নেইমার-মেসি-সুয়ারেজের
নৈপুন্যে শেষ আটে উঠেছে বার্সেলোনা। আথলেতিক বিলবাওকে হারিয়ে কোপা দেল রের
শেষ আটে উঠেছে লুইস এনরিকের দল। কাম্প নউয়ে শেষ ষোলোর ফিরতি লেগে বিলবাওকে
৩-১ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৩ গোলে এগিয়ে
কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠলো কাতালান ক্লাবটি। প্রথম লেগে ২-১ গোলে পিছিয়ে থাকায়
শেষ আটে উঠতে জিততেই হতো বার্সেলোনার, গোলের সমীকরণটাও রাখতে হতো পক্ষে।
নিজেদের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণে ওঠে মেসি-নেইমাররা। শুরুতে অতিথিদের জমাট
রক্ষণে খুব একটা সুবিধা করতে পারছিল না তারা। তিন দিন আগে লিগে ভিয়ারিয়ালের
মাঠে রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্তে পয়েন্ট হারাতে হয়েছিল বার্সেলোনাকে।
২৭তম মিনিটে নেইমারের বাড়ানো বল ধরে জালে পাঠিয়েছিলেন সুয়ারেস;
কিন্তু
অফসাইডের কারণে গোল হয়নি। ব্রাজিলিয়ান তারকার বিরুদ্ধে অফসাইডের পতাকা
উঠলেও টিভি রিপ্লেতে পরিষ্কার দেখা যায়, অনসাইডে ছিলেন তিনি। ৩৫তম
মিনিটে বার্সেলোনার এগিয়ে যাওয়া গোলের উৎস মেসি, মাঝমাঠের কাছে এক জনকে
কাটিয়ে বাঁ-দিকে পাস দেন তিনি। বল ধরে কিছুটা এগিয়ে ডান দিকে দারুণ এক ক্রস
দেন নেইমার আর অসাধারণ এক কোনাকুনি ভলিতে কাম্প নউকে উল্লাসে ভাসান
সুয়ারেস। ক্লাবের হয়ে উরুগুয়ের এ তারকার এটি শততম গোল। দ্বিতীয়ার্ধের
শুরুতেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে ফেলে বার্সেলোনা। বাঁ-দিকের বাইলাইনের কাছ
থেকে ক্ষিপ্র গতিতে ডি-বক্সে ঢুকে পড়া নেইমারকে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার বোভেদা
ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পটকিকে নিজেই বল জালে পাঠিয়ে
প্রায় তিন মাস পর গোল করার আনন্দে মাতেন নেইমার জুনিয়র। স্বাগতিক সমর্থকদের
২ গোলে এগিয়ে যাওয়ার উচ্ছ্বাস অবশ্য কিছুক্ষণ পরেই মিইয়ে যায়। ৫১তম মিনিটে
ডানদিক থেকে স্বদেশি ফরোয়ার্ড ইনাকি উইলিয়ামসের ক্রসে হেডে বল জালে জড়িয়ে
দলকে ম্যাচে ফেরান স্প্যানিশ ডিফেন্ডার সাবোরিত। ৬৭তম মিনিটে সুয়ারেস গোল
করার মতো পজিশনে ফাঁকায় বল পেয়েও বাইরে মেরে সুযোগ নষ্ট করেন। ৭৮তম মিনিটে
অবশেষে ফ্রি-কিকে মেসি জাদু। তার দারুণ বাঁকানো শট ডান পোস্টে লেগে জালে
জড়ায়। মেসির এই গোলেই জয় নিশ্চিত হয় বার্সার।

No comments:
Post a Comment