ভোলার
বোরহানউদ্দিনের হকারের কাছ থেকে এক কপি যুগান্তর কেনেন মনপুরা থানার ওসি
শাহীন খান। হকার হান্নান টাকা চাইতে গেলে ওসি বললেন, ঘুরে আয়। কিছুক্ষণ পর
ফের পত্রিকার দাম চাইতে গেলে ওসি বললেন, লঞ্চের সুপারভাইজারের কাছ থেকে
নিয়ে যা। হকার হান্নান, সুপারভাইজারকে খুঁজে না পেয়ে ফের টাকার জন্য গেলে
ক্ষেপে গেলেন ওসি। হকারকে ডেকে লঞ্চ কেবিনের ভেতর নেন। কী কী পত্রিকা
বিক্রি করছে তা দেখেন। যুগান্তরসহ একাধিক জাতীয় পত্রিকার মধ্যে ২টি
নয়াদিগন্ত পত্রিকা দেখতে পেয়ে হুংকার ছাড়লেন ওসি।
‘তুই জামাত-শিবিরের
পত্রিকা বিক্রি করিস। আবার টাকা চাস কেন।’ চড়-থাপ্পড় দিতে থাকেন। এতে হকার
হান্নান হতবাক। মোবাইল ফোনে বিষয়টি বোরহানউদ্দিন প্রেস ক্লাবের সভাপতিকে
জানাতে গেলে আরও ক্ষেপে গিয়ে মোবাইল ফোনসেট কেড়ে নেন। এবার লাথি মারেন
হকারকে। এ সময় লঞ্চ থেকে হকার হান্নানকে নামতে দেয়া হয়নি। পরে অবশ্য লঞ্চ
স্টাফদের সহায়তায় দৌলতখান ঘাটে আহত হান্নানকে নামিয়ে দেয়া হয়। শনিবার
হাতিয়া থেকে ছেড়ে আসা এমভি ফারহান-৩ লঞ্চ যোগে মনপুরা থেকে ঢাকায় যাচ্ছিলেন
ওসি শাহীন খান। মনপুরা থানার ওসি যুগান্তরকে জানান, তিনি ওই হকারের সঙ্গে
দুষ্টমি করেছিলেন। তবে তিনি একটি চড় মারার কথাও স্বীকার করেন।

No comments:
Post a Comment