জোড়পুর্বক
স্বীকারোক্তি আদায়ের নামে ছাত্রলীগ ও থানা পুলিশ মিলে সুনামগঞ্জে হতদরিদ্র
পরিবারের এক নিরীহ কলেজ ছাত্রকে (১৭) তাহিরপুর থানা হাজতে আটকে রেখে
নির্যাতন করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সুনামগঞ্জে তোলপাড় সৃষ্টি
হয়েছে।
জানা গেছে,তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট সরকারি ডিগ্রী কলেজের ছাত্র
রাজু মীরকে শুক্রবার সকালে প্রথমে ছাত্রলীগ নামধারি কয়েকজন দুর্বৃত্ত মারধর
করে বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে এসআই রফিকের হাতে তুলে দেয়। এরপর ওই
এসআই’র নেতৃত্বে থানা হাজতে আটকে রেখে চালানো হয় শারীরিক নির্যাতন।
চর,থাপ্পর,কিল ও ঘুষি মেরে পোষ্টার পোড়ানোর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
আদায়ে চাপ প্রয়োগ করেন। কলেজ ছাত্র রাজুর বাবা শহীদুল্লাহ মীর ও পরিবারের
লোকজন শনিবার যুগান্তরকে বলেন, এসিড মামলার পলাতক আসামি উপজেলার তাহিরপুর
হাসপাতালের কলকি রব ও আয়া আলেনা দম্পতির ছেলে মোজাম্মেল ভুল তথ্য সংগ্রহ
করে বিভিন্ন অনলাই পোর্টলে আমার নিরীহ ছেলেকে সন্ত্রাসী বানিয়ে সংবাদ
পাঠিয়েছে।
এব্যাপারে তাহিরপুর থানার এসআই রফিকের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা
হলে তিনি বলেন, রাজুকে ছাত্রলীগের কয়েকজন ধরে এনে পুলিশ ফাঁড়িতে দিলে আমি
তাকে থানায় নিয়ে আসি। তবে শুনেছি রাজুকে নাকি মারধর করেছে ছাত্রলীগের।এ
বিষয়ে থানার ওসি শ্রী নন্দন কান্তি ধর যুগান্তরকে বলেন,জাহাঙ্গীরের সঙ্গে
রাজুর ব্যাপারে আমার কোন আলাপ হয়নি।সে নিজে থেকে মনগড়া সংবাদ লিখেছে। কলেজ
ছাত্রের ছবির তোলার ব্যাপারেও আমি কিছুই জানিনা, এটা এসআই রফিক জানে।

No comments:
Post a Comment