হকার্স
নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেছেন, ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রথম থেকেই
নানানভাবে অসত্য তথ্য দিচ্ছেন। মেয়র যাদের চাঁদাবাজ আখ্যায়িত করেছেন তারা
নয়, বরং মেয়রের সাথে হকার নেতা নামধারী চাঁদাবাজে লিপ্ত। আজ রাজধানীর
পুরানা পল্টন মুক্তিভবনের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃৃবন্দ
এঅভিযোগ করেন। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে হকার নেতাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা
মামলা প্রত্যাহার, গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি ও বলপ্রয়োগ করে হকার উচ্ছেদ
বন্ধের দাবি জানান। নেতৃৃবৃন্দ বলেন, ২৫০৬ জনের যে তালিকা করেছেন সেটি
সম্পূর্ণ ভূঁয়া, সেখানে প্রকৃত হকার খুঁজে পাওয়া যায় না। এই হকারদের
পুর্নবাসনের জন্য সুনির্দিষ্ট কোন উদ্যোগ না নিয়ে দুর্বলের জুলুম করার সহজ
পথ তিনি গ্রহণ করেছেন। তারা বলেন, সিটি কর্পোরেশন যে তিনটি মিথ্যা মামলা
দায়ের করেছে সেই মামলায় আসামীর তালিকায় বহু নিরপরাধ, সাধারণ হকারের
পাশাপাশি হকার নেতৃবৃন্দের নামও অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
আসামীদের কাউকে
কাউকে আমরা না চিনলেও এই মামলায় আন্দোলনরত হকার ও নেতৃবৃন্দকে বিবাদী করার
কারণ আমাদের কাছে স্পষ্ট। তারা বলেন, হকার ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা পেশাগত
দাবি-দাওয়ার আন্দোলন করেন। সকাল সাড়ে ১১টায় বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের
কেন্দ্রীয় নেতা জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে গোলাপের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, হকার্স ইউনিয়নের উপদেষ্টা শ্রমিক নেতা জলি
তালুকদার, হযরত আলী, মোঃ টিটু, মোঃ হানিফ, উসমান গনি, মজিদ শেখ, আজিজুল
ইসলাম, বিল্লাল হোসেন প্রমুখ। সমাবেশে জলি তালুকদার বলেন, পুনর্বাসন না করে
অন্যায়ভাবে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে হকারদের উচ্ছেদ অভিযান চলছে। এর প্রতিবাদে
পুনর্বাসনের দাবিতে হকারদের আন্দোলন যখন তীব্র হয়েছে তখন হকার নেতৃবৃন্দের
মিথ্যা মামলা দায়ের এক গভীর ষড়যন্ত্র। আন্দোলনের শুরু থেকে বাংলাদেশ হকার্স
ইউনিয়ন বহু জুলুম নির্যাতন মোকাবেলা করে দাবি আদায়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
কোন হুমকি-ধমকি, মামলা-হুলিয়া এই আন্দোলন দমন করতে পারবে না। সমাবেশ শেষে
একটি বিশাল মিছিল নগরির গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সমূহ প্রদক্ষিন করে। সমাবেশ থেকে
নেতৃবৃন্দ কাল বেলা সাড়ে ১১টায় বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়ন ও আন্দোলনরত অপরাপর
হকার সংগঠন সমূহের যৌথ উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবে হকার সমাবেশ ও বিক্ষোভ
মিছিলের ঘোষণা দেন।

No comments:
Post a Comment