অনুমতি
না নিয়ে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার কাছিয়াবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে
শ্রেণী কক্ষ নির্মাণের অজুহাত দেখিয়ে ১৮টি গাছ কর্তন করা হয়েছে। ওই
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নির্দেশেই গাছগুলো কর্তন করা হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে উপজেলার কাছিয়াবুনিয়া মাধ্যমিক
বিদ্যালয় থেকে ২টি চাম্বুল এবং ১৬টি মেহগনি গাছ কর্তন করা হয়। এখন সেখানে
চিহ্ন হিসেবে পড়ে আছে শুধু গাছের গোড়া। কর্তন করা ওইসব গাছ কাছিয়াবুনিয়া
বাজার সংলগ্ন করাতকলে (সোয়ামিল) স্তুপ করে রাখা হয়েছে। জানা গেছে, অনুমতি
না নিয়েই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মনজুরুল আলমের নির্দেশে
গাছগুলো কর্তন করা হয়েছে।
কর্তনকৃত গাছগুলো কাছিয়াবুনিয়া বাজারের মজিবর
জোমাদ্দারের মালিকানাধীন করাতকলে রাখা হয়। করাতকল মালিক মজিবর জোমাদ্দার
বলেন, স্কুলের হেড মাস্টার (ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক) ১৮টি গাছ আমার
সোয়ামিলে কাটাতে দিয়ে গেছে। জানতে চাইলে রাঙ্গাবালীর কাছিয়াবুনিয়া মাধ্যমিক
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মনজুরুল আলম বলেন, বিদ্যালয়ের কক্ষ
সংকট থাকায় কারিতাসের ছাদে নতুন দুইটি কক্ষ নির্মাণের জন্য গাছগুলো কাটা
হয়েছে। বিদ্যালয়ের পিটিআই কমিটির সিদ্ধান্ত নিয়েই গাছ কাটা হয়েছে। তবে
ইউএনও স্যারের অনুমতি নেইনি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোকলেছুর
রহমান বলেন, বিদ্যালয়ে গাছ কাটার ক্ষেত্রে ম্যানেজিং (পরিচালনা পর্ষদ)
কমিটি সিদ্ধান্ত পরে প্রশাসনের অনুমোদন নিতে হয়। শুধু ম্যানেজিং কমিটি
সিদ্ধান্ত নিলেই হবে না। তিনি বলেন, কাছিয়াবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গাছ
কাটার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তাছাড়া ওই বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটিও গঠন
করা নেই। ম্যানেজিং কমিটি না থাকলে তারা প্রশাসনের কাছে যাওয়ার সুযোগ নেই। এ
বিষয়ে আমি প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে দেখব। এ ব্যাপারে উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে) এবিএম সাদিকুর রহমান বলেন, আমি এ
বিষয়ে কিছু জানি না। তবে খোঁজ নিয়ে দেখব।

No comments:
Post a Comment