Saturday, February 25, 2017

কক্সবাজারে সড়ক দূর্ঘটনায় পর্যটকসহ নিহত ৫

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়ায় পর্যটকবাহী মাইক্রোবাস ও রামুতে পণ্যবাহী পিকআপ উল্টে গিয়ে নারীসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন।  উভয় দূর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১১জন। শনিবার সকালে চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের গয়ালমারা এলাকা এবং ভোরে রামু উপজেলার রশিদনগর ইউনিয়নের নাদেরুজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় পৃথক দূর্ঘটনা ঘটে। কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার উত্তর হারবাং গয়ালমারা এলাকায় পর্যটকবাহী মাইক্রোবাস উল্টে দু’বোনসহ ৪জন নিহত হয়েছেন। এসময় শিশুসহ আহত হয় ৯জন। স্থানীয় লোকজন ও হাইওয়ে পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজলো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও গুরুতর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে ভর্তি করে। নিহতরা হলেন- ঢাকার রায়েরবাগ এলাকার আসাদুজ্জামান বাপ্পির স্ত্রী কুলছুমা আক্তার সুমি (২৫), তার বোন বগুড়ার মান্দা এলাকার মো. জিকুর স্ত্রী আয়েশা আক্তার শিল্পী (২০), ঢাকার দক্ষিণ বাসাবো সবুজবাগ এলাকার মো. কিবরিয়া (৪০) ও একই এলাকার আয়াত আলীর ছেলে মাইক্রোবাস চালক আমির হোসেন (৩০)।
আহতরা হলেন- মো.বাপ্পি (২৮), কাজল (৩০), মো. বাবু (২২), সজল (২৮), জহির (৩২), ইব্রাহিম হোসেন আপন (২), মো.সজল (১৯), খাদিজা বেগম (২৭) ও সাথি (২৫)।
দুর্ঘটনায় আহত বাপ্পি বলেন, চালক খুব দ্রুত গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন।
চিরিংগা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ এসআই মো.আবুল হাশেম মজুমদার জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে ঢাকার বৌদ্ধ মন্দির এলাকা থেকে ১৩ পর্যটক মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্টো-চ-১৫-১০৮০) যোগে কক্সবাজারে বেড়াতে আসছিলেন। গাড়িটি শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চকরিয়ার হারবাং এর গয়ালমারা এলাকায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার উপর উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলে দুই বোনসহ ৪ পর্যটক নিহত হন। এসময় অপর যাত্রীরা আহত হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়িটি উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, আহতের মাঝে আশঙ্কাজনক অবস্থায় অন্তত ৬জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। 
অপরদিকে, শনিবার ভোরে দিকে মহাসড়কের রামুর রশিদনগর ইউনিয়নের নাদেরুজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় ফলভর্তি পিকআপ ভ্যান উল্টে মিজানুর রহমান (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের পূর্ব খরুলিয়া এলাকার মুহাম্মদ দানুর ছেলে ও পেশায় নির্মাণ শ্রমিক (রাজমিস্ত্রি)। এসময় আহত হয়েছেন আরো ২ জন।
>>>মানবজমিন

No comments:

Post a Comment