Sunday, January 22, 2017

শিক্ষক লাঞ্ছনা মামলা ঢাকার আদালতে পাঠানোর নির্দেশ

নারায়ণগঞ্জের শিক্ষক শ্যামলকান্তি ভক্তকে কান ধরে উঠ-বসের ঘটনায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরিকে (জিডি) মামলা হিসেবে গ্রহণ করে তা ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। আবেদনের পক্ষে ছিলেন, প্রাক্তন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ১৯ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদনটি হাইকোর্টে দাখিল করা হয়। রোববার সেটি আদালতে উপস্থাপন ও রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।
ইসলাম ধর্ম অবমাননার গুজব ছড়ানোর পর গত বছরের ১৩ মে নারায়ণগঞ্জের পিয়ার সাত্তার লতিফ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত লাঞ্ছনার শিকার হন। এ নিয়ে পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত খবর আদালতের নজরে আনেন সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মহসিন রশিদ। এরপর আদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেন। পাশাপাশি এ ঘটনায় কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা সংশ্লিষ্টদের আদালতকে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর শ্যামল কান্তি ভক্তকে কান ধরে ওঠ-বস করানোর ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের সম্পৃক্ততা না পাওয়া সংক্রান্ত পুলিশের প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করা হয়। ওই প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর গত বছরের ১০ আগস্ট এ ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। আদালতের এ আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে অক্টোবর মাসে ঢাকার সিএমএম শেখ হাফিজুর রহমান নারায়ণগঞ্জে তদন্তে যান। তার সঙ্গে ছিলেন ঢাকার সিএমএম আদালতের দুই হাকিম গোলাম নবী ও মাজহারুল ইসলাম।

No comments:

Post a Comment