মুসলিম
উম্মাহর সুদৃঢ় ঐক্য, দুনিয়া ও আখিরাতের শান্তি, দেশের কল্যাণ কামনা করে
আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে রোববার শেষ হয়েছে ৫২তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম
পর্ব। তাৎপর্যপূর্ণ এ মোনাজাতে আত্মশুদ্ধি ও গুনাহ মাফের জন্য মহামহিম
আল্লাহর দরবারে কায়মনোবাক্যে আকুতি জানান মুসল্লিরা। তাদের ‘আমিন,
আল্লাহুমা আমিন’ ধ্বনিতে কেঁপে ওঠে তুরাগতীর। মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশ্ব
তাবলিগ জামাতের শীর্ষস্থানীয় মুরুব্বি ভারতের হজরত মাওলানা মুহাম্মদ সা’দ।
১১টা ০১ মিনিটে শুরু হয় মোনাজাত। ৩৫ মিনিটব্যাপী মোনাজাতে মাওলানা সা’দ
প্রথম ১০ মিনিট পবিত্র কোরআনে বর্ণিত দোয়ার আয়াতগুলো উচ্চারণ করেন। শেষ ২৫
মিনিট দোয়া করেন উর্দু ভাষায়। ইজতেমা ময়দান ছাড়াও ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কসহ
আশপাশের সব সড়ক, রেলপথ, মার্কেট-বাড়িঘর- যে যেখানে পারেন হাত তোলেন
মোনাজাতে। কান্নায় বুক ভাসান। বেশক’টি রেডিও ও টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার
করে আখেরি মোনাজাত। এ সুবাদে দেশে-বিদেশে আরও বহু মানুষ শরিক হন মোনাজাতে।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বঙ্গভবন থেকে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন
থেকে এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গুলশানে নিজ বাসভবন থেকে আখেরি
মোনাজাতে অংশ নেন। আবদুল হামিদ দরবার হলে পরিবারের সদস্য ও
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে, শেখ হাসিনা নিকট আত্মীয়দের কয়েকজন এবং
কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী ও সাহারা খাতুনসহ কয়েকজনকে নিয়ে এবং পরিবারের
সদস্যদের নিয়ে খালেদা জিয়া মোনাজাতে অংশ নেন। এদিন রাজধানী ঢাকা ছিল প্রায়
ফাঁকা। আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে টঙ্গী, গাজীপুর, উত্তরাসহ চারপাশের এলাকার সব
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কল-কারখানা, মার্কেট, বিপণিবিতান, অফিসসহ সবকিছু ছিল
বন্ধ। ফলে সব শ্রেণীপেশার মানুষ শরিক হন মোনাজাতে। তবে মোনাজাত শেষে
একসঙ্গে সব মুসল্লি ফিরতে গিয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, কামারপাড়া সড়ক,
টঙ্গী-কালীগঞ্জ সড়ক, আহসান উল্লাহ মাস্টার উড়াল সেতু ও আশপাশের সড়ক-মহাসড়ক
এবং সংযোগ সড়কগুলোতে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ জনজট ও যানজট। যানবাহন না পেয়ে বহু পথ
হেঁটেইে অনেকে ফেরেন গন্তব্যে। এ সুযোগে পাবলিক পরিবহনগুলোও দ্বিগুণ থেকে
চারগুণ পর্যন্ত ভাড়া নেয়। ২০ জানুয়ারি শুক্রবার থেকে শুরু হবে এবারের
দ্বিতীয় পর্ব। ২২ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের বিশ্ব
ইজতেমা। প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে রোববার ভোর থেকে মুসল্লিরা হেঁটেই ইজতেমা
স্থলে পৌঁছান। সকাল ৮টার আগেই ইজতেমা মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। পরে
মুসল্লিরা মাঠের আশপাশের রাস্তা, অলি-গলি, বিভিন্ন ভবনের ছাদে অবস্থান নেন।
ইজতেমাস্থলে পৌঁছাতে না পেরে কয়েক লাখ মানুষ কামারপাড়া সড়ক ও
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নেন। পুরনো খবরের কাগজ, পাটি, সিমেন্টের
বস্তা ও পলিথিন বিছিয়ে বসে পড়েন। এ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী বাসাবাড়ি,
কল-কারখানা, অফিস-দোকানের ছাদে, যানবাহনের ছাদে ও তুরাগ নদে নৌকায়
মুসল্লিরা অবস্থান নেন। বিশেষ ট্রেনে আসা বহু মানুষ ট্রেনেই থেকে যান। যে
দিকেই চোখ যায় সে দিকেই দেখা যায় শুধু টুপি আর পাঞ্জাবি পরা মানুষ।
ইজতেমাস্থলের চারপাশের তিন-চার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কোথাও তিল ধারণের ঠাঁই
ছিল না। মোনাজাতে যা বলা হয় : মাওলানা সা’দ মোনাজাতে বলেন, হে আল্লাহ
আমাদের অন্তর থেকে কুফরি, মোনাফেকি দূর করে দাও। তোমার নির্দেশিত পথে চলার
তৌফিক দাও। আমাদের সব নেক চাহিদা পূরণ করে দাও। হে রাহমানুর রাহিম আমাদের
ওপর রহম করো, যেভাবে তুমি তোমার নেক বান্দাদের ওপর করেছ। আমাদের রোগ-ব্যাধি
থেকে মুক্তি দাও। হে আল্লাহ, আমাদের পরিপূর্ণ ইমান দাও। দীনের ওপর আমাদের
চলা সহজ করে দাও। তুমি আমাদের ওপর সন্তুষ্ট হয়ে যাও। আমরা যেন তোমার
সন্তুষ্টি মাফিক চলতে পারি সে তওফিক দাও। দুনিয়ার সব বালা-মুসিবত থেকে
আমাদের হেফাজত করো। নবীওয়ালা জিন্দেগি আমাদের নসিব করো। ইজতেমাকে কবুল করো।
হেদায়েতি বয়ান : মাওলানা মুহাম্মদ সা’দ বলেন, দুনিয়া দুনিয়ার জায়গায় থাকবে। আখিরাতে দুনিয়ার কোনো সম্পদ কাজে লাগবে না। শুধু দীন ও আমলই কাজে লাগবে। আল্লাহ সবসময় ডাকছেন বান্দা তার কাছে কিছু চাক। আল্লাহ বান্দাদের দেয়ার জন্য সবসময় তাকে ডাকার অপেক্ষায় থাকেন। মাওলানা সা’দ আরও বলেন, আমাদের ওপর বৃষ্টির ফোঁটার মতো পেরেশানি ধেয়ে আসছে। এ থেকে রক্ষার জন্য আমাদের ঈমানি শক্তিকে আরো মজবুত করতে হবে। ধাবিত হতে হবে আখেরাতের দীর্ঘ জিন্দিগির দিকে। যিনি এখলাছের সাথে দীনের কাজ করবেন তিনিই কামিয়াব হবেন। আল্লাহকে খুশি করার জন্য কাজ করলে জীবনে সফলতা আসে। সবচেয়ে বড় আমল হল দীনের কাজে আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়া। মাওলানা সা’দ বলেন, আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করে নিজের কৃতকর্মের অনুশোচনার মাধ্যমে তার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। চোখের পানি ফেলে মোনাজাত করতে হবে।
অতিরিক্ত মাইক : আখেরি মোনাজাত প্রচারের জন্য গণযোগাযোগ অধিদফতর ও গাজীপুর জেলা তথ্য অফিস বিশেষ ব্যবস্থা নেয়। এর মধ্যে গণযোগাযোগ অধিদফতর ইজতেমা ময়দান থেকে আবদুল্লাহপুর ও বিমানবন্দর রোড পর্যন্ত এবং গাজীপুর জেলা তথ্য অফিস ইজতেমা ময়দান থেকে চেরাগ আলী, টঙ্গী রেলস্টেশন, স্টেশন রোড থেকে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার উড়াল সেতু ও আশপাশের অলি-গলিতে পর্যাপ্ত মাইক সংযোগ দেয়। পুলিশ ও বিভিন্ন বাহিনী ওয়্যারলেসেও মোনাজাত সম্প্রচার করে।
মন্ত্রী এমপির অংশগ্রহণ : শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে স্থাপিত পুলিশ কন্ট্রোল রুমে বসে মোনাজাতে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আকম মোজাম্মেল হক, ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, গাজীপুরের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ হারুন অর রশীদ, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খান, সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ প্রমুখ।
বিদেশী মেহমান ৮ হাজার : এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ কমপক্ষে ৯৫ দেশের প্রায় আট হাজার বিদেশী মেহমান এবারের ইজতেমায় অংশ নিয়েছেন। এদের মধ্যে ভারত ও পাকিস্তান থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক বিদেশী মেহমান আসেন।
আরো এক মুসল্লির মৃত্যু : শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকার সবুজবাগের কদমতলা এলাকার গফুর উদ্দীনের ছেলে বেদন মিয়া (৬০) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইজতেমা ময়দানে ইন্তেকাল করেছেন। এ নিয়ে ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮-এ।
নারীদের অংশগ্রহণ : নারীদের জন্য কোনো ব্যবস্থা না থাকলেও আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন বয়সী কয়েক হাজার নারী মুসল্লিও আগের রাত থেকে ইজতেমা ময়দানের আশপাশে, বিভিন্ন মিলকারখানা, বাসাবাড়িতে ও বিভিন্ন দালানের ছাদে আশ্রয় নেন। তারা সেখান থেকেই মোনাজাতে অংশ নেন।
প্রথম পর্বে প্রায় আড়াই হাজার জামাত তৈরি : দেশে-বিদেশী তাবলিগের কাজে বের হতে ইজতেমার প্রথম পর্বে প্রায় আড়াই হাজার জামাত তৈরি হয়েছে বলে ইজতেমা আয়োজক সূত্রে জানা গেছে। এর মধ্যে ৮০০ জামাত বিদেশের জন্য তৈরি। এসব জামাতে কেউ কেউ তিন চিল্লা, এমনকি আজীবন চিল্লার জন্য প্রস্তুত হয়েছেন। দেশের জন্য জামায়াতগুলো রোববারই বের হয়েছে, বিদেশের জামাতগুলো ১৫-২০ দিনের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়বে। ১৯৪৬সালে প্রথম কাকরাইল মসজিদে ইজতেমার আয়োজন শুরু করা হয়। ১৯৪৮-এ চট্টগ্রামে ও ১৯৫৮-তে নারায়ণগঞ্জে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৬৬ সাল থেকে টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে ইজতেমা শুরু হয়।
হেদায়েতি বয়ান : মাওলানা মুহাম্মদ সা’দ বলেন, দুনিয়া দুনিয়ার জায়গায় থাকবে। আখিরাতে দুনিয়ার কোনো সম্পদ কাজে লাগবে না। শুধু দীন ও আমলই কাজে লাগবে। আল্লাহ সবসময় ডাকছেন বান্দা তার কাছে কিছু চাক। আল্লাহ বান্দাদের দেয়ার জন্য সবসময় তাকে ডাকার অপেক্ষায় থাকেন। মাওলানা সা’দ আরও বলেন, আমাদের ওপর বৃষ্টির ফোঁটার মতো পেরেশানি ধেয়ে আসছে। এ থেকে রক্ষার জন্য আমাদের ঈমানি শক্তিকে আরো মজবুত করতে হবে। ধাবিত হতে হবে আখেরাতের দীর্ঘ জিন্দিগির দিকে। যিনি এখলাছের সাথে দীনের কাজ করবেন তিনিই কামিয়াব হবেন। আল্লাহকে খুশি করার জন্য কাজ করলে জীবনে সফলতা আসে। সবচেয়ে বড় আমল হল দীনের কাজে আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়া। মাওলানা সা’দ বলেন, আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করে নিজের কৃতকর্মের অনুশোচনার মাধ্যমে তার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। চোখের পানি ফেলে মোনাজাত করতে হবে।
অতিরিক্ত মাইক : আখেরি মোনাজাত প্রচারের জন্য গণযোগাযোগ অধিদফতর ও গাজীপুর জেলা তথ্য অফিস বিশেষ ব্যবস্থা নেয়। এর মধ্যে গণযোগাযোগ অধিদফতর ইজতেমা ময়দান থেকে আবদুল্লাহপুর ও বিমানবন্দর রোড পর্যন্ত এবং গাজীপুর জেলা তথ্য অফিস ইজতেমা ময়দান থেকে চেরাগ আলী, টঙ্গী রেলস্টেশন, স্টেশন রোড থেকে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার উড়াল সেতু ও আশপাশের অলি-গলিতে পর্যাপ্ত মাইক সংযোগ দেয়। পুলিশ ও বিভিন্ন বাহিনী ওয়্যারলেসেও মোনাজাত সম্প্রচার করে।
মন্ত্রী এমপির অংশগ্রহণ : শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে স্থাপিত পুলিশ কন্ট্রোল রুমে বসে মোনাজাতে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আকম মোজাম্মেল হক, ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, গাজীপুরের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ হারুন অর রশীদ, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খান, সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ প্রমুখ।
বিদেশী মেহমান ৮ হাজার : এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ কমপক্ষে ৯৫ দেশের প্রায় আট হাজার বিদেশী মেহমান এবারের ইজতেমায় অংশ নিয়েছেন। এদের মধ্যে ভারত ও পাকিস্তান থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক বিদেশী মেহমান আসেন।
আরো এক মুসল্লির মৃত্যু : শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকার সবুজবাগের কদমতলা এলাকার গফুর উদ্দীনের ছেলে বেদন মিয়া (৬০) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইজতেমা ময়দানে ইন্তেকাল করেছেন। এ নিয়ে ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮-এ।
নারীদের অংশগ্রহণ : নারীদের জন্য কোনো ব্যবস্থা না থাকলেও আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন বয়সী কয়েক হাজার নারী মুসল্লিও আগের রাত থেকে ইজতেমা ময়দানের আশপাশে, বিভিন্ন মিলকারখানা, বাসাবাড়িতে ও বিভিন্ন দালানের ছাদে আশ্রয় নেন। তারা সেখান থেকেই মোনাজাতে অংশ নেন।
প্রথম পর্বে প্রায় আড়াই হাজার জামাত তৈরি : দেশে-বিদেশী তাবলিগের কাজে বের হতে ইজতেমার প্রথম পর্বে প্রায় আড়াই হাজার জামাত তৈরি হয়েছে বলে ইজতেমা আয়োজক সূত্রে জানা গেছে। এর মধ্যে ৮০০ জামাত বিদেশের জন্য তৈরি। এসব জামাতে কেউ কেউ তিন চিল্লা, এমনকি আজীবন চিল্লার জন্য প্রস্তুত হয়েছেন। দেশের জন্য জামায়াতগুলো রোববারই বের হয়েছে, বিদেশের জামাতগুলো ১৫-২০ দিনের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়বে। ১৯৪৬সালে প্রথম কাকরাইল মসজিদে ইজতেমার আয়োজন শুরু করা হয়। ১৯৪৮-এ চট্টগ্রামে ও ১৯৫৮-তে নারায়ণগঞ্জে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৬৬ সাল থেকে টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে ইজতেমা শুরু হয়।

No comments:
Post a Comment