সাবেক
মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেছেন,
‘জনগণের জানমাল রক্ষায় পদ্মার ভাঙন রোধে বাঁধ নির্মিত হচ্ছে। এটা দেখভালের
দায়িত্ব এলাকাবাসীর। আমি নির্বাচনের সময় ওয়াদা করেছিলাম- দোহারের নয়াবাড়ী
ইউনিয়নের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নদীর ভাঙন রক্ষায় কাজ করব। আল্লাহর রহমতে
এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সদিচ্ছায় সেটা শুরু করতে পেরেছি।’
শুক্রবার দুপুরে দোহারের নয়াবাড়ী ইউনিয়নের বাহ্রাঘাট এলাকায় ২১৭ কোটি টাকা
ব্যয়ে পদ্মার ভাঙন রক্ষাবাঁধ নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শনকালে এক অনুষ্ঠানে
তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সালমা ইসলাম এমপি দুস্থ মানুষের মাঝে বস্ত্র
বিতরণ করেন। তিনি বলেন, ‘আপনাদের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। অনেকে আপনাদের
ভুল বোঝাতে পারে। পদ্মার ভাঙন রক্ষাবাঁধ নির্মাণ ছিল আমার প্রধান
প্রতিশ্র“তি। আপনাদের দোয়ায় সেটা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে অরঙ্গাবাদ থেকে
বাহ্রাঘাট পর্যন্ত সাড়ে ৩ কিমি. পরে মাহমুদপুর, বিলাশপুর ও নারিশা পর্যন্ত
আরও ১৬ কিমি. কাজ হবে। এটাও প্রক্রিয়াধীন।
বর্তমান সরকারের সহযোগিতায় ও
আমার প্রচেষ্টায় দোহারের নদীভাঙন রোধে বাকি কাজও শেষ করতে চাই। যাতে
দোহারের চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ নদীভাঙন দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পায়। সে বিষয়ে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও চিন্তা করছেন। আশা করি, উনার চিন্তার প্রতিফলন ঘটলে
দোহারবাসী এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।’ সালমা ইসলাম এমপি আলোচনা
অনুষ্ঠান শেষে সি-বোটে ঘুরে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন ও চলমান প্রকল্পের কাজের
অগ্রগতি দেখেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা খন্দকার
নুরুল আনোয়ার বেলাল, নবাবগঞ্জ উপজেলা সদস্য সচিব শরফুদ্দীন আহমেদ শরীফ,
যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ন কবির, জুয়েল আহমেদ, জাহাঙ্গীর চোকদার, আবদুল গফুর,
দোহারের ডা. আলাউদ্দিন আল আজাদ, আবদুল আলীম, হায়দার বেপারি, আফজাল শিকদার,
ডা. আবদুল হাকিম, ইয়াকুব মাতবর, নারী নেত্রী আসমা আক্তার রুমি, শিল্পী
ইসলাম, গিয়াসউদ্দিন, জসীম উদ্দিন পান্নু, রাজিব খান, জুবায়ের আহমেদ, নজরুল
ইসলাম, মনির হোসেন প্রমুখ।

No comments:
Post a Comment