শেষ
হল ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ১৫তম আসর। ২০ জানুয়ারি রাতে জাতীয়
জাদুঘরের প্রধান মিলনায়নে আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পর্দা নামল।
এবারের আসরে শ্রেষ্ঠত্বের বিচারে ২৫টি চলচ্চিত্রকে পুরস্কৃত করা হয়।
সমাপনী
আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। উৎসবে সেরা
শিশুতোষ চলচ্চিত্র হিসেবে ‘বাদল রহমান পুরস্কার’ পেয়েছে ফিলিপাইনের মারসেইল
সি কারিগর ‘পিটং কাবাং পালাই’, দর্শক বিচারে সেরা চলচ্চিত্র ভারতের ববি
সারমা বারুহের ‘সোনার বরণ পাখি’, সেরা ফিচার চলচ্চিত্র আজারবাইজানের
মিরবালা সালিমলির ‘কিরমিজি বাগ’, সেরা ফিচার চলচ্চিত্রে বিশেষ পুরস্কার
পেয়েছে নাদের চৌধুরীর অনুদানের ছবি ‘লালচর’, সেরা প্রামাণ্যচিত্র
নেদারল্যান্ডসের অ্যানি ক্রিস্টেন তিরারডটের ‘আইসল্যান্ডস অব দ্য নেকস’,
প্রামাণ্যচিত্রে বিশেষ পুরস্কার পেয়েছে ইতালির মার্কো জুইনের ‘লা সেদিয়া
ডি কার্টুনে’, সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ইরানের আলি মারদোমির ‘দ্য
সেমেন্টারি ম্যান’। কমনারী চলচ্চিত্রকার বিভাগে সেরা ফিচার চলচ্চিত্র হয়েছে
ইরানের ইদা পানাহানদেহের ‘নাহিদ’, ফিচার চলচ্চিত্রে বিশেষ পুরস্কার পেয়েছে
তুরস্কের ইমিনে ইমেল বালচির ‘আনটিল আই লস মাই ব্রেথ’, সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য
চলচ্চিত্র সাইপ্রাসের মাইরসিনি আরিস্টোদাওয়ের ‘সিমেল’,
স্বল্পদৈর্ঘ্য
বিভাগে বিশেষ পুরস্কার পেয়েছে নেপাল ও ইরানের দুই নির্মাতা ফাতেমে আহমাদি ও
আসমিতা শিরিষের ‘চন্দ্র’, সেরা প্রামাণ্যচিত্র বাংলাদেশের শবনম ফেরদৌসীর
‘জন্মসাথী’, প্রামাণ্যচিত্রে বিশেষ পুরস্কার পেয়েছে মেসিস্কোর নাতালিয়া
ব্রুসচেস্টেইনের ‘এল টেম্পো সাসপেন্ডিডো’। স্বল্প ও মুক্ত চলচ্চিত্র বিভাগে
সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র সিরিয়ার আমের-আল-বারঝাওইয়ি ‘ইয়ামান’, বিশেষ
পুরস্কার পেয়েছে ভারতের শিবপ্রসাদকে ভির ‘আপ্পোপানথাডি’ ও বাংলাদেশের তারেক
আজিজ নিশকের ‘প্যারালাল জার্নি’, সেরা প্রামাণ্যচিত্র মিয়ানমারের সো
আর্কার হুটানের ‘এ পলিটিক্যাল লাইফ’ ও নেপালের গণেশ পান্ডের ‘নেপাল
আর্থকুইক : হিরোজ, সারভাইরস অ্যান্ড মিরাকেল’। এ ছাড়াও তৌকীর আহমেদের
‘অজ্ঞাতনামা’ চলচ্চিত্রকে বিশেষ সম্মাননা দেয়া হয়।

No comments:
Post a Comment