সিলেটের
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার শাহ আরেফিন টিলায় ৬ শ্রমিক নিহত ও লাশ গুমের অভিযোগ
তদন্তে দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমববার রাতে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের
পক্ষ থেকে এই দুটি কমিটি গঠন করা হয়। জেলা প্রশাসনের গঠিত এক সদস্যের
কমিটির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা হাকিম (এডিএম) আবু
সাফায়াৎ মুহম্মদ শাহেদুল ইসলামকে। দু’দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমার
নির্দেশ দিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক জয়নাল আবেদীন। অপরিদেক, সিলেটের
সহকারী পুলিশ সুপার (উত্তর) হাসনাত আহমেদকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট
আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা পুলিশ। এই কমিটিকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে
প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
(গণমাধ্যম) সুজ্ঞান চাকমা। মঙ্গলবার দুপুরে দুটি তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থলের
উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছেন। এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,
নিহত শ্রমিকদের
মধ্যে দু’জনের লাশ গোপনে গ্রামের বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পথে আটক করেছে নেত্রকোণা
জেলার পূর্বধলা থানা পুলিশ। গত সোমবার ভোরে শাহ আরেফিন টিলার মাটি খুঁড়ে
পাথর উত্তোলনের সময় চাপা পড়ে গর্তে ৬ শ্রমিক নিহত ও তাদের লাশ গুমের অভিযোগ
উঠে। অথচ দিনভর কোনো লাশই উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। পাথর উত্তোলনে
নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এই টিলায় এমন ঘটনা ঘটায় তোলপাড় শুরু হয় প্রশাসনে।
এরই প্রেক্ষিতে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি
গঠন করা হয়। অপরদিকে, শাহ আরেফিন টিলায় মাটি খুঁড়ে পাথর উত্তোলনের সময়
সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার লোভাছড়া পাথর কোয়ারিতে মাটিচাপা পড়ে এক শ্রমিক
নিহত হয়েছেন। তার নাম সুহেল আহমদ(২৫)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভপুর
উপজেলার মাজেরটেক গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।

No comments:
Post a Comment