আওয়ামী
লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী
কমিটির সভাপতি, সাবেক রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত আর নেই। রোববার রাত ৪টা
১০ মিনিটে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ,
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, সাবেক
রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ, সংসদে বিরোধী দলের
নেতা রওশন এরশাদ, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
রোববার সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মরদেহ তিন দফায় শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ল্যাবএইড
হাসপাতালের মরচুয়ারিতে রাখা হয়েছে। আজ সিলেটে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর
সুনামগঞ্জের শাল্লা ও দিরাইয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দিরাইয়ে তার
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে। রক্তে হিমোগ্লোবিন স্বল্পতাজনিত অসুস্থতায়
ভুগছিলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অভিজ্ঞ এ সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে
এক শোকবার্তায় বলেন, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত শুধু একজন রাজনীতিকই ছিলেন না,
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নেও তিনি অসামান্য অবদান রেখেছিলেন। সংসদীয়
রাজনীতিতে তার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অতুলনীয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার
শোকবার্তায় বলেন, তার মৃত্যুতে জাতি হারাল একজন দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ,
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ হারাল একজন অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান, আর আমরা হারালাম
সব প্রগতিশীল রাজনৈতিক আন্দোলন সংগ্রামের একজন অগ্র সেনানীকে।” এক
শোকবার্তায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের
অন্যতম রচয়িতা হিসেবে দেশের জনগণ সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে চিরদিন স্মরণে রাখবে।
তিনি বলেন, ‘তার মৃত্যুতে আমি শোকাহত।’ সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মৃত্যুর খবর
ছড়িয়ে পড়লে সকালে হাসপাতালে ছুটে যান আত্মীয়-স্বজনসহ আওয়ামী লীগের
নেতাকর্মীরা। সকাল ৯টার দিকে হাসপাতাল থেকে মরদেহ তার জিগাতলার বাসায় নেয়া
হয়। প্রয়াত এ রাজনীতিবিদকে শেষবার দেখতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী,
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল
কাদের, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন,
প্রবাসীকল?্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানিবিষয়ক
উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আসম ফিরোজ, আওয়ামী
লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নেতা ড. হাছান
মাহমুদ, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস জিগাতলার বাসায় ছুটে যান।
সত্তরের প্রাদেশিক পরিষদে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ছিলেন অন্যতম কনিষ্ঠ সদস্য;
স্বাধীনতার পর তিনি সংসদ সদস?্য নির্বাচিত হয়েছেন সাতবার।
দেশের প্রথম
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। পঞ্চদশ সংবিধান সংশোধন কমিটির
কো-চেয়ারম্যানও ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর শেষদিকে রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি। পরে
এপিএসের ঘুষ কেলেংকারির অভিযোগ মাথায় নিয়ে মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়ান।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মরদেহ জিগাতলার বাসায় আনার পর নেতাকর্মীদের ভিড়ের
কারণে ওই এলাকার রাস্তায় বেশ কিছুক্ষণ যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখে পুলিশ।
সেখান থেকে দুপুর ১২টায় তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে। সেখানে
বিভিন্ন ধর্মের মানুষ তার মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সাতবার সুনামগঞ্জের
দিরাইয়ের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করা বর্ষীয়ান এই প্রয়াত নেতার প্রতি
শ্রদ্ধা জানায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও
সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ঢাকেশ্বরীতে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী
লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ও মুকুল বোস,
সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, ক্রীড়া
প্রতিমন্ত্রী বীরেন সিকদার, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর,
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের
মেয়র সাঈদ খোকন, ঐক্য ন্যাপের আহ্বায়ক পংকজ ভট্টাচার্য প্রমুখ। এছাড়া
সভাপতি জয়ন্ত সেন দীপুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, গণফোরামের
কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের
পক্ষে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এটিএম শামসুজ্জামান, স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী
সেলিম, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, গণতন্ত্রী পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য
নুরুর রহমান সেলিম, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন। রামকৃষ্ণ
মিশনের অধ্যক্ষের নেতৃত্বে মিশনের ভক্ত, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, বাংলাদেশ
মহিলা ফোরাম,
বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য ফোরাম, সাংবাদিকদের সংগঠন স্বজন, স্বামী
বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদসহ অন্যান্য সংগঠনও সুরঞ্জিত
সেনগুপ্তের মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। বিকালে এই সংসদ সদসে?্যর মরদেহে
শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় জাতীয় সংসদে। সেখানে তার প্রতি শেষ
শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ
দলমত নির্বিশেষে সব সংসদ সদস্য এবং রাজনৈতিক নেতা। বেলা ২টা ৫৫ মিনিটে
বর্ষীয়ান এই নেতার মরদেহ জাতীয় সংসদ চত্বরে আনা হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত
আনুষ্ঠানিকতা শেষে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জীবনী পাঠ করেন সংসদের ক্ষমতাসীন
দলের চিফ হুইপ আসম ফিরোজ। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে তার বিষয়ে সংক্ষিপ্ত
বক্তব্য রাখেন ছেলে সৌমেন সেনগুপ্ত। তিনি বলেন, আমার বাবা অসাম্প্রদায়িক
চিন্তা-চেতনার মানুষ ছিলেন। তার কাছে কোনো কাজ নিয়ে গিয়ে কেউ খালি হাতে
ফেরেননি। আমি আজ অভিভাবকহীন, তবে আমি নিজে তা মনে করি না। মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় আমাদের পরিবারের পাশে ছিলেন। আমি আশা করি
তিনি এখনও আমাদের পরিবারের পাশে থাকবেন। এরপর সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে গার্ড অব
অনার দেয়া হয়। গার্ড অব অনার শেষে বিকাল পৌনে ৪টায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল
হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের প্রতি শ্রদ্ধা
নিবেদন করেন।
এরপর স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে
আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি, সংসদে বিরোধীদলীয়
নেতা রওশন এরশাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দ এবং পরে ১৪ দলের
নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। পরে
বিভিন্ন সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ প্রয়াত এ জননেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন
করেন। অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতিকে বিদায় জানানোর পর প্রধানমন্ত্রী কয়েক
মিনিট সুরঞ্জিতের ছেলে সৌমেনের সঙ্গে কথা বলেন। এদিকে রোববার সকালে
রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে তার মরদেহ দেখতে গিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন,
‘সুরঞ্জিতের মৃত্যুতে আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি হল। এটা কখনও পূরণ হওয়ার নয়।’
শ্রদ্ধা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি নেই এমন সংবাদে আমাদের মাঝে
শূন্যতা বিরাজ করছে। জানি না এই শূন্যতা পূরণ হবে কিনা। ঢাকেশ্বরী মন্দিরে
মির্জা ফখরুল বলেন, অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মৃত্যুতে
দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। আমি তার আত্মার শান্তি কামনা
করছি। সেখানে সুরঞ্জিতকে শ্রদ্ধা জানিয়ে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন,
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মৃত্যুতে সংবিধান ও আইনের ব্যাখ্যায় একটি বড় ধরনের
শূন্যতা তৈরি হল, যা পূরণ হওয়ার নয়। তিনি ছিলেন আইন ও সংসদ বিশেষজ্ঞ।
সংবিধানে তার ছিল অগাধ জ্ঞান। যখনই সংকটে পড়তাম তার শরণাপন্ন হতাম।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মৃত্যুর খবর শুনে ভোলা সার্কিট হাউসে দেয়া এক
প্রতিক্রিয়ায় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে
হারিয়ে আওয়ামী লীগের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে দেশও এমন এক ব্যক্তিকে
হারাল যা পূরণীয় নয়। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী সুরঞ্জিত একজন
মুক্তিযোদ্ধা ও স্পস্টভাষী ছিলেন। তার বক্তব্য সবাই তন্ময় হয়ে শুনতেন।
প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি এক শোকবার্তায় বলেন, সুরঞ্জিত
সেনগুপ্তের মৃত্যুতে বাংলাদেশ একজন দক্ষ ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং কৃতী
সন্তানকে হারাল।
তার মহাপ্রয়াণ সমগ্র জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি যা
কোনোভাবেই পূরণ হওয়ার নয়। ঢাকেশ্বরী মন্দিরে প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে
আপাদমস্তক অসাম্প্রদায়িক আখ্যায়িত করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি
বলেন, উনাকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা যায় না। সব গণতান্ত্রিক
আন্দোলনে উনি সামনের কাতারের সৈনিক ছিলেন। প্রয়াত জননেতা সুরঞ্জিতের
প্রয়াণে আরও শোক প্রকাশ করেন সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, স্থানীয়
সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন,
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও
ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (বীরবিক্রম), সংস্কৃতিমন্ত্রী
আসাদুজ্জামান নূর, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন,
রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক, শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু, মহিলা ও
শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা,
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও সাধারণ
সম্পাদক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন প্রমুখ। শোক জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত
ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। রোববার এক শোকবার্তায় সুরঞ্জিত
সেনগুপ্তকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কয়েকদিন
আগে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে সরস্বতী পূজায় এসেছিলেন। তার
মৃত্যুতে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকেও শোক
প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল
কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি বিচারপতি মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী ও
কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির,
বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক,
সম্মিলিত
সামাজিক আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিয়াউদ্দিন তারেক আলী ও সাধারণ
সম্পাদক সালেহ আহমেদ, ইনসাবের সভাপতি রবিউল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আবদুর
রাজ্জাক, মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম
বুলু, জনস্বার্থে বাংলাদেশের সভাপতি বাবুল জমাদার, শরীয়তপুর ফাউন্ডেশনের
মহাসচিব মো. বাচ্চু বেপারি, কবি চন্দ্রাবতী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা শেখ কবির
আহমেদ, সংগীত শিল্পী অপর্ণা খান, রোকন উদ্দিন পাঠান, আওয়ামী হকার্স লীগের
সভাপতি এসএম জাকারিয়া হানিফ ও সাধারণ সম্পাদক জাহেদ আলী, বাংলাদেশ তরীকত
ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী, ন্যাপের সভাপতি
অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির পক্ষে জয়ন্ত সেন দীপু,
তাপস কুমার পাল, ডিএন চ্যাটার্জি, শ্যামল কুমার রায় ও নির্মল কুমার,
জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন পরিবারের সদস্যরা। ১৯৪৫ সালে
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের আনোয়ারপুর গ্রামে জন্ম সুরঞ্জিতের। তার বাবা চিকিৎসক
দেবেন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত ও মা সুমতি বালা সেনগুপ্ত। তিনি দিরাই উচ্চ বিদ্যালয়
থেকে এসএসসি এবং সিলেট এমসি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। পরে
ঢাকা সেন্ট্রাল ল’ কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন।

No comments:
Post a Comment