পাবনার
চাটমোহরে বড়াল নদের উপর বোঁথড় ঘাটে নির্মাণাধীন ব্রীজের ঠিকাদারের দায়ের
করা চাঁদাবাজির মামলায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সাজেদুর রহমান মাস্টার ও
বোঁথড় গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে হাবিবুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে গ্রেফতার
করেছে পুলিশ। সোমবার বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাবনা শহর থেকে তাদের
গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম
আহসান হাবীব গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
অভিযান চালিয়ে পাবনা শহরের ট্রাফিক মোড় সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে তাদের
গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ তাদের দু’জনকে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে।
প্রসঙ্গত, পাবনার এএসজেডআর (জেভি) নামীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বড়াল নদের
বোঁথড় ঘাটে ৩ কোটি ১০ লাখ ১ হাজার ২১২ টাকা প্রাক্কলিত ব্যায়ে নির্মিত
ব্রীজটির কাজ পায় গত বছর। ব্রীজ নির্মাণ কাজের শুরু থেকেই বোঁথড়
গ্রামবাসীর সঙ্গে ঠিকাদারসহ তার লোকজনের দ্বন্দ্ব শুরু হয়। ব্রীজ নির্মাণে
অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ এনে বোঁথড় গ্রামবাসী দফায় দফায় মিছিল, সভা এবং
সাংবাদিক সম্মেলন করে। পরে ৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে পাবনার নির্বাহী
প্রকৌশলী রেজাউল কবির ব্রীজটি পরিদর্শনে আসেন। এ সময় চাটমোহর উপজেলা
যুবলীগের সভাপতি সাজেদুর রহমান মাস্টার, যুবলীগ নেতা আতিকুর রহমান আতিক,
শহিদুল ইসলাম বিশ্বাসসহ বেশ কয়েকজন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার
সাজেদুল ইসলামের উপর চড়াও হয়। এসময় ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে। খবর পয়ে থানা
পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে রাতেই ঠিকাদারি
প্রতিষ্ঠান পাবনার এএসজেডআর (জেভি)’র স্বত্বাধিকারী মো. জাহিদুল ইসলাম মিঠু
বাদী হয়ে চাটমোহর থানায় চাটমোহর উপজেলা যুবলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিষয়ক সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিককে প্রধান আসামি করে নামীয় ৭ এবং অজ্ঞাত ৪
জনের নামে চাটমোহর থানায় চাঁদা বাজির মামলা দায়ের করেন।

No comments:
Post a Comment