গাইবান্ধা-১
(সুন্দরগঞ্জ) আসনে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে বাসায়
ঢুকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিন যুবক
বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের শাহাবাজ এলাকায় এমপি লিটনের বাসায় ঢুকে অতর্কিত গুলি
চালায়। এ সময় এমপি লিটনের বুকে ও হাতে গুলি লাগে। গুলি ছোড়ার পরপরই ওই
যুবকরা পালিয়ে যায়। এরপর এমপি লিটনকে মুমূর্ষু অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে নেয়া হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। রংপুর মেডিকেলের
চিকিৎসক বিমল চন্দ্র রায় জানিয়েছেন, লিটনের শরীরে ৫টি গুলির চিহ্ন পাওয়া
গেছে। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠে সুন্দরগঞ্জ। ঘটনার
রাতেই সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করে সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ। তাদের
জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দুর্বৃত্তের গুলিতে এমপি লিটনের নিহত হওয়ার ঘটনায়
শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি অবিলম্বে খুনিদের খুঁজে
বের করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। শোক জানিয়েছেন, স্থানীয়
সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। আইজিপি একেএম
শহীদুল হক শনিবার রাতে মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে বলেন, ‘এমপির খুনি যারাই হোক
খুব দ্রুতই ধরা পড়বে। ঘটনার আগে বাসায় ফিরে তিনি এসকর্টে থাকা পুলিশ
সদস্যদের বিদায় করে দেন। এরপরই গুলিবিদ্ধ হন। তিনি ডিআইজি ও এসপিকে দ্রুত
ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছেন।’ এমপি লিটন হত্যার প্রতিবাদে ও অপরাধীদের গ্রেফতার
দাবিতে আজ সুন্দরগঞ্জে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত হরতাল ডাকা
হয়েছে। শনিবার রাত ১১টায় সুন্দরগঞ্জ পৌর মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা
আবদুল্লাহ-আল-মামুন এ হরতাল কর্মসূচির কথা জানান। শনিবার রাতেই আওয়ামী
লীগের একটি প্রতিনিধি দল সুন্দরগঞ্জের পথে রওনা দিয়েছে। জানা গেছে, লিটনের
বাসার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জব্দ করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে বেশ কয়েকটি
গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য লিটনের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করে খুনিদের শনাক্তের
চেষ্টা করছেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে রংপুরের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক ও
এডিশনাল ডিআইজি বছির আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। গাইবান্ধা জেলা পুলিশ
সুপার আশরাফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে বলেন,
এমপি মহোদয়ের স্ত্রী ফোন করে তার (এমপির) গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবরটি আমাদের
জানিয়েছেন।
পরে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে প্রত্যক্ষদর্শীসহ সবার বক্তব্য
নেয়া হয়। হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, পূর্বশত্রুতার কারণে এ
হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। তদন্ত না করে এ মুহূর্তে কিছু বলা যাবে না।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য পীযূষ কান্তি ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের
বলেন, দেশে যখন শান্তি বিরাজ করছে সন্ত্রাসীরা তখন জনমনে ভীতি ছড়াতে এ
ধরনের হামলা চালিয়েছে। তিনি বলেন, এ ঘটনা সবার মধ্যে আতংক ছড়াবে এটা
স্বাভাবিক। তিনি বলেন, ওই এলাকা জামায়াত-বিএনপিতে ভরা। তাই প্রথম সন্দেহ
তাদের দিকেই। সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে এমপি লিটনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের
প্রধান বিমল চন্দ্র রায় জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অপারেশন থিয়েটারে এমপি
লিটনের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে বিমল চন্দ্র রায় বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন,
গুরুতর আহতাবস্থায় এমপিকে যখন হাসপাতালে আনা হয় তখনই হৃৎস্পন্দন পাওয়া
যায়নি। তিনি জানান, এমপি লিটনের শরীরে ৫টি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে, দুটো
গুলি তার বুকে ও বাকি তিনটি হাতে লেগেছে। বিমল চন্দ্র রায় বলেছেন, দেখে মনে
হচ্ছে খুব কাছ থেকে তাকে গুলি করা হয়েছে। রংপুর হাসপাতালে রাত পৌনে ৮টার
দিকে এমপি লিটনের ভগ্নিপতি বাদল রহমান জানান, তিন দুর্বৃত্ত এমপি লিটনকে
গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপারেশন থিয়েটারেই তার মৃত্যু হয়। এ সংসদ সদস্যের
স্ত্রী সৈয়দা খুরশিদ জাহান বলেন, ‘মাগরিবের নামাজের পরপর মোটরসাইকেলে
অজ্ঞাত পরিচয় তিন যুবক বাড়িতে ঢুকে গুলি করে পালিয়ে যায়।’ এমপির কর্মচারী
জুয়েল সাংবাদিকদের বলেন, ‘সন্ধ্যায় মোটরসাইকেলে ৫ যুবক স্যারের কাছে আসেন।
এদের মধ্যে তিনজন ঘরে ঢুকে স্যারের সঙ্গে কথা বলতে না বলতেই এলোপাতাড়ি গুলি
করে চলে যায়।’ বাকি দু’জন মোটরসাইকেলে বসা ছিল। গুলি চালানোর পরপরই তিনজন
দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। যুবকরা হেলমেট পরা ছিল বলে
তিনি জানান। ঘটনার পর লিটনের সমর্থকরা বামনডাঙ্গা-নলডাঙ্গা সড়ক অবরোধ করে
বিক্ষোভ শুরু করেন। এমপি লিটনের শ্যালক বেদারুল আহসান বেতার জানান,
২৯
ডিসেম্বর রাতে তিনি ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। বিকাল থেকে তিনি বাড়িতে ছিলেন।
শনিবার সন্ধ্যায় টিভিএস মোটরসাইকেলে তিন যুবক এমপি লিটনের বাড়িতে আসে। ওই
যুবকদের মুখ মাফলারে পেঁচানো ছিল। একজন মোটরসাইকেল নিয়ে বাইরে দাঁড়িয়েছিল।
দু’জন শ্যালক বেতারের কাছে এসে এমপি লিটনের অবস্থান জানতে চায়। পরে তিনি
ঘরে আছেন বললে দুই যুবক ঘরে ঢুকেই এলোপাতাড়ি গুলি করে। এরপর তারা দৌড়ে ঘর
থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। বেদারুল আহসান বেতার বলেন, এমপি
চিৎকার করে বলতে থাকেন, আমাকে গুলি করেছে, আমাকে বাঁচা, ওদের ধর। স্থানীয়রা
জানান, এমপি লিটনের বাড়ির পাশে স্থানীয়রা একটি ইসলামী জলসার (তাফসিরুল
মাহফিল) আয়োজন করেন। বাদ আসর শুরু হওয়া তাফসিরুল মাহফিলে আশপাশের লোকজনসহ
বহিরাগতদের সমাগম ছিল। রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি খোন্দকার গোলাম ফারুক শনিবার
রাতে মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে বলেন, খবর পেয়ে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে যান। কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে কোনো কিছুই ধারণা করতে পারছেন
না। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ নেয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ময়নাতদন্ত শেষে এমপি লিটনের
লাশ আজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
সুন্দরগঞ্জে
আজ হরতাল : সুন্দরগঞ্জে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল চলাকালে সমাবেশ, বিক্ষোভ
মিছিলও অনুষ্ঠিত হবে। শোকের চিহ্ন হিসেবে নেতাকর্মীরা আগামী ৩ দিন কালো
ব্যাজ ধারণ করবেন। আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল্লাহ-আল-মামুন জানান, অপরাধীরা
গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। এর আগে ওই হত্যাকাণ্ডের
প্রতিবাদে উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা উপজেলা সদরে
বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরে বঙ্গবন্ধু চত্বরে এক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- পৌর
মেয়র আবদুল্লাহ-আল-মামুন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম
প্রমুখ। এ সময় তারা এ ঘটনায় জামায়াত-শিবিরকে দায়ী করে স্লোগান দেয়।
বিক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা রাত সোয়া ১১টার দিকেও
বামনডাঙ্গা-নলডাঙ্গা সড়কের উত্তর শাহবাজ গ্রামের এমপি মোড় ও
সুন্দরগঞ্জ-বামনডাঙ্গা-রংপুর সড়কের বামনডাঙ্গা তিন রাস্তার মোড়, বামনডাঙ্গা
উত্তর ও দক্ষিণ রেল গেটে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
সুন্দরগঞ্জের পথে আওয়ামী লীগ প্রতিনিধি দল : আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক শনিবার রাত ১১টার দিকে সুন্দরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। এমপি লিটনকে বিএনপি-জামায়াতের নাশকতাকারীরা হত্যা করেছে বলে ধারণা করছেন জাহাঙ্গীর কবির নানক।
জড়িত সন্দেহে আটক ৩ : এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার মধ্যরাতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা থেকে তাদের আটক করা হয় বলে জানান সুন্দরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আশরাফুল ইসলাম। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি তাদের নাম জানাতে পারেননি।
তিনি যুগান্তরকে বলেন, তারা তিনজনই জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে জামায়াত-শিবির জড়িত থাকতে পারে এমন সন্দেহে তাদের আটক করা হয়েছে। আটকদের নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হচ্ছে।
সুন্দরগঞ্জের পথে আওয়ামী লীগ প্রতিনিধি দল : আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক শনিবার রাত ১১টার দিকে সুন্দরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। এমপি লিটনকে বিএনপি-জামায়াতের নাশকতাকারীরা হত্যা করেছে বলে ধারণা করছেন জাহাঙ্গীর কবির নানক।
জড়িত সন্দেহে আটক ৩ : এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার মধ্যরাতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা থেকে তাদের আটক করা হয় বলে জানান সুন্দরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আশরাফুল ইসলাম। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি তাদের নাম জানাতে পারেননি।
তিনি যুগান্তরকে বলেন, তারা তিনজনই জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে জামায়াত-শিবির জড়িত থাকতে পারে এমন সন্দেহে তাদের আটক করা হয়েছে। আটকদের নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হচ্ছে।
শিশুকে
গুলি করে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি এমপি লিটন : সুন্দরগঞ্জের গোপালচরণ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র শাহাদাত হোসেন সৌরভকে
গুলি করে হত্যাচেষ্টার মামলার আসামি এমপি লিটন। তিনি জামিনে ছিলেন। ২০১৫
সালের ২ অক্টোবর সকালে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার গোপালচরণ গ্রামের বাড়ির পাশের
সড়কে চাচার সঙ্গে হাঁটতে বের হয় শিশু শাহাদাত। তখন সে এমপি লিটনের গুলিতে
আহত হয়। এ ঘটনায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ব্যাপক আন্দোলন হয়। ৩ অক্টোবর রাতে
শাহাদাতের বাবা সাজু মিয়া হত্যাচেষ্টা ও গুরুতর জখমের অভিযোগে লিটনের
বিরুদ্ধে সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। ১৪ অক্টোবর রাতে গ্রেফতার হন তিনি।
পরে মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন জামিন পান।
একনজরে এমপি লিটন : জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট সূত্র থেকে জানা গেছে, গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের আওয়ামী লীগের এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের জন্ম ১৯৬৮ সালে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হন। তিনি একজন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারও। তার পেশা কৃষি ও ব্যবসা। তিনি আনন্দ গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানেরও পরিচালক। সুন্দরগঞ্জের স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের একমাত্র ছেলে ঢাকায় একটি কলেজে একাদশ শ্রেণীতে পড়ছে। ঢাকায় সে তার ফুপুর বাসায় থাকে।
একনজরে এমপি লিটন : জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট সূত্র থেকে জানা গেছে, গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের আওয়ামী লীগের এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের জন্ম ১৯৬৮ সালে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হন। তিনি একজন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারও। তার পেশা কৃষি ও ব্যবসা। তিনি আনন্দ গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানেরও পরিচালক। সুন্দরগঞ্জের স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের একমাত্র ছেলে ঢাকায় একটি কলেজে একাদশ শ্রেণীতে পড়ছে। ঢাকায় সে তার ফুপুর বাসায় থাকে।

No comments:
Post a Comment