ম্যাচটা
ছিলো অলিখিত ফাইনাল। আগের চার ম্যাচে ২-২ সমতা থাকায় সিরিজ নির্ধারণী
ম্যাচ। কিন্তু সে ম্যাচে জোর প্রতিদ্বন্দীতা তো দূরের কথা আফগানদের সামনে
দাড়াতেই পারেনি স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। আগে ব্যাট করে আফগানিস্তান সংগ্রহ
করেছিলো ৯ উইকেটে ২৫৩ রানের ফাইটিং স্কোর। কিন্তু এরপরই বৃষ্টি হানা দেয়ায়
ছোট হয়ে যায় ম্যাচের দৈর্ঘ্য।
ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ২২ ওভারে ১৬১ রানের
টার্গেট দেয়া হয় জিম্বাবুয়েকে। রান তাড়া করতে নেমে রীতিমত মুখথুবড়ে পড়েছে
গ্রায়েম ক্রেমারের দল। প্রথম পাঁচ ওভারে স্কোর বোর্ডে ১৩ রান তুলতে চার
উইকেট হারায় তারা। এরপর ৩০ রানের মধ্যে আরো দুটি। ১১ ওভার শেষে দলীয় স্কোর
দাড়ায় ৮ উইকেটে ৩৯। এরপর নবম উইকেটে অধিনায়ক ক্রেমারের সাথে এমপোফুর ১২
রানের পার্টনারশিপ ছিলো স্বাগতিকদের ইনিংসে সর্বোচ্চ। ১৪ দশমিক পাঁচ ওভারে
শেষ উইকেট পতনের সময় দলীয় রান ৫৪। ক্রেমার (১৪*) ও রায়ান বুর্ল(১১) কোন
ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে পৌছতে পারেনি। মোহম্মদ নবী ১৪ ও আমির হামজা ২০
রানে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন। ১৬১ রানে ম্যাচ জয়ের সাথে সিরিজ ও জিতে নিলো
আসগর স্ট্যানিকজাইয়ের দল।
আফগানিস্তানের ইনিংসে একমাত্র হাফ সেঞ্চুরি ছিলো
রহমত শাহর(৫০)। এছাড়া নবী ৪৮ ও নুর আলী জাদরান ৪৬ রান করেন। ম্যান অব দ্য
ম্যাচ রহমত শাহ। ওয়ানডে ক্রিকেটে এর চেয়ে কম রানের আরো ৯টি ইনিংস রয়েছে।
যার তিনটিই অবশ্য জিম্বাবুয়ের (৩৫,৩৮, ৪৪)। ২০০৪ সালে এই হারারেতেই
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৫ রানে অল আউট হয়ে সবচেয়ে কম রানের বিশ্ব রেকর্ডটি
এখনো নিজেদের দখলে রেখেছে জিম্বাবুইয়ানরা।

No comments:
Post a Comment