জেলার
সাটুরিয়ার মন্ডল পাড়া গ্রামের শুক্রবার দিবাগত রাতে ডাকাতির ঘটনায় ডাকাত
সহ ৪ জন আহত হয়েছে। ডাকাতরা ব্যাবসায়ীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ২০ ভরি
স্বর্ণ, ৬০ ভরি রোপাসহ প্রায় ৯ লক্ষ টাকার মালা মাল লুট করে নিয়েছে।
পালানোর সময় এক ডাকাত তে গ্রামবাসী গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিয়েছে। বিষয়টি
নিশ্চিত করে সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুল্লাহ সরকার
জানান,
শুক্রবার মধ্যরাতে সাটুরিয়ার বাজারের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী সত্য সাহার
বাড়ীতে ডাকাতীর ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনা স্থলে গিয়ে এক ডাকাত কে আটক
করেছি। আটক ডাকাত ঢাকার ধামরাই উপজেলার ছোট ভাকুলিয়া গ্রামের আবুল হোসেনের
পুত্র সোহলে রানা (৩০)। সত্যবাবুর স্ত্রী মায়া রানী জানান, শুক্রবার
প্রতিদিনের মত রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়ি, রাত ১ টার দিকে ২০-২৫ ডাকাতের দল
আমার বড় ছেলে সুদেব সাহার ঘরে দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে দুই পত্রবধু ও ছেলে
কে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। ঘরে ৮ ডাকাত প্রবেশ করলেও বাকী ১৭ ডাকাত
ঘরে বাহিরে অবস্থান করে। আমার দুই ছেলের ঘর থেকে ২০ ভরি স্বর্ণ, ৬০ ভরি
রোপা এবং নগদ ৬০ হাজার টাকা লুট করে নেয়। এসময় ডাকাতরা আতংক সৃষ্টি করার
জন্য ফাকা গুলি ছোড়ে। ডাকাতির সময় দুই পুত্রবধু ও সুদেব সাহা বাধা দিলে
তাদের মারধর করে। আহতদের মধ্যে সুদেব সাহার অবস্থা আশংকা জনক। তার মাথার রড
দিয়ে আঘাতের কারনে ১৪ টি শিলাই করা হয়েছে বলেও জানান তার মা মায়া রানী।
ডাকাতরা পালিয়ে যাবার সময় গ্রামবাসী এক ডাকাত কে গণ ধোলাই দিয়েছে।
পরে
শনিবার ভোরে ঘটনা স্থলে সাটুরিয়া থানা পুলিশ গিয়ে আহত ব্যাবসায়ী ও ডাকাত কে
উদ্ধার করে সাটুরিয়া হসপিটালে ভর্তি করে। এ ব্যাপারে সাটুরিয়া হসপিটালের
কর্তব্যরত চিকিৎসক শনিবার দুপর ১২ টার দিকে জানান, ডাকাতদের আঘাতে আহত
সুদেব সাহা কে সিটি ইস্ক্যান করার জন্য সাভারের পপুলারে পাঠানোর পক্রিয়া
চলছে, আর আহত ডাকাতের নাকে জখম হয়েছে তাকেও মানিকগঞ্জ সদর হসপিটালে পাঠানের
পক্রিয়া চলছে। আর আহত দুই নারীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুল্লাহ সরকার
শনিবার দুপর সোয়া ১২ টার দিকে জানান, আটক ডাকাত সোহেল কে প্রাথমিক চিকিৎসা
দিয়ে সকাল থেকে জিঙ্গাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে একটি মামলা প্রকিয়াধীন
ছাড়াও প্রয়োজনী তথ্য নিয়ে ডাকাতি হওয়া স্বর্ণাঅলংকারসহ বাকী ডাকাত আটক করার
অভিযান পরিচালনা করা হবেও জানান পুলিশের ঐ কর্মকর্তা।

No comments:
Post a Comment