“
মা আমাকে ক্ষমা করে দিও, আমি যদি কোন অন্যায় করে থাকি আমাকে ক্ষমা করে
দিও। রবিবার ভোর রাতে মোবাইলে ফোন দিয়ে তার মা সাহিদা বেগমকে এভাবেই দুঃখ
প্রকাশ করে। তারপরই পুনরায় ফোন আসে তার মেয়ে মারাত্বক অসুস্থ।
হাতের
মেহেদীর রং এখনো মোছেনী, দেড় মাস পুর্বে বিয়ে হলেও সকলের মায়া ত্যাগ করে
গলায় ফাঁস লাগানো লাশ পাওয়া গেল কলেজ ছাত্রী মিতা খাতুনের। কথাগুলো এভাবে
বলে বারবার মুর্ছা যাচ্ছিলেন নিহত কলেজ ছাত্রী মিতার মা সাহিদা বেগম।
বালিয়াকান্দি ইউনিয়নের পাইককান্দি গ্রামের শামসুল শেখের স্ত্রী সাহিদা বেগম
জানান, তার মেয়ে মিতা খাতুন (২৫) বালিয়াকান্দি ডিগ্রী কলেজের ডিগ্রী শেষ
বর্ষের ছাত্রী। দেড় মাস পুর্বে বালিয়াকান্দি ইউনিয়নের শালকী গ্রামের আব্দুর
রাজ্জাক ফকিরের ছেলে মোস্তাক ফকিরের সাথে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়।
রবিবার
ভোরে মেয়ে ফোন দিয়ে ক্ষমা চায়। তার কিছুক্ষণ পরই খবর পাই মেয়ে মারাত্বক
অসুস্থ। এসে জানতে পারি গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঘরে ঝুলছে। মেয়েকে
পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে বলেও দাবী করেন। স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক
দাউদ হোসেন জানান, সকাল ৭টার দিকে জাকির ফকির ফোনে তাদের বাড়ীতে যেতে বলে।
যেয়ে দেখি মিতা মারা গেছে। বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাহিদুল
ইসলাম,পিপিএম জানান, থানার এস,আই কাউসারকে পাঠানো হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে
ময়না তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এব্যাপারে অপমৃত্যু
মামলা হয়েছে।

No comments:
Post a Comment