যুক্তরাষ্ট্রের
নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে লাখ লাখ
মানুষ যোগ দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তার বিজয়ে হতাশা প্রকাশ করতে
আগামী সপ্তাহে এখানে লাখ লাখ মানুষ ট্রাম্প বিরোধী বিক্ষোভও করতে পারেন।
ট্রাম্পের অভিষেকের দিনে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ প্রদর্শনের কর্মসূচি
রয়েছে। তবে ওয়াশিংটন ট্রাম্প বিরোধী বিক্ষোভের মূল কেন্দ্রে পরিণত হবে।
ট্রাম্পবিরোধী প্রধান বিক্ষোভ হবে অভিষেকের পরদিন সকাল ১০টায়। উইমেন মার্চ
অন ওয়াশিংটন শিরোনামে এ বিক্ষোভের সামনের সারিতে থাকছেন কেটি পেরি, জুলিয়ান
মুর, চের ও স্কারলেট জনসনের মত প্রথম সারির সেলিব্রেটিরা। অবসরপ্রাপ্ত
আইনজীবী তেরেসা শক ফেসবুকে তার ৪০ জন বন্ধুকে প্রথম ট্রাম্পবিরোধী
বিক্ষোভের আহবান জানায়। এরপর এ নিয়ে হৈচৈ তৈরি হয়।
আর এ সুযোগ কাজে লাগায়
ফেসবুকে হিলারি ক্লিনটনপন্থী গ্রুপ পানসুইট নেশন। গ্রুপটি দেশব্যাপী
বিক্ষোভের কর্মসূচি ঘোষণা করে। এ গ্রুপের সদস্য প্রায় ৪০ লাখ। বার্তা
সংস্থা এএফপি জানায়, এক লাখ ৯০ হাজারের মত মানুষ জানান, তারা বিক্ষোভে অংশ
নেবেন। আর দুই লাখ ৫০ হাজার মানুষ জানান, তারা আগ্রহী। উদ্যোক্তারা জানান,
‘আমরা আশা করি, নির্বাচিত নেতারা নারী, তাদের পরিবার ও সম্প্রদায়ের অধিকার
রক্ষায় কাজ করবে।’ তবে বিক্ষোভে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতির বিষয়টি
একেবারে যে নিশ্চিত তা নয়। বিশেষ করে মধ্য জানুয়ারিতে প্রায়ই তুষারপাত ও
প্রচন্ড শীতের কারণে আবহাওয়া বৈরি থাকে। অভিষেকের দিন যেখানে কয়েক শ' গাড়ি
পার্ক করার অনুমতি চাওয়া হয়েছে সেখানে পরদিন বিক্ষোভের জন্য ওয়াশিংটনের
আরএফকে স্টেডিয়ামে কমপক্ষে ১২শ’ গাড়ি পার্ক করার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।
উদ্যোক্তারা সরাসরি একে ‘ট্রাম্প বিরোধী বিক্ষোভ’ বলেননি। তবে বার্তা
স্পষ্ট। তারা বলেন, অভিবাসীদের সুরক্ষা, গর্ভপাতের সুযোগসহ বিভিন্ন দাবি
আদায়ের লক্ষ্যে লিঙ্গ, বয়স, বর্ণ, সংস্কৃতি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও পটভূমির
লোকজন সবাই একত্রিত হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করবে।

No comments:
Post a Comment