আপনার
খুদে শিশুটি খুব খুঁতখুঁতে স্বভাবের, স্বাস্থ্যকর কোনো খাবারই তার মুখে
রুচে না। অথচ সুস্থ থাকতে হলে তাকে প্রতিদিন সুষম খাবার অবশ্যই খেতে হবে।
কিন্তু তা আর হচ্ছে কোথায়? এ অবস্থায় শিশুকে খাওয়াতে গিয়ে আপনাকে রীতিমতো
যুদ্ধ করতে হয়। জোর করে তাকে কিছু খাওয়াতে চাইলেই সে রাগে কান্না জুড়ে দেয়।
তাই বলে আপনি তাকে পুষ্টিকর খাবার খাওয়াবেন না তাতো নয়, এখন উপায়! এ
ব্যাপারে সম্প্রতি ভারতের পুষ্টিবিজ্ঞানী সুমন আগারওয়াল ০-১ দিন থেকে ১৯
বছরের শিশু ও টিনেজারদের খাদ্য ও পুষ্টি নিয়ে গবেষণা চালিয়েছেন। 'সুপার
কিডস' নামে একটি বইয়ে শিশুদের জন্য কোন খাবারটি স্বাস্থ্যকর ও কোনটি
ক্ষতিকর তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনাও করেছেন তিনি।শিশু ও টিনেজারদের ওপর
গবেষণায় সুমন আগারওয়াল দেখেছেন, কিছু খাবার আছে যা শিশুরা খেতে পছন্দ করে,
সেটি শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর জেনেও আমরা তাদের খুশি করতে ওই
খাবারগুলো বেশি বেশি দিয়ে থাকি। সেটা মোটেই উচিত নয়। শিশুদের কী ধরনের
খাবার খাওয়া ঠিক নয়, আর কী খেতে হবে তা নিম্নে আলোচনা করা হল;
মাইক্রোওয়েভ ভুট্টার খই: কৃত্রিম মাখন ও মসলা মাখিয়ে ভুট্টার খই একটি রাসায়নিক ব্যাগে রাখা হয়। এটি শিশুর ফুসফুসের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এছাড়া এতে থাকা পারফ্লুরোঅক্টানোইক অ্যাসিডের (পিএফওএ) কারণে শিশুর থাইরয়েড, উচ্চ কলেস্টেরল এবং মূত্রাশয় ক্যান্সার সৃষ্টিরও আশংকা রয়েছে।
ফ্রাইড খাবার: ফ্রায়েড চিকেন, ভুজিয়া ও ভাজা আলু শিশুরা খুব মজা করে খায়। এতে চর্বি ও উচ্চমাত্রায় লবণ থাকে, যা আপনার সন্তানের জন্য মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়।
ক্যাফিনযুক্ত পানীয়: চা, কফি বা কোকের মতো পানীয় শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এসব খাবারে শিশুর অনিদ্রা বাড়ায়। এছাড়া শিশুর সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রেও বাধার সৃষ্টি করে।
সুগারি ক্যান্ডি: এ জাতীয় ক্যান্ডিতে হাই ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ, কৃত্রিম ফুডস কালার, কৃত্রিম চিনি থাকে যা শিশুর রক্তে শর্করার মাত্রা স্থূলতা বাড়ায়। শিশুরা মুটিয়ে যায় এবং ইনসুলিন প্রতিরোধে বাধার সৃষ্টি করে।
তবে বিশেষজ্ঞরা উপরের খাবারের পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর কিছু জাঙ্কফুড খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। নিম্নে সেগুলো আলোচনা করা হল;
মুড়ি বা ঝুড়ি ভাজা: মসলাদার চিপসের পরিবর্তে শিশুকে মুড়ি বা ঝুড়িভাজা দেয়া যেতে পারে। এগুলোতে ফাইবার, লোহা রয়েছে এবং কম ক্যালোরির। এ খাবার শিশুরা মজা নিয়েও খায়।
লেবুপানি: বাজারের ড্রিংকসের পরিবর্তে শিশুকে লেবুপানি দেয়া যেতে পারে। স্বাস্থ্যসম্মত এ পানীয়ের ক্যাফিন শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। প্রতিদিন শিশুকে ৬ চা-চামুচ চিনি ও দুই চা-চামুচ লেবু পানি মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন।
পনির স্যান্ডউইচ ও বার্গার: পনির ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ একটি খাবার। এটি পাউরুটি সঙ্গে মিলিয়ে বার্গার বা স্যান্ডউইচ বানিয়ে শিশুকে প্রতিদিন নাস্তায় খেতে দিন। এতে ক্যালোরিও রয়েছে যা আপনার শিশুর জন্য স্বাস্থ্যকরও বটে।
মাইক্রোওয়েভ ভুট্টার খই: কৃত্রিম মাখন ও মসলা মাখিয়ে ভুট্টার খই একটি রাসায়নিক ব্যাগে রাখা হয়। এটি শিশুর ফুসফুসের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এছাড়া এতে থাকা পারফ্লুরোঅক্টানোইক অ্যাসিডের (পিএফওএ) কারণে শিশুর থাইরয়েড, উচ্চ কলেস্টেরল এবং মূত্রাশয় ক্যান্সার সৃষ্টিরও আশংকা রয়েছে।
ফ্রাইড খাবার: ফ্রায়েড চিকেন, ভুজিয়া ও ভাজা আলু শিশুরা খুব মজা করে খায়। এতে চর্বি ও উচ্চমাত্রায় লবণ থাকে, যা আপনার সন্তানের জন্য মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়।
ক্যাফিনযুক্ত পানীয়: চা, কফি বা কোকের মতো পানীয় শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এসব খাবারে শিশুর অনিদ্রা বাড়ায়। এছাড়া শিশুর সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রেও বাধার সৃষ্টি করে।
সুগারি ক্যান্ডি: এ জাতীয় ক্যান্ডিতে হাই ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ, কৃত্রিম ফুডস কালার, কৃত্রিম চিনি থাকে যা শিশুর রক্তে শর্করার মাত্রা স্থূলতা বাড়ায়। শিশুরা মুটিয়ে যায় এবং ইনসুলিন প্রতিরোধে বাধার সৃষ্টি করে।
তবে বিশেষজ্ঞরা উপরের খাবারের পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর কিছু জাঙ্কফুড খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। নিম্নে সেগুলো আলোচনা করা হল;
মুড়ি বা ঝুড়ি ভাজা: মসলাদার চিপসের পরিবর্তে শিশুকে মুড়ি বা ঝুড়িভাজা দেয়া যেতে পারে। এগুলোতে ফাইবার, লোহা রয়েছে এবং কম ক্যালোরির। এ খাবার শিশুরা মজা নিয়েও খায়।
লেবুপানি: বাজারের ড্রিংকসের পরিবর্তে শিশুকে লেবুপানি দেয়া যেতে পারে। স্বাস্থ্যসম্মত এ পানীয়ের ক্যাফিন শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। প্রতিদিন শিশুকে ৬ চা-চামুচ চিনি ও দুই চা-চামুচ লেবু পানি মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন।
পনির স্যান্ডউইচ ও বার্গার: পনির ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ একটি খাবার। এটি পাউরুটি সঙ্গে মিলিয়ে বার্গার বা স্যান্ডউইচ বানিয়ে শিশুকে প্রতিদিন নাস্তায় খেতে দিন। এতে ক্যালোরিও রয়েছে যা আপনার শিশুর জন্য স্বাস্থ্যকরও বটে।

No comments:
Post a Comment