
দোহারবাসীর
ভালোবাসায় সিক্ত হলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত
উন্নয়নবিষয়ক উপদেষ্টা, বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা ও দোহারের কৃতী সন্তান
সালমান এফ রহমান। গতকাল বিকালে দোহারবাসী তাকে বর্ণাঢ্য গণসংবর্ধনা দেয়।
স্থানীয় জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এ সংবর্ধনা ও জনসভায় হাজার
হাজার মানুষ অংশ নেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন আয়োজিত এ
গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠান আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিরোধী দলের
নেতৃবৃন্দ, বর্তমান ও সাবেক জনপ্রতিনিধি এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে
পরিণত হয়েছিল এক মিলনমেলায়। সংবর্ধনায় অংশ নেয়া নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিরা
সালমান এফ রহমানকে এলাকার উন্নয়নে ভবিষ্যতে আরো নিবিড়ভাবে দেখার প্রত্যাশা
ব্যক্ত করেন। সংবর্ধনার জবাবে বরেণ্য এ শিল্পোদ্যোক্তা তার পরিকল্পনা তুলে
ধরেন। সংবর্ধনা উপলক্ষে দুপুর থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে
মিছিল ও স্লোগানসহ হাজার হাজার নারী-পুরুষ অনুষ্ঠানস্থলে সমবেত হন। নানা
রংয়ের ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড নিয়ে, বিচিত্র বর্ণের পোশাক পরে, বাস,
মোটরসাইকেল ও ঘোড়ার গাড়িতে করে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হন জয়পাড়া পাইলট
উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। সাধারণ মানুষের পদচারণায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান পরিণত হয়
জনসমুদ্রে। গণসংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরেই ব্যানার ও তোরণে ভরে
যায় উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান। পুরো উপজেলা জুড়ে ছিল
সাজসাজ রব। নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ ও
উদ্দীপনা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সালমান এফ রহমানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, সালমান ভাই, বঙ্গবন্ধু কন্যা আপনাকে স্নেহ করেন। আপনি তার দুঃসময়ের আপনজন। তিনি আমাকে আজকে এই অনুষ্ঠানে আসতে নির্দেশ দিয়েছেন। মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের মার্কা নৌকা। কাকে মনোনয়ন দেয়া হবে সেটি নির্ধারণ করবেন মনোনয়ন বোর্ড আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনা। এই মুহূর্ত থেকে আমাদের একটিই লক্ষ্য নৌকাকে বিজয়ী করা। দলীয় নেতাদের অনুরোধ করে তিনি বলেন, দলটাকে কলহ- কোন্দল মুক্ত রাখুন। এখানে অনেক রক্ত ঝরেছে। এখানে আর রক্ত দেখতে চাই না। দল করলে দলের নিয়ম মানতে হবে। যারা নিয়ম মানবেন না তাদের দল থেকে বের করে দেয়া হবে। তিনি বলেন, আমরা যতই উন্নয়ন করি, উন্নয়ন ম্লান হয়ে যাবে। যদি আপনারা (নেতাকর্মী) জনগণের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, কেউ ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না। বঙ্গবন্ধুর কন্যার বার্তা নিয়ে এসেছি। যতই প্রভাবশালী হোন না কেন, ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন শুরু হয়ে যাবে। কোনো খারাপ লোকের আমাদের প্রয়োজন নেই। বিএনপিকে নালিশ পার্টি হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করে তিনি বলেন, তাদের কার্যক্রম প্রেস ব্রিফিংয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনি মানেন আর না মানেন, আগামী সংসদ নির্বাচন ইসির অধীনেই হবে। এ সময় তিনি সালমান এফ রহমানকে শুভেচ্ছা জানান।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, সালমান এফ রহমান এলাকার উন্নয়নে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছেন। আজকের এই জনস্রোত প্রমাণ করে দোহারবাসী সালমান এফ রহমানকে কাছের ও প্রাণের মানুষ হিসেবে মনে করেন। দোহারবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যদি উপকার চান তাহলে সালমান এফ রহমানকে ভুলবেন না।
সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বলেন, আমার চাচা (সালমান এফ রহমান) নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছেন। আজকে তার মতো একজন নেতা এই এলাকায় প্রয়োজন। দোহারকে তিনি বাংলাদেশের রাজধানী রূপে প্রতিষ্ঠিত করবেন। আমি মনে করি, আমার চাচা এই বিরাট কাজ করবেন। দোহারের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে তার উপর। দোহারের ভবিষ্যৎ এমপি হবেন সালমান এফ রহমান। চাচা সালমান এফ রহমানকে সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, আমি আর মনোনয়ন চাইবো না। আমি তার পাশে থাকবো।
জাতীয় পার্টির নেতা ও পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, আপনারা গর্বিত হতে পারেন, কারণ তিনি (সালমান এফ রহমান) বাংলাদেশের শিল্প উন্নয়নের একজন পথিকৃৎ। দোহারবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে পদ্মানদীর ভাঙনরোধে গৃহীত প্রকল্পের ঘোষণা দেন তিনি। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খান বলেন, আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ, আসন্ন নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে যিনিই আসবেন তাকে সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।
দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা-১) আসনের সংসদ সদস্য সালমা ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আসুন, দলমতনির্বিশেষে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলতে কাজ করে যাই।
সংবর্ধনার জবাবে সকলকে ধন্যবাদ জানান পথিকৃত শিল্পোদ্যোক্তা সালমান এফ রহমান। তিনি বলেন, আমাদের দোহার-নবাবগঞ্জের উন্নয়নে যা যা দরকার তা আমরা আদায় করতে পারবো। তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা এই আসনে যাকে মনোনয়ন দেবেন আমরা সকলে তার পক্ষে কাজ করবো এবং এই আসনটি তাকে উপহার দেবো। দোহারের উন্নয়নে আমি ছিলাম, আছি, থাকবো। দোহারবাসীর পাশে থেকে তাদের সাহায্য-সহযোগিতা করতে আমি সর্বদা প্রস্তুত আছি। এসময় তিনি তাকে এ সম্মান দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শুধু আওয়ামী লীগের ভোট আদায় করে আমরা নির্বাচিত হতে পারবো না। যারা নিরপেক্ষ, তাদের ভোট আদায় করে আমাদের জয়যুক্ত হতে হবে। এ সময় তিনি জয়পাড়া কলেজ ও জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়কে সরকারিকরণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দেন।
জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, আইজিআর খান আব্দুল মান্নান, কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ, বেক্সিমকো গ্রুপের পরিচালক ব্যারিস্টার সায়ান এফ রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল ও সঞ্চালনা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সালমান এফ রহমানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, সালমান ভাই, বঙ্গবন্ধু কন্যা আপনাকে স্নেহ করেন। আপনি তার দুঃসময়ের আপনজন। তিনি আমাকে আজকে এই অনুষ্ঠানে আসতে নির্দেশ দিয়েছেন। মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের মার্কা নৌকা। কাকে মনোনয়ন দেয়া হবে সেটি নির্ধারণ করবেন মনোনয়ন বোর্ড আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনা। এই মুহূর্ত থেকে আমাদের একটিই লক্ষ্য নৌকাকে বিজয়ী করা। দলীয় নেতাদের অনুরোধ করে তিনি বলেন, দলটাকে কলহ- কোন্দল মুক্ত রাখুন। এখানে অনেক রক্ত ঝরেছে। এখানে আর রক্ত দেখতে চাই না। দল করলে দলের নিয়ম মানতে হবে। যারা নিয়ম মানবেন না তাদের দল থেকে বের করে দেয়া হবে। তিনি বলেন, আমরা যতই উন্নয়ন করি, উন্নয়ন ম্লান হয়ে যাবে। যদি আপনারা (নেতাকর্মী) জনগণের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, কেউ ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না। বঙ্গবন্ধুর কন্যার বার্তা নিয়ে এসেছি। যতই প্রভাবশালী হোন না কেন, ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন শুরু হয়ে যাবে। কোনো খারাপ লোকের আমাদের প্রয়োজন নেই। বিএনপিকে নালিশ পার্টি হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করে তিনি বলেন, তাদের কার্যক্রম প্রেস ব্রিফিংয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনি মানেন আর না মানেন, আগামী সংসদ নির্বাচন ইসির অধীনেই হবে। এ সময় তিনি সালমান এফ রহমানকে শুভেচ্ছা জানান।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, সালমান এফ রহমান এলাকার উন্নয়নে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছেন। আজকের এই জনস্রোত প্রমাণ করে দোহারবাসী সালমান এফ রহমানকে কাছের ও প্রাণের মানুষ হিসেবে মনে করেন। দোহারবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যদি উপকার চান তাহলে সালমান এফ রহমানকে ভুলবেন না।
সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বলেন, আমার চাচা (সালমান এফ রহমান) নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছেন। আজকে তার মতো একজন নেতা এই এলাকায় প্রয়োজন। দোহারকে তিনি বাংলাদেশের রাজধানী রূপে প্রতিষ্ঠিত করবেন। আমি মনে করি, আমার চাচা এই বিরাট কাজ করবেন। দোহারের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে তার উপর। দোহারের ভবিষ্যৎ এমপি হবেন সালমান এফ রহমান। চাচা সালমান এফ রহমানকে সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, আমি আর মনোনয়ন চাইবো না। আমি তার পাশে থাকবো।
জাতীয় পার্টির নেতা ও পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, আপনারা গর্বিত হতে পারেন, কারণ তিনি (সালমান এফ রহমান) বাংলাদেশের শিল্প উন্নয়নের একজন পথিকৃৎ। দোহারবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে পদ্মানদীর ভাঙনরোধে গৃহীত প্রকল্পের ঘোষণা দেন তিনি। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খান বলেন, আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ, আসন্ন নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে যিনিই আসবেন তাকে সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।
দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা-১) আসনের সংসদ সদস্য সালমা ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আসুন, দলমতনির্বিশেষে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলতে কাজ করে যাই।
সংবর্ধনার জবাবে সকলকে ধন্যবাদ জানান পথিকৃত শিল্পোদ্যোক্তা সালমান এফ রহমান। তিনি বলেন, আমাদের দোহার-নবাবগঞ্জের উন্নয়নে যা যা দরকার তা আমরা আদায় করতে পারবো। তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা এই আসনে যাকে মনোনয়ন দেবেন আমরা সকলে তার পক্ষে কাজ করবো এবং এই আসনটি তাকে উপহার দেবো। দোহারের উন্নয়নে আমি ছিলাম, আছি, থাকবো। দোহারবাসীর পাশে থেকে তাদের সাহায্য-সহযোগিতা করতে আমি সর্বদা প্রস্তুত আছি। এসময় তিনি তাকে এ সম্মান দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শুধু আওয়ামী লীগের ভোট আদায় করে আমরা নির্বাচিত হতে পারবো না। যারা নিরপেক্ষ, তাদের ভোট আদায় করে আমাদের জয়যুক্ত হতে হবে। এ সময় তিনি জয়পাড়া কলেজ ও জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়কে সরকারিকরণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দেন।
জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, আইজিআর খান আব্দুল মান্নান, কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ, বেক্সিমকো গ্রুপের পরিচালক ব্যারিস্টার সায়ান এফ রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল ও সঞ্চালনা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার।
>>>মানবজমিন
No comments:
Post a Comment