ভিয়েতনামের
রাজধানী হ্যানয় শহরের শিশুরা বেশ চঞ্চল। এরা ছোটবেলা থেকেই খুব বাস্তববাদী
হয়ে থাকে। শিশুদেরকে বাস্তবমুখী করে তোলার দায়িত্বটা প্রথমেই মা- বাবাই
নিয়ে থাকেন। খুব অল্প বয়সেই শিশুদের বিভিন্ন ধরনের গাড়ি চালানোর প্রশিক্ষণ
দিয়ে থাকেন অভিভাবকরা। শুরুটা খেলার ছলে হয়ে থাকলেও যার ফলাফল দেখা যায়
একটু বড় হলেই। হ্যানয় শহরের বিভিন্ন রাস্তায় লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, ১৩/১৪
বছরের ছেলে মেয়েরা দক্ষ চালকদের মতো অনায়াসে মোটরবাইক কিংবা স্কুটি চালিয়ে
যাচ্ছে।
হ্যানয়ে ছুটির দিনে কিংবা সন্ধ্যার পর বেশ কয়েকটি স্থানে শিশুদের
খেলার আসর বসে। এসব স্থানে মা- বাবা তাদের সন্তানদের নিয়ে আসেন বিনোদনের
জন্য। তবে অধিকাংশ মা-বাবা সন্তানের বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে বেছে নেন
বিভিন্ন খেলনা যানবাহন। এগুলো অনেকটা বড় গাড়ির আদলেই তৈরি করা। গাড়িগুলোর
মধ্যে মোটরসাইকেল, স্কুটি ও বিভিন্ন মডেলের চার চাকার গাড়ি রয়েছে।
অভিভাবকরা এসব গাড়ি ভাড়া করে তাদের সন্তানদের চড়তে দেন। আধুনিক প্রযুক্তিতে
তৈরিকৃত এসব গাড়ির সকল কার্যক্রম প্রায় বড় গাড়ির মতো। হ্যানয় শহরেরর বেশ
কিছু নির্ধারিত এলাকায় গেলে দেখা যাবে ৩/৪ বছরেরর বাচ্চারাও গাড়ি চালাচ্ছে।
আর যেসব বাচ্চা একেবারেই ছোট তাদেরকে গাড়িতে বসিয়ে তাদের মা- বাবা রিমোর্ট
দিয়ে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করছে। আবার অনেক শিশু বড়দের মতোই বেশ স্বাচ্ছন্দে
গাড়ি চালাচ্ছে। এক কথায় বলা চলে ,হ্যানয়ের শিশুরা হাটার আগে গাড়ি চালানো
শেখে ফেলে! ফলে পরিণত বয়সে গাড়ি চালানো শেখার জন্য কোনো সময় ব্যয় করতে হয়
না।

No comments:
Post a Comment