
শিক্ষার
মান নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপনকারীদের শিক্ষার মানোন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান
জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোনো কিছুই রাতারাতি পরিবর্তন
সম্ভব নয়। গতকাল গণভবনে ২০১৭ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের
মধ্যে বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ
কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা শিক্ষার মান নিয়ে
প্রশ্ন তোলেন তাদের উদ্দেশে আমি বলতে চাই- কোনো কিছুই রাতারাতি পরিবর্তন
সম্ভব নয়। আগে তারা (সমালোচকবৃন্দ) ভলান্টারি সার্ভিস দিন, সুবিধাবঞ্চিতদের
জন্য কিছু করুন, শিক্ষা দিন। তারপর কথা বলুন। তিনি সমালোচকদের কাছে প্রশ্ন
রাখেন, শিক্ষার মানের মাত্রাটা আসলে কী? শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে
উন্নতি একদিনে সব হয়ে যায় না। সেজন্য কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আমরা চাই সব
ছেলেমেয়ে পরীক্ষা দেবে, এ জন্যই পঞ্চম-অষ্টম শ্রেণিতে পিইসি এবং জেএসসি
পরীক্ষার ব্যবস্থা। অথচ এই দুই পরীক্ষা নিয়েও অনেকে কথা বলেন। এই দুটি
পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ভীতি কমছে। এসব পরীক্ষার কারণে তাদের মধ্যে
সাহস জন্মাচ্ছে। দিন দিন রেজাল্টও ভালো হচ্ছে, পাসের হারও বাড়ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে সত্যই একটি আনন্দের দিন। আজ আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়েছি। ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত সরকার ২শ’ ৪৩ কোটি পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করেছে। এ বছরও ৩৬ কোটি ২১ লাখ ৮২ হাজার ২৪৫ খানা বই প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতগুলো বই একসঙ্গে ছাপানো এবং বিতরণ করা একটি বিশাল ব্যাপার। এমনকি ২০১৪, ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে বিএনপির আগুন সন্ত্রাসের মাঝেও আমরা জানুয়ারি মাসের প্রথম দিনটিতেই সারা দেশের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিতে সমর্থ হয়েছিলাম। বিশ্বে অন্যকোনো দেশ নেই বিশাল এই কর্মযজ্ঞ করে এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পেরেছে। এই বিপুলসংখ্যক পাঠ্যপুস্তক ছাপা ও বিতরণ একটি বিশাল ঘটনা এবং আমি এই কাজে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, শিশুরা যখন নতুন বই গ্রহণ করে তখন তারা ভিন্ন ধরনের এক আনন্দের অনুভূতি লাভ করে এবং পড়াশোনায় আগ্রহী হয়ে ওঠে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা সময় ছিল যখন ক্লাস থেকে কিছু ছেলেমেয়ে বেছে নিয়ে, তাদের প্রস্তুত করা হতো বৃত্তি পরীক্ষার জন্য। তাদের ভালো টিফিন দেয়া হতো, সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা সেটি পেতো না। বৃত্তির জন্য শিক্ষকরা যাদের বাছাই করলেন না, তাদের মধ্যেও তো মেধাবী থাকতে পারে। কেউ বৃত্তি পাবে, বাকিরা বঞ্চিত থাকবে- এই পদ্ধতি ঠিক করতেই পঞ্চম শ্রেণি ও অষ্টম শ্রেণিতে পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে।
শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসাইনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বক্তৃতা করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম এবং ইকবাল সোবহান চৌধুরী, মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এবং অন্যান্য সচিব ও সিনিয়র কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডট বাংলার উদ্বোধন
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে সত্যই একটি আনন্দের দিন। আজ আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়েছি। ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত সরকার ২শ’ ৪৩ কোটি পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করেছে। এ বছরও ৩৬ কোটি ২১ লাখ ৮২ হাজার ২৪৫ খানা বই প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতগুলো বই একসঙ্গে ছাপানো এবং বিতরণ করা একটি বিশাল ব্যাপার। এমনকি ২০১৪, ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে বিএনপির আগুন সন্ত্রাসের মাঝেও আমরা জানুয়ারি মাসের প্রথম দিনটিতেই সারা দেশের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিতে সমর্থ হয়েছিলাম। বিশ্বে অন্যকোনো দেশ নেই বিশাল এই কর্মযজ্ঞ করে এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পেরেছে। এই বিপুলসংখ্যক পাঠ্যপুস্তক ছাপা ও বিতরণ একটি বিশাল ঘটনা এবং আমি এই কাজে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, শিশুরা যখন নতুন বই গ্রহণ করে তখন তারা ভিন্ন ধরনের এক আনন্দের অনুভূতি লাভ করে এবং পড়াশোনায় আগ্রহী হয়ে ওঠে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা সময় ছিল যখন ক্লাস থেকে কিছু ছেলেমেয়ে বেছে নিয়ে, তাদের প্রস্তুত করা হতো বৃত্তি পরীক্ষার জন্য। তাদের ভালো টিফিন দেয়া হতো, সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা সেটি পেতো না। বৃত্তির জন্য শিক্ষকরা যাদের বাছাই করলেন না, তাদের মধ্যেও তো মেধাবী থাকতে পারে। কেউ বৃত্তি পাবে, বাকিরা বঞ্চিত থাকবে- এই পদ্ধতি ঠিক করতেই পঞ্চম শ্রেণি ও অষ্টম শ্রেণিতে পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে।
শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসাইনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বক্তৃতা করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম এবং ইকবাল সোবহান চৌধুরী, মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এবং অন্যান্য সচিব ও সিনিয়র কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডট বাংলার উদ্বোধন

প্রধানমন্ত্রীর
হাতে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ডট বাংলা আইডিএনের যাত্রা
শুরু হলো। এর ফলে এখন বাংলা ভাষায় নাম ঠিক করে ওয়েব ঠিকানার নিবন্ধন নেয়া
যাবে। আগ্রহীরা আজ থেকেই নিবন্ধনের জন?্য আবেদন করতে পারবেন বলে জানান
সংশ্লিষ্টরা। ‘ইন্টারনেট কর্পোরেশন অব অ?্যাসাইন্ড নেমস অ?্যান্ড নাম্বার
(আইসিএএনএন) বাংলাদেশের জন?্য ডট বাংলা (.বাংলা) ডোমেইন চূড়ান্তভাবে বরাদ্দ
দেয়ার দুই মাস পর শনিবার দুপুরে গণভবনে এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ডট বাংলা ডোমেইন চালু হলে আইসিটি খাতে
ব্যবসার আরো প্রসার ঘটবে। তিনি বলেন, যারা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণার
সমালোচনা করেছিলেন, তারাও ডট বাংলা ডোমেইন ব?্যবহার করতে পারবেন। ডাক ও
টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, বিটিআরসির প্রধান শাহজাহান মাহমুদ,
টেলিযোগাযোগ সচিব ফয়জুর রহমান চৌধুরী এবং বিটিসিএল-এর এমডি মাহফুজ উদ্দিন
আহমদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের জন্য এতদিন আইসিএএনএনের স্বীকৃত
ডোমেইন কোড ছিল ডট বিডি (.বিডি)। গত ৫ই অক্টোবর তার সঙ্গে যুক্ত হয় ডট
বাংলা। কোনো একটি রাষ্ট্রের জাতীয় পরিচয়ের স্বীকৃতি হিসেবে কাজ করে এই
ডোমেইন। যেমন ডট ইউকে ডোমেইন নামের কোনো ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলেই বুঝা যাবে
সেটি যুক্তরাজ্যের ওয়েবসাইট। তেমনি ইউনিকোড দিয়ে স্বীকৃত বাংলাদেশি ডোমেইন
হলো ডট বাংলা। বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত সরকারের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ এবং
সিয়েরা লিওন একই ডোমেনের আবেদন করেছিল। ডট বাংলা ডোমেইন-এর টেকনিক্যাল
কনটাক্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি
লিমিটেড (বিটিসিএল)। বাংলায় নতুন ডোমেইন নাম চালু হওয়ার পর www.btcl.com.bd
এর বদলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে বিটিসিএল. বাংলা লিখেও
বিটিসিএল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যাবে।
>>>মানবজমিন
No comments:
Post a Comment