভারতীয় নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিষয়টি খুবই উদ্বেগজনক। আমরাও চোখ কান খোলা রাখছি। তেমন পরিস্থিতি এলে নিশ্চয়ই উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

No comments:
Post a Comment