চট্টগ্রামে
বিলাসবহুল গাড়ি থেকে পাওয়া যাচ্ছে কোটি টাকার মদ, ইয়াবা কিংবা অস্ত্র।
আসছে বান্দরবান আর কক্সবাজার রুট থেকে। একের পর এক চালান ধরা পড়ার ঘটনায়
নড়েচড়ে বসেছে স্বয়ং নগর পুলিশ। বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।
খেয়াল রাখা হচ্ছে চেকপোস্টে। কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট প্রতিদিন সাতকানিয়া, পটিয়া হয়ে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ব্রিজ দিয়ে ঢুকে এসব অবৈধ অস্ত্র ও মাদক সারা দেশে নিয়ে যাচ্ছে। গত দুই মাসে অন্তত ৮/১০টি বিলাসবহুল গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। যেখান থেকে পাওয়া গেছে প্রচুর ইয়াবা আর অস্ত্র।
এসব ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, কক্সবাজারের মহেশখালীর দুর্গম পাহাড় থেকে অস্ত্র তৈরি করে একটি চক্র তা সন্ত্রাসীদের কাছে চড়াদামে বিক্রি করছে। আর তাই পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে তারা এই ধরনের গাড়ি ব্যবহার করছে। কেবল কক্সবাজার নয়, বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকেও নিয়ে আসা হচ্ছে অস্ত্র।
অন্যদিকে অস্ত্র কেনাবেচা ছাড়াও কোটি টাকা মূল্যের ইয়াবা পাচারের জন্যও কেউ কেউ ব্যবহার করছেন এসব গাড়ি। সর্বশেষ গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি এলাকা থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ একটি প্রাডো জিপ আটক করেছে পুলিশ। গাড়িটির চালক মো. মোশাররফকেও (৩৫) আটক করা হয়েছে।
গতকাল দুপুরে তাকে আটক করা হয়। আটক মো. মোশাররফ কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার মো. মোখলেস উদ্দিনের ছেলে। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) রেজাউল মাসুদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের দিকে আসার পথে একটি প্রাডো গাড়ি আটক করা হয়। গাড়িটিতে তল্লাশি চালানো হলে তাতে ২০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক চালক ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দিচ্ছে। তার দেয়া তথ্যগুলো খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে। লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহজাহান জানান, চুনতি চেকপোস্টে গাড়িটি তল্লাশি করে পেছনের কভার থেকে ২০ হাজার ইয়াবা পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটক চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, কয়েক মাস আগে একইভাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লালপোলে ইয়াবার বিশাল চালান উদ্ধার করে র্যাব-৭। এই সময় ইয়াবা বহনকারী গাড়ি থেকে পুলিশের এএসআই মাহফুজ ও গাড়িচালককে আটক করা হয়। ঘটনার দিন রাত সাড়ে ১১টায় ফেনীর লালপোলে অবস্থান নিয়ে জব্দ করা হয় ঢাকা মেট্রো-গ-১৭-৭১৮১ নাম্বারের একটি কালো রঙের ‘এলিয়ান’ প্রাইভেটকার।
একটি শিশুকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় র্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে গাড়িটি আটক করে। পরে তল্লাশি চালিয়ে গাড়ি থেকে ২৭ কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যের ছয় লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গাড়িতে থাকা ঢাকা টেকনিক্যাল সেকশনের গোয়েন্দা শাখার এএসআই মাহফুজুর রহমান (বিপি নম্বর ৮০০১০৬৩১১৯, এসবি আইডি নম্বর ৭৭৮৫) ও গাড়িচালক মো. জাবেদ আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তাদের কাছ থেকে মাদক বিক্রির সাত লাখ টাকা, চারটি মোবাইল সেট, বিভিন্ন ধরনের আটটি ক্রেডিট কার্ড ও মাদকের টাকার হিসাব সংবলিত তিনটি নোট বুক উদ্ধার করা হয়।
এই বিষয়ে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) রেজাউল মাসুদ বলেন, যখনই আমরা খবর পাচ্ছি, তখনই তল্লাশি চালাচ্ছি। মহাসড়কে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। একটি সিন্ডিকেট আমাদেরকে ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু তাতে কোনো ফল হবে না বলে মন্তব্য করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।
খেয়াল রাখা হচ্ছে চেকপোস্টে। কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট প্রতিদিন সাতকানিয়া, পটিয়া হয়ে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ব্রিজ দিয়ে ঢুকে এসব অবৈধ অস্ত্র ও মাদক সারা দেশে নিয়ে যাচ্ছে। গত দুই মাসে অন্তত ৮/১০টি বিলাসবহুল গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। যেখান থেকে পাওয়া গেছে প্রচুর ইয়াবা আর অস্ত্র।
এসব ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, কক্সবাজারের মহেশখালীর দুর্গম পাহাড় থেকে অস্ত্র তৈরি করে একটি চক্র তা সন্ত্রাসীদের কাছে চড়াদামে বিক্রি করছে। আর তাই পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে তারা এই ধরনের গাড়ি ব্যবহার করছে। কেবল কক্সবাজার নয়, বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকেও নিয়ে আসা হচ্ছে অস্ত্র।
অন্যদিকে অস্ত্র কেনাবেচা ছাড়াও কোটি টাকা মূল্যের ইয়াবা পাচারের জন্যও কেউ কেউ ব্যবহার করছেন এসব গাড়ি। সর্বশেষ গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি এলাকা থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ একটি প্রাডো জিপ আটক করেছে পুলিশ। গাড়িটির চালক মো. মোশাররফকেও (৩৫) আটক করা হয়েছে।
গতকাল দুপুরে তাকে আটক করা হয়। আটক মো. মোশাররফ কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার মো. মোখলেস উদ্দিনের ছেলে। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) রেজাউল মাসুদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের দিকে আসার পথে একটি প্রাডো গাড়ি আটক করা হয়। গাড়িটিতে তল্লাশি চালানো হলে তাতে ২০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক চালক ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দিচ্ছে। তার দেয়া তথ্যগুলো খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে। লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহজাহান জানান, চুনতি চেকপোস্টে গাড়িটি তল্লাশি করে পেছনের কভার থেকে ২০ হাজার ইয়াবা পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটক চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, কয়েক মাস আগে একইভাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লালপোলে ইয়াবার বিশাল চালান উদ্ধার করে র্যাব-৭। এই সময় ইয়াবা বহনকারী গাড়ি থেকে পুলিশের এএসআই মাহফুজ ও গাড়িচালককে আটক করা হয়। ঘটনার দিন রাত সাড়ে ১১টায় ফেনীর লালপোলে অবস্থান নিয়ে জব্দ করা হয় ঢাকা মেট্রো-গ-১৭-৭১৮১ নাম্বারের একটি কালো রঙের ‘এলিয়ান’ প্রাইভেটকার।
একটি শিশুকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় র্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে গাড়িটি আটক করে। পরে তল্লাশি চালিয়ে গাড়ি থেকে ২৭ কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যের ছয় লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গাড়িতে থাকা ঢাকা টেকনিক্যাল সেকশনের গোয়েন্দা শাখার এএসআই মাহফুজুর রহমান (বিপি নম্বর ৮০০১০৬৩১১৯, এসবি আইডি নম্বর ৭৭৮৫) ও গাড়িচালক মো. জাবেদ আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তাদের কাছ থেকে মাদক বিক্রির সাত লাখ টাকা, চারটি মোবাইল সেট, বিভিন্ন ধরনের আটটি ক্রেডিট কার্ড ও মাদকের টাকার হিসাব সংবলিত তিনটি নোট বুক উদ্ধার করা হয়।
এই বিষয়ে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) রেজাউল মাসুদ বলেন, যখনই আমরা খবর পাচ্ছি, তখনই তল্লাশি চালাচ্ছি। মহাসড়কে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। একটি সিন্ডিকেট আমাদেরকে ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু তাতে কোনো ফল হবে না বলে মন্তব্য করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।
>>>মানবজমিন

No comments:
Post a Comment