পরপর
দু’দিন দুটি অভিন্ন দৃশ্য দেখল। চতুর্থদিন স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়েন ইমরুল
কায়েস। কাল শেষ দিন মুশফিকুর রহিমও স্ট্রেচারে উঠলেন। ইমরুল চোটাক্রান্ত
হয়েছিলেন রানআউট হওয়া থেকে বাঁচতে ডাইভ দিতে গিয়ে। আর মুশফিক ব্যাটিং করার
সময় তার হেলমেটের পেছনে বল লাগে। বাউন্সার দিয়েছিলেন সাউদি। মুশফিকের চোটে
ভয়ের চোরাস্রোত বয়ে যায় বাংলাদেশ শিবিরে। সেই চোট তাকে নিয়ে যায় হাসপাতালে।
বাংলাদেশ অধিনায়ক যখন হাসপাতালে, বেসিন রিজার্ভের বাইশ গজে তখন হারের মুখে
তার দল। টিম সাউদির বাউন্সার আঘাত করেছিল মুশফিকের হেলমেটের পেছন দিকে।
মাটিতে পড়ে যান তিনি। কিছুক্ষণ মাঠেই শুয়ে থাকেন। অজানা আশংকা ভর করে এ
সময়। শংকা দূর হয় মুশফিক কথা বলার পর। অ্যাম্বুলেন্সে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়
হাসপাতালে।
সেখানে হাঁটাচলাও করেছেন। হাসপাতালে মুশফিকের সঙ্গে গিয়েছিলেন
বিসিবির মিডিয়া ম্যানেজার রাবিদ ইমাম। তিনি জানান, হাসপাতালে যাওয়ার পর
থেকেই অস্থির ছিলেন মুশফিক। বারবার জানতে চাইছিলেন ম্যাচের খবর। দলের
অবস্থা খারাপ হওয়ার সঙ্গে বাড়ে তার অস্থিরতাও। ঘাড়ে এক্স-রে করানোর পর কোনো
সমস্যা ধরা পড়েনি। মুশফিক তখন মাঠে ফিরে ফের ব্যাট করতে চান। ডাক্তারের
ছাড়পত্রের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয়। ডাক্তারের পরামর্শ ছিল, অধিনায়ক যেন
বিশ্রামে থাকেন। তাই মুশফিক চাইলেও আবার তার ব্যাট করতে নামা সম্ভব ছিল না।
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মুশফিক বলেন, ‘আগের চেয়ে ভালো বোধ
করছি। আরও অনেক খারাপ হতে পারত। ব্যথা কিছুটা আছে, তবে আশা করি, কাটিয়ে
উঠব।’ ঘাড়ের আঘাত বড় কিছু না হলেও আপাতত দুশ্চিন্তা মুশফিকের আঙুলের চোট
নিয়ে। বাঁ-হাতের বুড়ো আঙুল ও ডান হার তর্জনীর চোট নিয়েই ব্যাটিংয়ে
নেমেছিলেন দ্বিতীয় ইনিংসে। রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়ার সময় ১৩ রানে
ছিলেন তিনি।

No comments:
Post a Comment